‘কবি শহীদ কাদরী স্মৃতি গ্রন্থ পুরস্কার’ পেলেন জীবন চৌধুরী ও ড. সেলিম জাহান

ঢাকা, শনিবার   ২৪ অক্টোবর ২০২০,   কার্তিক ৯ ১৪২৭,   ০৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

‘কবি শহীদ কাদরী স্মৃতি গ্রন্থ পুরস্কার’ পেলেন জীবন চৌধুরী ও ড. সেলিম জাহান

প্রবাস জীবন ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৮:০৩ ১ অক্টোবর ২০২০   আপডেট: ১৮:০৪ ১ অক্টোবর ২০২০

জীবন চৌধুরী (বাঁয়ে) এবং ড. সেলিম জাহান(ডানে)  -ছবি: সংগৃহীত

জীবন চৌধুরী (বাঁয়ে) এবং ড. সেলিম জাহান(ডানে) -ছবি: সংগৃহীত

নিউইয়র্ক বাংলা বইমেলার ২৯ তম আসরে অভিবাসী লেখকদের রচিত সেরা গ্রন্থের জন্য ‘কবি শহীদ কাদরী স্মৃতি গ্রন্থ পুরস্কার’ পেলেন জীবন চৌধুরী এবং ড. সেলিম জাহান। জীবন চৌধুরীর ‘গান আর গানের মানুষ’ (মূর্ধন্য) এবং ড. সেলিম জাহানের ‘স্বল্প কথার গল্প’ (প্রথমা)। বিচারকদের বিবেচনায় সমান নম্বর পাওয়ায় উভয় গ্রন্থই শ্রেষ্ঠ বিবেচিত হয়। প্রথমবারের মত এই পুরস্কার দেয়া হলো।

এই পুরস্কার শুধুমাত্র বাংলাদেশ ও পশ্চিম বাংলার বাইরে বসবাসরত লেখকদের বাংলা বইয়ের জন্য নির্ধারিত। ২০১৯ সালে প্রকাশিত প্রবাসে বাঙালি লেখকদের বইয়ের মধ্যে শ্রেষ্ঠ বিবেচিত হয়েছে বই দুটি।  এই পুরস্কারের আর্থিক মূল্য ৫০০ ডলার।

কর্মকর্তারা জানান, পুরস্কারের জন্য প্রাপ্ত ৫০টি গ্রন্থ থেকে প্রাথমিকভাবে পাঁচটি বেছে নিয়ে শর্ট লিস্ট করা হয়। বই পাঁচটি ছিল জীবন চৌধুরীর গান আর গানের মানুষ, সেলিম জাহানের স্বল্প কথার গল্প; মুজিব ইরমের পাঠ্যপুস্তক (চৈতন্য); ফকির ইলিয়াসের ‘নক্ষত্র বিক্রির রাতে’ (য়ারোয়া বুক কর্নার); এবং স্মৃতি ভদ্রের ‘অন্তর্গত নিষাদ ও পায়রা রঙের মেঘ’ (পেন্সিল পাবলিকেশন্স)। চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য মুক্তধারা ফাউন্ডেশন দ্বারস্থ হয় বাংলা ভাষার তিন সেরা লেখকের কাছে। তাদের সিদ্ধান্তেই নির্বাচিত হয়েছে সেরা বই। 

মুক্তধারা কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করে এই পুরষ্কারের সঙ্গে জড়িয়ে আছেন কবি শহীদ কাদরীর নাম। বাংলা ভাষার অন্যতম প্রধান এই কবি তার জীবনের অধিকাংশ সময়ই বিদেশের মাটিতে কাটিয়েছেন। এই নিউইয়র্কে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। এই পুরষ্কারে তার নাম ব্যবহারের অনুমতি দেয়ায় মুক্তধারা কবি পত্নী নীরা কাদরীর কাছে কৃতজ্ঞ।

১৮ সেপ্টেম্বর থেকে ২৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অনুষ্ঠিত এই বইমেলা করোনাভাইরাসের কারণে অনলাইনের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। মেলাটি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম শতবার্ষিকীর স্মরণে মুক্তধারার শ্রদ্ধাঞ্জলি হিসাবে আয়োজিত হয়।

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএস