৫ কোটি টাকায় ইতালিতে স্থায়ী বসবাস,সুযোগ বাংলাদেশিদেরও 

ঢাকা, বুধবার   ০৩ মার্চ ২০২১,   ফাল্গুন ১৮ ১৪২৭,   ১৮ রজব ১৪৪২

৫ কোটি টাকায় ইতালিতে স্থায়ী বসবাস,সুযোগ বাংলাদেশিদেরও 

প্রবাস জীবন ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ২১:০১ ১৪ অক্টোবর ২০২০  

ইতালিতে স্থায়ী বসবাসের সুযোগ

ইতালিতে স্থায়ী বসবাসের সুযোগ

চলতি বছর ইতালির অভিবাসন নীতিমালা ঘোষণা করেছে দেশটির বর্তমান সরকার।  যেখানে দেখানো হয়েছে ৫ লাখ ইউরো বা প্রায় ৫ কোটি টাকা বিনোয়গ করলেও পাওয়া যাবে গ্রিন কার্ড।  কয়েক বছর কালো তালিকাভুক্ত থাকলেও এ বছর সুযোগ পেয়েছে বাংলাদেশ।

সোমবার ঘোষণা জানায় যায়, এক ধারা রয়েছে ইতালি বা ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাইরে থেকে যে কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান ৫ লক্ষ ইউরো ইতালিতে বিনিয়োগ করলে, তাকে ইতালিতে স্থায়ীভাবে বসবাসের অনুমতি দেয়া হবে।

তবে ৫ লক্ষ ইউরো বিনিয়োগ করে তার প্রতিষ্ঠানে কমপক্ষে ৩ জন মানুষের কার্মসংস্থানের ব্যবস্থা হবে বলে নিশ্চয়তা প্রদান করতে হবে।
৫ লক্ষ ইউরো বা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় পাঁচ কোটি টাকা বিনিয়োগ ও একটি বিজনেস প্ল্যান করতে হবে, যেখানে কমপক্ষে ৩ বা ততোধিক মানুষের কর্মসংস্থান হবে। তবেই মিলবে ইতালির গ্রিন কার্ড। এই কার্ডের মাধ্যমে সমগ্র ইইউ দেশে ব্যবসা ও বসবাসের সুযোগ মিলবে তার।

বিশ্বের অনেক উন্নত দেশে বিনিয়োগের মাধ্যমে বৈধতা লাভের সুযোগ থাকলেও ইতালি এবারই প্রথম এই সুযোগটি দিল। মূলত দেশের অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে সরকারের এই পরিকল্পনা। 

দুই ক্যাটাগরিতে সর্বমোট ৩০ হাজার ৮৫০ জন আবেদনকারীকে প্রবেশ করতে দেয়া হবে। 

১) সিজনাল বা মৌসুমি কাজের জন্য ১৮ হাজার আবেদনকারীকে প্রবেশ করতে দেয়া হবে ইতালিতে। কৃষি , হোটেল ট্যুরিজম ক্ষেত্রে সাধারণত ৬ মাসের জন্য নেওয়া হয় এসব শ্রমিক। ৬ মাস পর কাজের চুক্তি শেষে ফিরতে হবে দেশে।

২) স্থায়ী , স্ব-কর্মসংস্থান ও কনভেনশনান ক্ষেত্রে নেওয়া হবে ১২ হাজার ৮৫০ জনকে। এ শ্রেণীর কর্মী এবং বিনিয়োগকারীরা ইচ্ছামতো যত দিন ইচ্ছা ইতালিতে থাকতে পারবেন এবং স্থায়ীভাবে বসবাস করার সুযোগ গ্রহণ করতে পারবেন ভবিষ্যতে।

একসময় বাংলাদেশ থেকে ইতালিতে নিয়মিত সিজনাল বা কৃষি স্পন্সরে লোকজন আসত। নিয়ম অনুযায়ী এই ধরনের স্পন্সরের লোকজন ছয় মাস পরে দেশে ফিরে যেতে বাধ্য। এক্ষেত্রে বাংলাদেশ থেকে আসা শ্রমিক প্রবেশ করার পর কেউ আর দেশে ফিরত না। তার জন্য পরবর্তীতে বাংলাদেশকে এই ক্ষেত্র থেকে বাদ দেওয়া হয়।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত আবেদন করা যাবে। ব্যক্তিগত স্পিড ও কাপ অফিস থেকে আবেদন করতে পারবেন। অনলাইনে-এ ফরম ফিলাপ করতে হবে।

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএস