১০০০ ঘণ্টায় তৈরি হলো বিশ্বের সবচেয়ে দামি ব্যাগ

ঢাকা, শনিবার   ১৬ জানুয়ারি ২০২১,   মাঘ ৩ ১৪২৭,   ০১ জমাদিউস সানি ১৪৪২

১০০০ ঘণ্টায় তৈরি হলো বিশ্বের সবচেয়ে দামি ব্যাগ

ফিচার ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৩:৫৩ ২৭ নভেম্বর ২০২০  

ছবি: বিশ্বের সবচেয়ে দামি ব্যাগ

ছবি: বিশ্বের সবচেয়ে দামি ব্যাগ

দামি শাড়ি-জুয়েলারি অনেকই তো রয়েছে। তার মধ্যেও সবচেয়ে দামি শাড়িটি রয়েছে বিশ্বে। ঠিক একইভাবে বিশ্বের সবচেয়ে দামি ব্যাগটি তৈরি হয়েছে। যার দাম শুনলে আপনি আঁতকে উঠবেন।

এগুলো কেউ বানান বা কেনেন নিজের শখ আহ্লাদ পূরণ করতে। আবার অনেকেই আছে যারা দামী কোনো জিনিস তৈরি এবং তা বিক্রয়ের মাধ্যমে সমাজ তথা গোটা পৃথিবীর মানব জাতিকে কোনো বার্তা দিয়ে যেতে চান।

আরো পড়ুন: দিন-রাত পাপ কর্মে ডুবে আছে কুখ্যাত এক দ্বীপ

আর এমনই হরেক জিনিস আমাদের চারপাশে অনেক রয়েছে যেগুলো তাদের নিজ বৈশিষ্ট্য এবং গুণে গিনেস বুকে জায়গা করে নিয়েছে। ঠিক যেমন, ইতালিতে তৈরি হয়েছে নারীদের জন্য ব্যবহৃত এমনই একটি হ্যান্ডব্যাগ।

এটিই নাকি বিশ্বের লাক্সারি আইটেমগুলোর মধ্যে সবচেয়ে দামি। মূলত ব্যাগটির নকশা, কারুকার্য এবং চামড়ার কোয়ালিটির উপর নির্ভর করে এর দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। আর দাম শুনলে আপনার চোখ কপালে উঠতে বাধ্য।

আরো পড়ুন: ইট, পাথর ও মাটি খেয়েই ২৫ বছর পার

বিশ্বের সবচেয়ে দামি এই হ্যান্ডব্যাগটির মূল্য ৫.৩ মিলিয়ন। জানা গিয়েছে, ইতালির ব্রান্ডেড কোম্পানি বোলোনা-ভিত্তিক বোয়ারিনি মিলানেসি তিনটি পার্ভা এমিয়া ব্যাগ তৈরি করেছেন। যার জন্য প্রায় এক হাজার ঘণ্টা কাজ করতে হয়েছে, তাও আবার প্রতি ব্যাগ পিছু।

ব্যাগটিতে সোনা ও হীরা রয়েছেআধা-চকচকে অ্যালিগেটরের ত্বক থেকে তৈরি, হ্যান্ডব্যাগটি ১০ ​​টি সাদা সোনার প্রজাপতি দিয়ে সজ্জিত। এর মধ্যে চারটি হীরে এবং তিনটি নীলকান্তমণি এবং বিরল প্যারাইবা টুরমলাইনস দ্বারা সজ্জিত। ব্যাগটির মোট ওজন ১৩০ ক্যারেটেরও বেশি। এটিতে একটি ডায়মন্ড পাভ ক্লপও রয়েছে।
 
জানা গিয়েছে, এই ব্যাগের নকশা থেকে শুরু করে দাম নির্ধারণ সবকিছুই সমুদ্র দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে করা হয়েছে। এছাড়াও এই ব্যাগ তিনটি বিক্রয়ের পর যে-টাকা আয় হবে তার থেকে ৭৫০.৯১১ মিলিয়ন টাকা সামুদ্রিক পরিবেশকে প্লাস্টিক মুক্ত এবং জল দূষণ রোধের কাজে ব্যবহার করা হবে।

আরো পড়ুন: বাংলাদেশের ‘রহস্যময়’ জাহাজের দেখা মিললো নিষিদ্ধ নর্থ সেন্টিনেল দ্বীপে

এই বিষয়ে কোম্পানির সহ প্রতিষ্ঠাতা মাত্তিও রোডল্ফো মিলানেসি জানিয়েছেন, কৈশোরে হারানো বাবার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এবং ছোটোবেলার সমুদ্র ভ্রমণের স্মৃতি দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে সমুদ্রের পরিবেশ বাঁচাতে এই ব্যাগ বিক্রয় করা অর্থ তিনি পুরোটা ব্যায় করতে চান।

যাতে দূষণ মুক্ত সমুদ্রে প্রাণভরে প্রশ্বাস নিতে পারে জলচরেরা। আর তার এই ছোট্ট প্রচেষ্টার মাধ্যমে গোটা পৃথিবীর মানুষকে তিনি একটাই বার্তা দিতে চান, প্রকৃতির ধ্বংস লীলায় মত্ত না হয়ে ভবিষ্যত প্রজন্মকে সুরক্ষিত এবং সুন্দর রাখতে এভাবেই সকলে এগিয়ে আসুন।

সূত্র: ডেইলিমেইল

ডেইলি বাংলাদেশ/জেএমএস