ঘোড়ায় টানা ট্রেন, সঠিক সময়ে পৌঁছায় স্টেশনে

ঢাকা, রোববার   ২৫ অক্টোবর ২০২০,   কার্তিক ১০ ১৪২৭,   ০৮ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

অদ্ভূত যত ট্রেন

ঘোড়ায় টানা ট্রেন, সঠিক সময়ে পৌঁছায় স্টেশনে

ফিচার ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৭:২০ ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২০   আপডেট: ১২:৪২ ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২০

ছবি: ঘোড়া টানছে ট্রেন

ছবি: ঘোড়া টানছে ট্রেন

ট্রেন লাইনে চলছে ঘোড়ার গাড়ি, কখনো এমন দৃশ্য দেখেছেন? একে বলা হয় ঘোড়ায় টানা ট্রেন। এই ট্রেনের তো আবার ইঞ্জিনটাও নেই। ইঞ্জিনের জায়গায় রয়েছে আস্ত এক ঘোড়া। হ্যাঁ, এমন রেলগাড়িই ব্যবহৃত হয় পাকিস্তানে। 

আরো পড়ুন: বাংলাদেশের দীর্ঘতম ‘বাঁশের সাঁকো’

বর্তমানে বিশ্বে দ্রুত ও আধুনিক ট্রেনের কদর বাড়লেও পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের গঙ্গাপুরে এখনো চলে ঘোড়ায় টানা ট্রেন।  সেই ১৯০৩ সাল থেকে আজো ঘোড়াই চালিয়ে যাচ্ছে ইঞ্জিনের দায়িত্ব। 

রেল লাইনএই স্টেশনের জন্য রয়েছে নির্দিষ্ট স্টেশন, যাত্রী ছাউনি ও টিকেট কাউন্টারও। রীতিমতো টিকেট কেটেই চড়তে হয় এই ট্রেনে। দুই বগির এসব ট্রেনে একসঙ্গে বসতে পারেন ১৬ জন যাত্রী। 

আরো পড়ুন: এক গণকবর থেকেই উদ্ধার হলো ১৫০০ কঙ্কাল!

সবচেয়ে মজার বিষয় হলো, যান্ত্রিক ট্রেন সময়মতো স্টেশনে পৌঁছাতে অনেক সময় দেরি করলেও ঘোড়ায় চলা ট্রেন কখনো করে না। চলতি পথে দু’দিক থেকে আসা দু’টি ট্রেন মুখোমুখী হলে যাত্রীরা নেমে ট্রেন পরিবর্তন করে নেন। 

বিচিত্র এক ট্রেনসেই সময় চালকে ঘোড়াটিকে ঘুরিয়ে দিক পরিবর্তন করে নেন। কিছুটা যান্ত্রিক ট্রেনের ইঞ্জিন ঘুরানোর মতোই বিষয়টি। ঘোড়ায় টানা এই ট্রেনের কদর অনেক। 

আরো পড়ুন: হারিয়ে যাচ্ছে কেশবতী এই বানরের প্রজাতি

স্থানীয়দের পাশাপাশি এই ট্রেনে উঠতে দূর-দূরান্ত থেকে যাত্রীরা আসেন পাঞ্জাবের গঙ্গাপুরে। ১৯৯৩ সালে একবার বন্ধ হলেও ২০০৭ সালে আবারো চালু হয় ঘোড়ায় টানা এই ট্রেন।

স্টেশনে দাঁড়িয়ে আছে ঘোড়াপাকিস্তানের মতো কম্বোডিয়ার বাটামবাং প্রদেশে আছে বাঁশের তৈরি অদ্ভূত ট্রেন। তবে তা পাকিস্তানের ঘোড়ার ট্রেন থেকে একটু উন্নত। এই ট্রেন সম্পর্কে জানানো হবে পরের পর্বে। ডেইলি বাংলাদেশে চোখ রাখুন।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেএমএস