অপারেটরদের নজরদারির প্রযুক্তি ক্রয়ে কানাডার প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বিটিআরসি’র চুক্তি

ঢাকা, সোমবার   ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১,   আশ্বিন ১৩ ১৪২৮,   ১৮ সফর ১৪৪৩

অপারেটরদের নজরদারির প্রযুক্তি ক্রয়ে কানাডার প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বিটিআরসি’র চুক্তি

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৮:৫৮ ২ আগস্ট ২০২১   আপডেট: ২২:১০ ২ আগস্ট ২০২১

কানাডা ভিত্তিক আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান টিকেসি টেলিকম এবং বিটিআরসি’র মধ্যে টেলিকম মনিটরিং সিস্টেম ক্রয়ের চুক্তি

কানাডা ভিত্তিক আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান টিকেসি টেলিকম এবং বিটিআরসি’র মধ্যে টেলিকম মনিটরিং সিস্টেম ক্রয়ের চুক্তি

মোবাইল অপারেটরদের কার্যক্রম তদারকিতে কানাডা ভিত্তিক আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান টিকেসি টেলিকম এবং বিটিআরসি’র মধ্যে টেলিকম মনিটরিং সিস্টেম ক্রয়ের চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে।

সোমবার বিটিআরসি কার্যালয়ে টেলিকম মনিটরিং সিস্টেম ক্রয় সংক্রান্ত এ চুক্তি সম্পাদিত হয়। বিটিআরসি’র পক্ষে ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড অপারেশন্স বিভাগের পরিচালক মো. গোলাম রাজ্জাক ও টিকেসি টেলিকমের পক্ষে প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সামির তালহামি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার।

চুক্তি অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানটিকে চুক্তি স্বাক্ষরের ১৮০ দিনের মধ্যে টেলিকম মনিটরিং সিস্টেম স্থাপনের কাজ সম্পন্ন করতে হবে।

এছাড়া চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বিটিআরসি’র ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড অপারেশন্স বিভাগের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. এহসানুল কবীর এবং টিকেসি টেলিকমের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সামির তালহামি বক্তব্য রাখেন। এ সময় ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ ও বিটিআরসি’র ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এবং মোবাইল অপারেটরদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তারা ভার্চুয়ালি উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, ৭৭ কোটি ৬৫ লাখ টাকা ব্যয়ে টেলিকম মনিটরিং সিস্টেম ক্রয়ের জন্য সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রীসভা কমিটি অনুমোদন দিয়েছে।

অনুষ্ঠানে উপস্থাপনা থেকে জানা যায়, সিস্টেমটি বাস্তবায়িত হলে মোবাইল অপারেটরদের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ এবং রিপোর্টিং প্রক্রিয়া স্বয়ংক্রিয় হবে। একই সঙ্গে প্রয়োজনীয় সব তথ্য বাস্তব সময়ে পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হবে। এতে ভয়েস ও ডাটা ট্রাফিক, নেটওয়ার্ক ব্যবহার এবং মান সম্পর্কিত তথ্য সর্বোপরি বিটিআরসি’র প্রাপ্য রাজস্ব সম্পর্কে নিয়মিত ও নির্ভরযোগ্য তথ্যপ্রাপ্তি নিশ্চিত হবে।

ফলে বিটিআরসি’র নীতিনির্ধারণী ব্যবস্থার ব্যাপক উন্নতি সাধিত হবে এবং সরকারের কাছে প্রতিবেদন পেশ ব্যবস্থা আরো দক্ষ ও দ্রুত হবে। শহর এলাকার পাশাপাশি গ্রামাঞ্চল, দ্বীপ, হাওড়-বাওড়, উপকূলীয় অঞ্চল ও দুর্গম এলাকার টেলিযোগাযোগ নেটওয়ার্কের প্রকৃত অবস্থা তাৎক্ষণিক যাচাই করা সম্ভব হবে।

অপারেটরদের নেটওয়ার্কের লাইভ মনিটরিংয়ের মাধ্যমে নেটওয়ার্কের সেবার মান আরো সুচারুভাবে যাচাই করা যাবে এবং গ্রাহক সেবার প্রকৃত অবস্থা জানা যাবে।

অপারেটররা বাস্তবে যেসব ট্যারিফ বাস্তবায়ন করছে এবং সেসব ট্যারিফ প্যাকেজ বিটিআরসি কর্তৃক অনুমোদিত কী না অথবা গ্রাহকেরা অন্যায্যভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন কিনা তা যাচাই করা সম্ভব হবে। এ বিষয়ক অভিযোগগুলোর নিষ্পত্তি কার্যকরভাবে করা সম্ভব হবে।

প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে নেটওয়ার্ক ক্ষতিগ্রস্ত হলে তা পর্যবেক্ষণ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাবে। সরকারের বিভিন্ন নীতিনির্ধারণী সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং নানাবিধ অবকাঠামোগত ব্যবস্থা ও সেবার সঠিক মান উন্নয়নে সিস্টেমটি কার্যকরী ভূমিকা পালন করবে।

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএইচ