দিনে ৫-৬ বার মৃত স্বামীর ছাই খান এই নারী

ঢাকা, রোববার   ০৫ ডিসেম্বর ২০২১,   অগ্রহায়ণ ২২ ১৪২৮,   ২৮ রবিউস সানি ১৪৪৩

দিনে ৫-৬ বার মৃত স্বামীর ছাই খান এই নারী

ফিচার ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৬:০৩ ২১ অক্টোবর ২০২১  

দিনে ৫-৬ বার মৃত স্বামীর ছাই খান এই নারী। ছবি সংগৃহীত

দিনে ৫-৬ বার মৃত স্বামীর ছাই খান এই নারী। ছবি সংগৃহীত

স্বামী মারা গেছে অনেক বছর আগে। শেষকৃত্যও সম্পন্ন হয়েছে। তবে তারপরও স্বামীর ছাই সঙ্গে নিয়ে ঘুরছেন এক নারী। শুধু সঙ্গে নিয়ে ঘোরা নয়, মাঝেমধ্যে সেই ছাই খাচ্ছেনও তিনি। তাও এক বা দুইবার নয়, দিনে পাঁচ থেকে ছয়বার। হ্যাঁ, শুনতে অবাক লাগলেও এটাই সত্যি।

২৬ বছর বয়সী কেসিজানা যায়, ঐ নারীর নাম কেসি। বয়স ২৬ বছর। ঐ নারী গ্রেট ব্রিটেনের বাসিন্দা। ২০০৯ সালে বিয়ে করেন তিনি। বিয়ে পর ভালোই কাটছিল তাদের সংসার। তবে দীর্ঘদিন ধরেই তার স্বামী সিন শ্বাসকষ্টের সমস্যায় ভুগছিলেন। শেষপর্যন্ত দু’বছর আগে অ্যাস্থমায় আক্রান্ত হয়েই মারা গিয়েছিলেন তিনি। তবে এরপর সিনকে দাহ করলেও তার অস্থি নিজের কাছেই রেখে দিয়েছিলেন কেসি। পরবর্তীতে ঐ অস্থি সবসময় সঙ্গে নিয়ে ঘুরে বেরিয়েছেন তিনি।

মৃত স্বামীর ছাইকে অস্থি মনে করে সব সময় সঙ্গে নিয়ে ঘুরে বেড়ান তিনিকয়েকদিন আগেই এক সাক্ষাৎকারে কেসি জানান, আমি যেখানেই যাই, সেখানেই ওঁর অস্থি আমার সঙ্গে নিয়ে যাই। তা সেটা গ্রোসারি স্টোরস, শপিং মল, সিনেমা হল কিংবা কোথাও খাবার খেতে যাওয়া হোক না কেন! সবজায়গায় ও আমার সঙ্গে থাকে। 

এভাবে আঙ্গুলে নিয়ে দিনে পাঁচ থেকে ছয়বার খান তিনি তবে এখানেই শেষ নয়, কেসি আরো জানান, তিনি মাঝেমধ্যেই তার স্বামীর অস্থির ছাইও খেয়ে থাকেন। আর এটা জানতে পেরেই অবাক হয়ে যান অনেকে। ঐ নারীর কথায়, আমি আমার স্বামীকে নিজের জীবন থেকে মুছে ফেলতে চাই না। তাই মাঝেমধ্যেই তার অস্থি খেয়ে থাকি। আর এটা কখনোই বন্ধও করতে পারছি না। গত দু’মাস ধরেই এই ভাবে অস্থি খেয়ে চলেছি।

যেখানে যান সেখানেই স্বামীর অস্থি নিয়ে যান অনেকেই প্রশ্ন করেন, এভাবে দিনের পর দিন অস্থির ছাই খাওয়া কীভাবে সম্ভব। সাক্ষাৎকারে সেই বিষয়টিও জানান তিনি। কেসি জানান, বেশি নয়, তিনি দিনে পাঁচ থেকে ছয়বার আঙুলে একটু ছাই তুলে নিয়ে সেটি খান। তবে কোনোভাবেই তা বন্ধ করতে পারবেন না। 

তবে কেন একাজ করেন কেসি? ঐ নারীর কথায়, ছাইয়ের কৌটোটি খুলতেই তিনি অনাবিল আনন্দ পান। আর যত সেটি খাই, তত আনন্দিত হই।

ডেইলি বাংলাদেশ/এসএ