বাহারি দাড়ি-গোঁফওয়ালাদের ব্যতিক্রমী প্রতিযোগিতা

ঢাকা, বৃহস্পতিবার   ০২ ডিসেম্বর ২০২১,   অগ্রহায়ণ ১৮ ১৪২৮,   ২৫ রবিউস সানি ১৪৪৩

বাহারি দাড়ি-গোঁফওয়ালাদের ব্যতিক্রমী প্রতিযোগিতা

ফিচার ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৩:৩৪ ২৬ অক্টোবর ২০২১   আপডেট: ১৩:৩৭ ২৬ অক্টোবর ২০২১

বাহারি দাড়ি-গোঁফ। ছবি: সংগৃহীত

বাহারি দাড়ি-গোঁফ। ছবি: সংগৃহীত

একেক মানুষের একেক রকম আজব শখ থাকে। যা অন্যের কাছে বেশ অদ্ভুত মনে হয়। কারো কারো কাছে শখের জিনিসগুলো নেশার মতো কাজ করে। যা অন্যের কাছে পাগলামিও মনে হতে পারে। বিশ্বজুড়ে এমন মানুষের সংখ্যা খুব বেশি না হলেও কোটি কোটি মানুষের মাঝেও তাদের আলাদা করে চেনা যায়। বলছি বাহারি দাড়ি ও গোঁফওয়ালাদের কথা। 

দেখে মনে হয়, যেন গোঁফে তা দিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন তারা। রাজসিক দাড়ি-গোঁফের অধিকারি মানুষগুলোর চালচলনেও রয়েছে একধরনের আভিজত্য। আর এদের নিয়েই জার্মানির সাউথ বাভারিয়ানে হয়ে গেলো একটি ব্যতিক্রমি প্রতিযোগিতা।

প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী দুই ব্যক্তি। জানা গেছে, জার্মানিতে আয়োজিত বার্ষিক এ চ্যাম্পিয়নশিপে অংশ নেন বিভিন্ন শহরের শতাধিক মানুষ। নানান কায়দায় পাকিয়ে তোলা দাড়ি-গোঁফ নিয়ে বহু মানুষ শামিল হয়েছেন এই প্রতিযোগিতায়। 

প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীদের কারো গোঁফ সূচালো, কারোটা চন্দ্রাকৃতির, কেউ আবার গোঁফ পাকিয়েছেন ঊর্ধ্বমুখী। বাহারি এমন নকশার গোঁফেরও রয়েছে বাহারি নাম। ইংলিশ, শেভরণ, ডালি, পিরামিড কিংবা হর্স স্যু আকৃতির গোঁফ সবার নজর কেড়েছে।

প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী তিন ব্যক্তি।  এখানেও ছিল দু’পক্ষ। একপক্ষ নিজেরাই নানা কায়দায় যত্ন নিয়ে গোঁফ বানিয়েছেন। আরেক পক্ষ যারা প্রকৃতিগতভাবেই গর্ব করার মতো দাড়ি গোঁফের মালিক। কখনই করেননি কাটছাট।

প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীদের থেকে সেরাদের নির্বাচিত করেছেন বেশ কয়েকজন বিচারক। তাদের ভোটেই নির্বাচিত হয়েছেন সেরা তিন গোঁফওয়ালা।

প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী তিন ব্যক্তি। তথ্য বলছে, ১৯৯০ সালে জার্মানির ব্ল্যাক ফরেস্ট এলাকায় প্রথম চালু হয় এই চ্যাম্পিয়নশিপ। এখন প্রতি দুই বছর পরপর আন্তর্জাতিকভাবে হচ্ছে এই প্রতিযোগিতা।

ডেইলি বাংলাদেশ/এএ