৩ দিনের রিমান্ডে পি কে হালদার 

ঢাকা, শুক্রবার   ২৭ মে ২০২২,   ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯,   ২৫ শাওয়াল ১৪৪৩

Beximco LPG Gas

৩ দিনের রিমান্ডে পি কে হালদার 

নিউজ ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ২৩:৪০ ১৪ মে ২০২২   আপডেট: ২৩:৪১ ১৪ মে ২০২২

গ্রেফতার প্রশান্ত কুমার হালদার (পিকে হালদার)ছবি: সংগৃহীত

গ্রেফতার প্রশান্ত কুমার হালদার (পিকে হালদার)ছবি: সংগৃহীত

হাজার হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ ও পাচার করে দেশ থেকে পলাতক প্রশান্ত কুমার হালদার বা পি কে হালদারকে তিন দিনের হেফাজতে নিয়েছে ভারতের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)।

শনিবার পশ্চিমবঙ্গের উত্তর চব্বিশ পরগনা থেকে পি কে হালদারসহ ছয় জনকে গ্রেফতার করে সংস্থাটি।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম সংবাদ প্রতিদিনের খবরে বলা হয়, গ্রেফতারের পর ছয়জনকে পশ্চিমবঙ্গের ব্যাঙ্কশালের আদালতে নেয় ইডির কর্মকর্তারা। তাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতের কাছে আবেদন করলে পাঁচজনকে তিন দিন করে রিমান্ড আদেশ দেয়া হয়।

সে সঙ্গে গ্রেফতার পি কে হালদারের স্ত্রীকে এই তিন দিন জেল হেফাজতের আদেশ দেয় আদালত।

ইডির কাছে অভিযোগ ছিল বাংলাদেশ থেকে কয়েক হাজার কোটি টাকা পাচারের আসামি পি কে হালদার পশ্চিমবঙ্গে অবস্থান করছেন।

এরপর শুক্রবার সকাল থেকে ইডির তদন্তকারীরা বিভিন্ন দলে ভাগ হয়ে কলকাতাসহ দুই পরগনার বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি অভিযান চালায়। উত্তর ২৪ পরগনার অশোকনগরে অর্থপাচার চক্রের হোতা প্রশান্ত কুমার হালদার ও তার সহযোগী সুকুমার মৃধা এবং প্রণব কুমার হালদারের বিলাসবহুল বাড়িতে তল্লাশি চালায়। এ সময় বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি বাজেয়াপ্ত করেছে ইডি।

পি কে হালদারসহ চক্রের কয়েকজনের সেখানে বহু বাড়ি, জমি, ফ্ল্যাট চিহ্নিত করে সেসবের কাগজপত্র বাজেয়াপ্ত করেছে ইডির তদন্তকারীরা।

ইডি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, প্রশান্ত কুমার হালদার পশ্চিমবঙ্গে শিবশঙ্কর হালদার পরিচয়ে ভারতীয় নাগরিকত্ব নিয়েছেন। তিনি জালিয়াতি করে রেশন কার্ড, ভারতীয় ভোটার আইডি কার্ড, প্যান কার্ড ও আধার কার্ড নিয়েছিলেন। তার সহযোগীরাও সেখানে জালিয়াতি করে ভারতীয় নাগরিকত্ব নিয়েছেন।

ইডি কর্মকর্তাদের ধারণা, পি কে হালদার ২০১৯ সালে কানাডায় পালিয়ে গেলেও তিনি ভারতে নিয়মিত যাতায়াত করতেন। স্থায়ীভাবে আত্মগোপন করে থাকার জন্যই তিনি জালিয়াতি করে ভারতীয় নাগরিকত্ব নিয়েছিলেন।

বাংলাদেশের বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে অন্তত ১১ হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ ও পাচারের পর কানাডায় পালিয়ে যান প্রশান্ত কুমার হালদার। দুদক পি কে হালদার ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে ৩৪টি মামলা করেছে। এসব মামলায় এক ডজনেরও বেশি ব্যক্তিকে গ্রেফতারের পর আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তাদের মধ্যে ১১ জন দোষ স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দিয়েছেন।

পি কে হালদারের অর্থ পাচারের সঙ্গে জড়িত ও ঘনিষ্ঠ হিসেবে অন্তত ৭০ জনের একটি তালিকা করেছিল বিএফআইইউ ও দুদক। তাদের অনেকেই ভারতে গিয়ে নামের আংশিক পরিবর্তন করে জালিয়াতি করে ভারতীয় নাগরিকত্ব নিয়ে বসবাস করছেন।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমকে

English HighlightsREAD MORE »