ইরাকে দূতাবাস বন্ধের পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র

ঢাকা, মঙ্গলবার   ২৭ অক্টোবর ২০২০,   কার্তিক ১২ ১৪২৭,   ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

ইরাকে দূতাবাস বন্ধের পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র

আন্তর্জাতিক ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৯:৪৬ ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০  

মার্কিন দূতাবাস

মার্কিন দূতাবাস

ইরাকের রাজধানী বাগদাদে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস বন্ধের পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র। এ বিষয়ে ইরাকের সরকার ও মার্কিন কূটনৈতিক অংশীদারদের জানিয়েছে দেশটি। ইরাক যদি দেশটিতে মার্কিন উপস্থিতির সঙ্গে জড়িত কর্মীদের ওপর হামলা নিয়ন্ত্রণ না করে তাহলে এ পদক্ষেপ নেবে যুক্তরাষ্ট্র। এ পরিকল্পনায় বেশ অবাক হয়েছেন ইরাকি কর্মকর্তারা।

রোববার ইরাকের প্রধানমন্ত্রী মোস্তফা আল-কাদিমির মুখপাত্র আহমেদ মোল্লা তালাল বলেন, আমরা আশা করছি যে, মার্কিন প্রশাসন এই পরিকল্পনাটি পুনর্বিবেচনা করবে। এমন কিছু ছদ্মবেশী গোষ্ঠী রয়েছে যারা ইরাক- যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ককে নষ্ট করার চেষ্টা করে যাচ্ছে। এমন অবস্থায় দূতাবাস বন্ধ করে দেয়ার ফলে তাদের কাছে একটি নেতিবাচক বার্তা প্রেরণ করা হবে।

বিষয়টির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এক মার্কিন কর্মকর্তা জানান, যুক্তরাষ্ট্রের এই পরিকল্পনার বিষয়ে শনিবার রাতে কাদিমিকে অবহিত করেছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও।

বিষয়টির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এক কূটনীতিক জানান, রোববার হোয়াইট হাউস ইরাক থেকে প্রস্থানের জন্য সম্ভাব্য কোনো পেপারে স্বাক্ষর করেছে কিনা বিষয়টি অস্পষ্ট। এছাড়া ট্রাম্প প্রশাসন এই পরিকল্পনাটি পর্যবেক্ষণ করতে পারে কিনা সেটিও নিশ্চিত নয়। তবে মার্কিন প্রশাসন যদি এই পরিকল্পনা অনুযায়ী এগিয়ে যায় তবে দূতাবাস বন্ধ করতে ৯০ দিন সময় লাগবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এক ইরাকি কর্মকর্তা বলেন, মার্কিন সরকার মিলিশিয়াদের বিরুদ্ধে আরো কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের অনুরোধ জানিয়েছিলো। ইরাকি সরকার যদি এমন পদক্ষেপ নেয় তবে দূতাবাস বন্ধের পরিকল্পনা এড়ানো সম্ভব।

মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র ইরান সমর্থিত গোষ্ঠীগুলো দ্বারা মার্কিন দূতাবাসে রকেট হামলার ব্যাপারে নিজেদের হতাশার কথা জানান। তিনি বলেন, এসব হামলা শুধু আমাদের জন্য নয় বরং ইরাক সরকারের জন্যও বিপদের কারণ। এছাড়া অন্যান্য দেশের দূতাবাসগুলোও ঝুঁকির মুখে রয়েছে। তবে বিদেশি নেতাদের সঙ্গে পম্পেওর ব্যক্তিগত কূটনৈতিক কথোপকথন সম্পর্কে মন্তব্য করতে রাজি হননি তিনি।

সূত্র- দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট

ডেইলি বাংলাদেশ/এসএমএফ