শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে টিভি পর্দায় ‘হাসিনা: এ ডটার’স টেল’

ঢাকা, রোববার   ১৩ জুন ২০২১,   জ্যৈষ্ঠ ৩১ ১৪২৮,   ০১ জ্বিলকদ ১৪৪২

শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে টিভি পর্দায় ‘হাসিনা: এ ডটার’স টেল’

নিজস্ব প্রতিবেদক  ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৮:২৫ ১৫ মে ২০২১   আপডেট: ১৯:৫৩ ১৫ মে ২০২১

ফাইল ফটো

ফাইল ফটো

আগামী ১৭ মে আওয়ামী লীগ সভাপতি এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস। এ দিবসকে ঘিরে দর্শক চাহিদা মেটাতে আরো একবার টিভি পর্দায় ফিরে আসছে ডকুড্রামা ‘হাসিনা: এ ডটার’স টেল’।

সারাদেশে সিনেমা হলে এবং টেলিভিশনে দারুণ জনপ্রিয়তা পাওয়া এবং আন্তর্জাতিক বেশ কিছু চলচ্চিত্র উৎসবে প্রশংসিত ‘হাসিনা: এ ডটার’স টেল’ ডকুড্রামাটি আগামী সোমবার (১৭ মে) বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বিটিভি ওয়ার্ল্ডসহ বেশ কিছু বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলে প্রচারিত হবে।

শনিবার সিআরআই’য়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়।

‘হাসিনা: এ ডটার’স টেল’ বাংলাদেশ টেলিভিশনে এবং বিটিভি ওয়ার্ল্ডে প্রচারিত হবে ১৭ মে দুপুর ৩টা ৩০ মিনিটে। একই দিনে বেসরকারি বিভিন্ন চ্যানেলেও সম্প্রচার করা হবে এ ডকুড্রামা।

স্টার সিনেপ্লেক্সে ১৫ নভেম্বর প্রিমিয়ার শো’র মাধ্যমে যাত্রা শুরু করে ‘হাসিনা: এ ডটার’স টেল।’ দর্শকদের জন্য স্টার সিনেপ্লেক্স, ব্লকবাস্টার সিনেমায়, মধুমিতা সিনেমা হল এবং সিলভার স্ক্রিনে প্রদর্শনী শুরু হওয়ার পর থেকে পরবর্তী দুই সপ্তাহে বক্স অফিসে সবচেয়ে সফল ছিল ডকুড্রামাটি। দর্শক চাহিদার কথা মাথায় রেখে পরবর্তীতে সারাদেশের জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ের আরো ৩৫টি সিনেমা হলে প্রদর্শন করা হয় ‘হাসিনা: এ ডটার’স টেল’ ডকুড্রামা। সব মিলিয়ে দারুণভাবে ব্যবসায় সফল হয় এটি।

পরবর্তীতে দর্শক চাহিদার কথা বিবেচনায় এনে ডকুড্রামাটি টেলিভিশন চ্যানেলেও সম্প্রচার করা হয়। সেখানেও দর্শক জনপ্রিয়তা পায় ‘হাসিনা: এ ডটার’স টেল’। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিজের মুখ থেকে তার বিদেশ জীবন, দেশে ফিরে আসার কথা শোনা যায় এ চলচ্চিত্রে। স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের কথাও এখানে বর্ণনা করা হয়েছে। তবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নয়, বরং এ ডকুড্রামার মূল উপজীব্য বিষয় ছিল জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা।

‘হাসিনা: এ ডটার’স টেল’ চলচ্চিত্রটি প্রযোজনা করেছে সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশন। প্রযোজক হচ্ছেন, রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক ও নসরুল হামিদ বিপু। পরিচালনা করেছেন অ্যাপল বক্স ফিল্মসের পিপলু খান।

প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে কৌতূহল আছে সবার। তিনি বঙ্গবন্ধুর কন্যা। ১৯৭৫ সালের পর কীভাবে তিনি বেঁচে ছিলেন তার ইতিহাস অনেকের কাছেই অজানা। আর সে কারণেই সারাদেশে এ ডকুড্রামা সাড়া জাগিয়েছে। দেশে ও বিদেশে এখনো ডকুড্রামাটির চাহিদা রয়েছে বলে জানান এর পরিবেশক গাউসুল আজম শাওন।

ডকুড্রামাটির পরিচালক পিপলু খান বলেন, ডকুড্রামায় একজন শেখ হাসিনার রান্না ঘর থেকে শুরু করে সরকার প্রধানের দায়িত্ব পালন, বেঁচে থাকার সংগ্রামসহ ব্যক্তিগত, পারিবারিক, রাজনৈতিক জীবনের নানা দিক ফুটে উঠেছে।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে তার ছোট বোন শেখ রেহানার জীবনের কথাও উঠে এসেছে এতে। এই ডকুড্রামার মধ্য দিয়ে একটি সত্যনিষ্ঠ জীবন প্রবাহকে পর্দায় হাজির করতে চেয়েছি।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমকেএ/এইচএন