বাজারে নতুন চাল, তবু কমছে না দাম
SELECT bn_content_arch.*, bn_bas_category.*, DATE_FORMAT(bn_content_arch.DateTimeInserted, '%H:%i %e %M %Y') AS fDateTimeInserted, DATE_FORMAT(bn_content_arch.DateTimeUpdated, '%H:%i %e %M %Y') AS fDateTimeUpdated, bn_totalhit.TotalHit FROM bn_content_arch INNER JOIN bn_bas_category ON bn_bas_category.CategoryID=bn_content_arch.CategoryID INNER JOIN bn_totalhit ON bn_totalhit.ContentID=bn_content_arch.ContentID WHERE bn_content_arch.Deletable=1 AND bn_content_arch.ShowContent=1 AND bn_content_arch.ContentID=16 LIMIT 1

ঢাকা, বৃহস্পতিবার   ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০,   আশ্বিন ৯ ১৪২৭,   ০৬ সফর ১৪৪২

বাজারে নতুন চাল, তবু কমছে না দাম

 প্রকাশিত: ১২:৪৩ ১৭ জুন ২০১৩   আপডেট: ১৭:০৭ ১৮ জানুয়ারি ২০২০

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

রাজধানীর বাজারে নতুন বোরো চাল আসতে শুরু করেছে। তবে পুরোনো চালের মতো এই চালের দামও চড়া। যদিও আশা করা হয়েছিল, নতুন মৌসুমের ধান উঠলে বাজারে চালের দাম কমবে। পাইকারি বাজারে প্রতি কেজি নতুন মোটা চাল বিক্রি হচ্ছে ৪৩ টাকা দরে। সরু চাল কেজিপ্রতি ৫২ টাকার আশপাশে বিক্রি করছেন বিক্রেতারা। মৌসুমের শুরুতে দাম তো কমেইনি, বরং ভবিষ্যতেও কমার কোনো আশা দিতে পারছেন না ব্যবসায়ীরা। তাঁরা বলছেন, এ বছর ধানের দাম বেশি, তাই চালের দাম উল্লেখযোগ্য হারে কমার সম্ভাবনা কম। এ কারণে কয়েক মাস ধরে চাল কিনতে গিয়ে সাধারণ মানুষ যে অস্বস্তিতে ভুগছে, তা দূর হওয়ার সম্ভাবনা কম। সরকারি সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) হিসাবে, এক বছর আগের তুলনায় মোটা চালের দাম এখন ৩৬ শতাংশ বেশি। তবে চালের দাম না কমায় ভোক্তারা বিপাকে পড়লেও মৌসুমের শুরুতেই ধানের ভালো দাম পাচ্ছেন কৃষকেরা। দেশে প্রতিবছর প্রায় সাড়ে তিন কোটি টন চাল উৎপাদিত হয়, যার প্রায় ৬০ শতাংশ আসে বোরো মৌসুমে। গত মৌসুমে ১ কোটি ৮৯ লাখ টন বোরো চাল উৎপাদিত হয়েছিল। এ বছর আগাম বৃষ্টিতে বিস্তীর্ণ হাওর অঞ্চল তলিয়ে যাওয়ায় পাকা ধান নষ্ট হয়ে গেছে। যে কারণে চালের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে কিছুটা কম হতে পারে। এ জন্য মৌসুমের শুরু থেকেই ধানের দাম চড়া বলে জানান ব্যবসায়ীরা। তাঁদের দাবি, উত্তরবঙ্গে নতুন মৌসুমের ধান মণপ্রতি ১ হাজার টাকা থেকে ১ হাজার ১০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে, যা গত বছর ৮০০ টাকার মধ্যে ছিল। রাজধানীর চালের অন্যতম পাইকারি বাজার মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেটে বোরোর পুরোনো চাল নেই বললেই চলে। সেখানে হাইব্রিড মোটা চাল নামে পরিচিত চাল বিক্রি হচ্ছে ৪৩ টাকা কেজি দরে। মোটা চালের আর দুই জাত গুটি ও স্বর্ণা বিক্রি হচ্ছে ৪৫-৪৬ টাকা দরে। বিআর আটাশ নামের মাঝারি মানের চাল বিক্রি হচ্ছে ৪৬-৪৭ টাকা কেজি দরে। অন্যদিকে মিনিকেট নামে পরিচিত সরু চাল ৫২ টাকা কেজি দরে বিক্রি করছেন বিক্রেতারা। রাজধানীর কারওয়ান বাজারেও নতুন চাল এসেছে। অবশ্য দাম কৃষি মার্কেটের আড়তের চেয়ে কিছুটা বেশি। পাইকারি বাজারের এ চাল খুচরা বাজারে গিয়ে কেজিতে দুই থেকে তিন টাকা বেশি দামে বিক্রি হয়। কৃষি বিপণন অধিদপ্তর মিরপুর ১, মোহাম্মদপুর টাউন হল বাজার, কারওয়ান বাজার ও নিউমার্কেট কাঁচাবাজারের তথ্য দিয়ে বলছে, এসব বাজারে মোটা চাল ৪৫ থেকে ৪৬ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। কৃষি মার্কেটের মেসার্স বিলচাঁন্দক রাইস এজেন্সির ব্যবস্থাপক মো. আনিছুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, কিছুদিন হলো নতুন চাল আসছে। তবে দাম তেমন কমেনি। নতুন চালের সরবরাহ আরও বাড়লে দাম কমবে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘গত বছর আমরা মোটা চাল ৩৪ টাকা কেজিতে বিক্রি করেছি। এবার এখনকার দামের চেয়ে খুব বেশি কমবে বলে মনে হয় না।’ দেশে গত কয়েক বছর চালের দাম বেশ কম ছিল। ভালো উৎপাদনের পাশাপাশি ভারত থেকে বেসরকারি পর্যায়ে আমদানির ফলে তখন মৌসুম শেষেও দাম বাড়েনি। ২০১৫ সালের ডিসেম্বরে ভারত থেকে চাল আমদানিতে শুল্ক হার বাড়িয়ে ২০ শতাংশ করা হয়। চালকলের মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ অটো মেজর অ্যান্ড হাসকিং মিল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আবদুর রশিদ প্রথম আলোকে বলেন, এবার ধান কেনার ক্ষেত্রেই দাম বেশি পড়ছে। সে জন্য চালের দাম খুব বেশি কমানোর সুযোগ কম। তিনি বলেন, নতুন মৌসুমের ধান এলেও লোডশেডিংয়ের কারণে চাল উৎপাদনে বিঘ্ন ঘটছে। দিনে সাত থেকে আট ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকছে না।