গভীর রাতে মদ না পেয়ে পরীমনির ক্লাব ভাঙচুর: যা বললো ডিবি

ঢাকা, শনিবার   ২৪ জুলাই ২০২১,   শ্রাবণ ৯ ১৪২৮,   ১৩ জ্বিলহজ্জ ১৪৪২

গভীর রাতে মদ না পেয়ে পরীমনির ক্লাব ভাঙচুর: যা বললো ডিবি

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৪:৫১ ১৭ জুন ২০২১   আপডেট: ১৫:০৮ ১৭ জুন ২০২১

অল কমিউনিটি ক্লাবে প্রবেশ করছেন পরীমনি। ছবি: সিসিটিভি

অল কমিউনিটি ক্লাবে প্রবেশ করছেন পরীমনি। ছবি: সিসিটিভি

গভীর রাতে গুলশান অল কমিউনিটি ক্লাবে গিয়ে মদ চেয়ে না পেয়ে পরীমনির ভাঙচুরের ঘটনার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)।

বৃহস্পতিবার দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান ডিবির অতিরিক্ত কমিশনার এ কে এম হাফিজ আক্তার।

তিনি বলেন, আমরা জেনেছি ৮ জুন গভীর রাতে পরীমনি ওই ক্লাবে গিয়েছিলেন। ৯৯৯-এর একটি ফোনে ওখানকার ঘটনাটি জানতে পারে পুলিশ। তবে পরবর্তীতে এটা নিয়ে কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে আমরা এটা নিয়ে কাজ করবো।

এদিকে, বোট ক্লাবে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টার ঘটনায় পরীমনির অভিযোগের সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এ বিষয়ে পরীমনিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে কি-না জানতে চাইলে তিনি বলেন, একটি মামলা হয়েছে ঢাকা জেলায়। যেহেতু মামলাগুলো চলমান, অবশ্যই প্রয়োজনে সব বিষয় জিজ্ঞাসাবাদের আওতায় আসবে। জিজ্ঞাসাবাদ করে তদন্ত শেষে বিষয়গুলো নিয়ে কথা বলা যাবে।

এর আগে, অল কমিউনিটি ক্লাবের প্রেসিডেন্ট কে এম আলমগীর ইকবাল বলেন, ঘটনার দিন পরীমনির সঙ্গে এক ভদ্রলোক ছিল হাফপ্যান্ট পরা, আরেকজন নারীও ছিল। তখন রাত প্রায় সোয়া ১টা, পরীমনি সেই রাতে ১৫টি গ্লাস, নয়টি স্ট্রে এবং অনেকগুলো হাফপ্লেট ছুড়ে মেরে ভেঙেছেন।

ঘটনার বর্ণনায় জানা যায়, পরীমনির সঙ্গে আসা ভদ্রলোক হাফপ্যান্ট ও স্যান্ডেল পরায় ফুড অ্যান্ড বেভারেজের ডিরেক্টর ও ক্লাবের এক ম্যানেজার বলেছেন, ‘আপনিতো ক্লাব রুলস ভায়োলেট করেছেন। আপনিতো হাফপ্যান্ট পরে এখানে আসতে পারেন না।’ এরপরই পরীমনি ও তার সঙ্গীরা ক্ষেপে যান।

পরে পরীমনি ও ওই যুবককে চলে যাওয়ার জন্য অনেক অনুরোধ করা জয়। কিন্তু তারা ক্ষিপ্ত হয়ে চেচামেচি শুরু করেন এবং গ্লাস ও স্ট্রে ছুড়ে মারতে থাকেন। তখন ক্লাবে মাত্র দু’জন ওয়েটার আর এই তিন চারজন মানুষ ছিলেন।

একপর্যায়ে পরীমনিরা ৯৯৯-এ ফোন করে পুলিশ কল করেন। পুলিশ আসার পর তারা দেখতে পান, এগুলো উনি ছুড়ে মারছেন। তখন পুলিশ তাদেরকে জিজ্ঞেস করে আপনারা কেন এসেছেন, কেন আমাদের কল করেছেন? তখন তারা বলেন, আমাদের হেনস্থা করা হয়েছে। তখন পুলিশ ভাইয়েরা বলেন, কিছুতো দেখছি না।

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএইচ