এবার ঐতিহ্যবাহী ইব্রাহিম (আ.) মসজিদ বন্ধ করে দিলো ইসরায়েল

ঢাকা, বুধবার   ২৮ অক্টোবর ২০২০,   কার্তিক ১৩ ১৪২৭,   ১১ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

এবার ঐতিহ্যবাহী ইব্রাহিম (আ.) মসজিদ বন্ধ করে দিলো ইসরায়েল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৮:২৫ ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০  

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

আরব কয়েকটি দেশের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপনের পর থেকে আরো বেপরোয়া হয়ে উঠেছে ইহুদীবাদী দেশ ইসরায়েল। এরই ধারাবাহিকতায় এবার বিশ্বের মুসলিমদের কাছে অতি সম্মানিত এবং গুরুত্বপূর্ণ একটি মসজিদ বন্ধ করে দিয়েছে দেশটি।

২০১৭ সালে মসজিদটিকে ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ হিসেবে ঘোষণা করে ইউনেস্কো। সেই ঐতিহ্যবাহী ফিলিস্তিনের আল-খলিল শহরের ইব্রাহিম (আ.) মসজিদ বন্ধ করে দিয়েছে ইসরাইলি বাহিনী। এ মসজিদের পাশে হযরত ইব্রাহিম (আ.), হযরত ইসহাক (আ.), হযরত ইয়াকুব (আ.) ও হযরত ইউসুফ (আ.)-এর কবর থাকায় মসজিদটি মুসলমানদের কাছে খুবই সম্মানিত একটি স্থাপনা।

ফিলিস্তিনের সংবাদ সংস্থা ওয়াফা’র এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইহুদিদের ধর্মীয় উৎসব ‘রোশ হাসানাহ’ উপলক্ষে মসজিদটি বন্ধ করে দিয়েছে ইসরাইল। মসজিদটি ফিলিস্তিনের পশ্চিমতীরে অবস্থিত। বন্ধ ঘোষণা করার পর থেকে মুসলিমদের জন্য মসজিদে প্রবেশ ও নামাজ আদায় বন্ধ রাখা হয়েছে।

বার্তা সংস্থা ওয়াফা’কে ইব্রাহিম (আ.)-এর কবর ও মসজিদের পরিচালক হাফেজ আবু সেনেইনেহ জানান, ফিলিস্তিনিদের ধর্মীয় স্বাধীনতার ওপর হস্তক্ষেপ করছে ইসরাইল। তিনি বলেন, অবৈধ বাসিন্দাদের যাতায়াতের পথ তৈরি করে দিতেই মসজিদটি বন্ধ ঘোষণা করেছে ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ।

তিনি আরো বলেন, মসজিদ বন্ধের ঘোষণা ধর্মীয় অধিকারের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। ইসরাইল এর মাধ্যমে সব ধরনের রীতি-নীতি ও আন্তর্জাতিক আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়েছে।

১৯৯৪ সালের পবিত্র রমজান মাসে এক চরমপন্থী ইহুদি হযরত ইব্রাহিম (আ.) মসজিদে হামলা চালিয়ে ২৯ জন মুসলমানকে হত্যা করে। আহত হয় আরো ১৫০ জন মুসল্লি।

ইব্রাহিম (আ.)-এর কবর থাকায় উভয় ধর্মের লোকের কাছেই এটি খুবই পবিত্র স্থান বলে বিবেচিত। কিন্তু ১৯৯৪ সালের ওই হামলার পর সঙ্ঘাত এড়াতে স্থানটি উভয় ধর্মের লোকজনের মধ্যে বিভক্ত করে দেয়া হয়। তবে ইহুদিদের উৎসবের সময় ইব্রাহিম মসজিদটি বন্ধ করে দেয়া হয়।

ডেইলি বাংলাদেশ/মাহাদী