পর্তুগালে শেখ রাসেল দিবস উদযাপন

ঢাকা, বৃহস্পতিবার   ০২ ডিসেম্বর ২০২১,   অগ্রহায়ণ ১৮ ১৪২৮,   ২৫ রবিউস সানি ১৪৪৩

পর্তুগালে শেখ রাসেল দিবস উদযাপন

পর্তুগাল প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ০৪:৩৪ ১৯ অক্টোবর ২০২১  

বক্তব্য রাখেন রাষ্ট্রদূত তারিক আহসান- ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

বক্তব্য রাখেন রাষ্ট্রদূত তারিক আহসান- ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

যথাযথ মর্যাদা ও উৎসবমুখর পরিবেশে পর্তুগালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠ পুত্র শহিদ শেখ রাসেলের জন্মবার্ষিকী ও  শেখ রাসেল দিবস উদযাপন করা হয়েছে। 

দিবসটি উপলক্ষে দেশটির লিসবনে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসে নানা অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পর্তুগালে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তারিক আহসান, দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারী এওপর্তুগালের বাংলাদেশ কমিউনিটির সদস্যরা শহিদ শেখ রাসেলের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। পরে দিবসটি উপলক্ষে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বাণী পাঠ করা হয়। 

পরবর্তীতে দূতাবাসের কর্মকর্তা ও বাংলাদেশ কমিউনিটির নেতাদের অংশগ্রহণে শহিদ শেখ রাসেলের জীবনের উপর এক সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা হয়। এতে আলোচকরা মত প্রকাশ করেন যে, যদি শেখ রাসেল বেঁচে থাকতেন তবে জাতি একজন দূরদর্শী নেতা পেত। বক্তারা স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তির হাতে শেখ রাসেলের নৃশংস ও বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জ্ঞাপন করেন।

রাষ্ট্রদূত তারিক আহসান তার বক্তব্যের শুরুতেই শেখ রাসেলের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। তিনি বলেন, পরিবারের সবচেয়ে আদরের কনিষ্ঠ সন্তান হওয়া সত্ত্বেও শেখ রাসেল তার শৈশবের অধিকাংশ সময় পিতার সান্নিধ্য হতে বঞ্চিত হয়েছেন। কারণ বঙ্গবন্ধু বেশিরভাগ সময়ই পাকিস্তানি শাসকচক্র কর্তৃক কারাবন্দী থাকতেন। 

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট কালরাতে পরিবারের অনান্য সদস্যদের সঙ্গে শেখ রাসেলের শহিদ হবার কথা স্মরণ করে রাষ্ট্রদূত বলেন, ১০ বছর বয়সী একটি বালককে হত্যা করতে যাদের হাত কাপলো না তাতেই বোঝা যায় স্বাধীনতাবিরোধী প্রতিক্রিয়াশীল সেই খুনি চক্রটি কতটা নির্মম ও বর্বর ছিল। সেই একই প্রতিক্রিয়াশীল চক্র এখনো দেশবিরোধী নানাবিধ ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে চাচ্ছে। তাই ষড়যন্ত্র মোকাবিলায় সবাইকে সতর্ক থাকার পাশাপাশি প্রতিরোধের আহ্বান জানাই।

তিনি বলেন, শেখ রাসেল বাংলাদেশের মুক্তি সংগ্রামের ইতিহাসের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ এবং জাতি চিরদিন তাকে ভালোবাসার সঙ্গে স্মরণ করবে। সভা শেষে শেখ রাসেলের জীবনের উপর নির্মিত প্রামান্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।

সবশেষে শহিদ শেখ রাসেলসহ জাতির পিতা, তার পরিবারের অন্যান্য শহিদ সদস্য ও শহিদ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে, দেশের অব্যাহত উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমকেএ