কুয়েতে মানবপাচার মামলায় পাপুলের ৭ বছর কারাদণ্ড

ঢাকা, শুক্রবার   ২১ জানুয়ারি ২০২২,   ৮ মাঘ ১৪২৮,   ১৬ জমাদিউস সানি ১৪৪৩

কুয়েতে মানবপাচার মামলায় পাপুলের ৭ বছর কারাদণ্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৬:২৯ ২৮ নভেম্বর ২০২১   আপডেট: ১৬:৫৬ ২৮ নভেম্বর ২০২১

ছবি: এমপি কাজী শহিদ ইসলাম পাপুল

ছবি: এমপি কাজী শহিদ ইসলাম পাপুল

বাংলাদেশের লক্ষ্মীপুর-২ আসনের সাবেক এমপি কাজী শহিদ ইসলাম পাপুলকে একটি হাই প্রোফাইল মানবপাচার মামলায় সাত বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন কুয়েতের শীর্ষ আপিল আদালত। একইসঙ্গে ২৭ লাখ কুয়েতি দিনার জরিমানা প্রদানের আদেশ দেওয়া হয়েছে।

পাপুল ছাড়াও কুয়েতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আন্ডারসেক্রেটারি মেজর জেনারেল মাজেন আল-জাররাহ, জনশক্তি পরিচালক হাসান আল খিদরকেও ৭ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। 

এছাড়া কুয়েতের ওই সরকারি কর্মকর্তাদের ঘুষের মামলায় নিজ নিজ পদ থেকে বহিষ্কারেরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কুয়েতের সাবেক এমপি সালাহ খুরশিদকেও সাত বছরের কারাদণ্ড এবং প্রায় সাড়ে সাত লাখ কুয়েতি দিনার জরিমানা করা হয়েছে।

গত ৬ জুন কুয়েতের অপরাধ তদন্ত বিভাগ পাপলুকে গ্রেফতার করে। সে সময় গালফ নিউজের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, পাপুলের বিরুদ্ধে কুয়েতের সরকারি কৌঁসুলিরা তিনটি অভিযোগ তুলেছেন। অভিযোগগুলো হলো- মানবপাচার, অবৈধ মুদ্রাপাচার এবং স্বদেশী কর্মীদের কাছে রেসিডেন্ট পারমিট বিক্রি।

পাঁচ বাংলাদেশি তার বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলার পর পাপুলকে গ্রেফতার করা হয়। ওই বাংলাদেশিরা জানান, পাপুল তাদের কুয়েতে পাঠানোর জন্য প্রত্যেকের কাছে সোয়া আট লাখেরও বেশি করে টাকা নিয়েছেন। এছাড়া রেসিডেন্সি ভিসা নবায়নের জন্য প্রতি বছর পাপুলকে নতুন করে অর্থ প্রদান করতে হতো তাদের।

পাপুলের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলোর মধ্যে উল্লেখ করা হয়েছে যে, তিনি কুয়েতে সরকারি কর্মকর্তাদের ঘুষ হিসেবে পাঁচটি বিলাসবহুল গাড়ি সরবরাহ করেছিলেন, যাতে তিনি সেখানে যে সংস্থাটি চালাচ্ছিলেন তার চুক্তি পেতে পারেন।

প্রসঙ্গত, কুয়েতের বহুল আলোচিত অর্থ ও ঘুষের মামলায় কাজী শহিদ ইসলাম পাপুলকে চার বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

ডেইলি বাংলাদেশ/মাহাদী/এমএস

English HighlightsREAD MORE »