পিপিই সংকট, সেবা দিতে চান চিকিৎসকরা

ঢাকা, সোমবার   ২৬ অক্টোবর ২০২০,   কার্তিক ১১ ১৪২৭,   ০৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

পিপিই সংকট, সেবা দিতে চান চিকিৎসকরা

মেলান্দহ (জামালপুর) প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৬:১৫ ২৮ মার্চ ২০২০   আপডেট: ১৭:১০ ২৮ মার্চ ২০২০

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ধীরে ধীরে বাড়তে থাকলেও আতঙ্ক বাড়ছে দ্রুত গতিতে। আর এর প্রভাব পড়েছে সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালগুলোতেও। এ মুহূর্তে চিকিৎসকরা সেবা দিতে চাইলেও রয়েছে পারসোনাল প্রোটেক্টিভ ইকুইপমেন্ট (পিপিই) সংকট। ফলে করোনা আতঙ্কে হাসপাতালের চিকিৎসকরাও। 

জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলার ৫০ শয্যার সরকারি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেও করোনা আতঙ্কের প্রভাব চোখে পড়ার মত। প্রতিদিন সেবা নিতে আসা রোগীর হার অর্ধেকেরও কমে এসে দাঁড়িয়েছে। 

কর্তব্যরত ডাক্তাররাও আতঙ্ক ও উৎকণ্ঠার মধ্যে সময় পার করছেন। জরুরি বিভাগে সেবা নিতে আসা রোগীসহ অন্যান্য বিভাগের রোগীরাও প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েই হাসপাতাল ত্যাগ করছেন।

শনিবার সরেজমিনে দেখা যায়, হাসপাতালের জরুরি বিভাগে দুই একজন বাদে নারী ও পুরুষ বিভাগের সবগুলো সিট খালি পড়ে আছে। এমতাবস্থায়, হাসপাতালগুলো প্রায় রোগীশূন্যই বলা চলে।

কর্তব্যরত নার্স আছিয়া খাতুন বলেন, আমরা সর্বক্ষণ সেবা দিতে প্রস্তুত কিন্তু করোনা সংক্রমণের ভয়ে রোগীরা হাসপাতালে অবস্থান করতে চান না।

উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মো. মাহতাব উদ্দিন জানান, প্রতিদিন গড়ে ২০০ থেকে ৩০০ রোগী চিকিৎসা নিতে আসলেও করোনা আতঙ্কের কারণে এর পরিসংখ্যান দাঁড়িয়েছে মাত্র ৩০ থেকে ৪০ জনে। এদের মধ্যে কারো হাসপাতালে ভর্তির প্রয়োজন সত্যেও তারা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েই বাড়ি চলে যান।

আবাসিক স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মাইন উদ্দিন বলেন, রোগীরা আতঙ্কে হাসপাতাল ছাড়ছেই তবে আমরাও আতঙ্কের বাইরে নেই। আমরা সেবা দিতে চাই তবে পর্যাপ্ত পারসোনাল প্রোটেক্টিভ ইকুইপমেন্ট (পিপিই) নেই। জরুরি বিভাগ ও অন্যান্য বিভাগসহ ১৭ জন ডাক্তার নিয়োজিত থাকলেও এ পর্যন্ত মাত্র ১০ সেট ওয়ানটাইম পিপিই সরবরাহ করা হয়েছে যা একাধিকবার ব্যবহারযোগ্য নয়। এমতাবস্থায়, আতঙ্ক এবং সংক্রমণের ঝুঁকি নিয়েই প্রতিদিন কাজ করতে হচ্ছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. ফজলুল হক জানান, এ উপজেলায় হোম কোয়ারেন্টাইনে আছে ৮ জন। এর আগে আরো ১২৮ জন কোয়ারেন্টাইন সমাপ্ত করেছেন। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত উপজেলার কোথাও করোনা আক্রান্ত রোগী নেই।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমকে/আরআর