সবেতন ছুটি পেতে এক স্ত্রীকে চার বার বিয়ে আর তিন বার ডিভোর্স 

ঢাকা, রোববার   ০৯ মে ২০২১,   বৈশাখ ২৬ ১৪২৮,   ২৬ রমজান ১৪৪২

সবেতন ছুটি পেতে এক স্ত্রীকে চার বার বিয়ে আর তিন বার ডিভোর্স 

মজার খবর ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৬:২৯ ১৫ এপ্রিল ২০২১   আপডেট: ২০:৫৯ ১৫ এপ্রিল ২০২১

তিন বার ডিভোর্সের পর আবার বিয়ে করেন যুবক। ছবি: সংগৃহীত

তিন বার ডিভোর্সের পর আবার বিয়ে করেন যুবক। ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বের নানা মানুষ অদ্ভুত, মজার, আজব ঘটনা ঘটিয়ে থাকে। আর এই ঘটনাগুলো ঘটিয়ে নিজের কার্য সিদ্ধি করতে কত উদ্ভট ধরণের ভাবনাই না মাথা খেলিয়ে বের করে মানুষ। তবে কখনো কি শুনেছেন অফিস থেকে ছুটি নেয়ার জন্য এক বউকে চার বার বিয়ে করে আবার তিন বার ডিভোর্স দিতে? কি শুনে অবাক হলেন নিশ্চয়? অবাক হওয়ারই কথা। তেমনটাই হয়েছে।

তাইওয়ানের এক ব্যক্তি অফিস থেকে টানা সবেতন ছুটি আদায় করার জন্য একই স্ত্রীকে তিন বার ডিভোর্স দিয়ে চার বার বিয়ে করেন। শেষ বার বিয়ের ৩৭ দিনের মাথায় স্ত্রীকে ডিভোর্স দেন ওই ব্যক্তি। তার একটাই উদ্দেশ্য সবেতন ছুটিকে আরো দীর্ঘায়িত করা। পেশায় তিনি একজন ব্যাংকের কর্মচারী। ওই ব্যক্তি প্রথমবার বিয়ের জন্য যখন আবেদন করেছিলেন, তখন তিনি আট দিনের সবেতন ছুটি পান। গত বছরের ৬ এপ্রিল বিয়ে করেন তিনি।

ছুটি শেষ হওয়ার কিছু দিনের মাথায় স্ত্রীকে ডিভোর্স দেন তিনি। তারপর ফের বিয়ের জন্য ছুটির আবেদন করেন এবং একই মেয়েকে বিয়ে করেন। এভাবে মোট তিন বার স্ত্রীকে ডিভোর্স দেন। আর মোট চার বার বিয়ে করেন। 

জানা যায়, তিনি ছুটির জন্য অনেক বার আবেদন করেও অতিরিক্ত সবেতন ছুটি পাচ্ছিলেন না। বারবার আবেদন করেও প্রত্যাখ্যাত হন তিনি। এরপরেই বিয়ের ফন্দি আঁটেন। চার বার বিয়ে করার জন্য ৩২ দিনের সবেতন ছুটির আবেদন করেন তিনি।

এরপরেই টনক নড়ে ব্যাংকারের। দেখা যায়, ছুটি পাওয়ার জন্য ওই ব্যক্তি একই নারীকে বারবার বিয়ে করছেন ও ডিভোর্স দেন। এরপরেই ব্যাংক ওই ব্যক্তিকে অতিরিক্ত ছুটি দিতে অস্বীকার করে। কিন্তু ওই ব্যক্তি জানান, তিনি আইন অমান্য করে কোনো কাজ করেন নি। ব্যাংকের বিরুদ্ধে তাইপেই সিটি লেবার ব্যুরো-র কাছে অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। তদন্তে দেখা যায়, ওই ব্যক্তির উদ্দেশ্য অসত্‍ থাকলেও তিনি আইন ভেঙে কোনো কাজ করেন নি। 

কোনো কর্মচারী বিয়ে করলে ব্যাংক আট দিনের সবেতন ছুটি দিতে বাধ্য। ব্যাংক সেই কাজ না করে আইন অমান্য করেছে। আর এই আইন অমান্য করার ফলে ব্যাংক কর্তৃপক্ষকে  ২০ হাজার তাইওয়ান মুদ্রা (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৬০ হাজার টাকা) জরিমানা করা হয়।

ডেইলি বাংলাদেশ/এসএ