এত কষ্ট নিয়ে বেঁচে থাকার কী দরকার: শবনম ফারিয়া

ঢাকা, শুক্রবার   ২২ জানুয়ারি ২০২১,   মাঘ ৮ ১৪২৭,   ০৭ জমাদিউস সানি ১৪৪২

এত কষ্ট নিয়ে বেঁচে থাকার কী দরকার: শবনম ফারিয়া

বিনোদন প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১১:৪৫ ২৯ নভেম্বর ২০২০   আপডেট: ১১:৪৮ ২৯ নভেম্বর ২০২০

শবনম ফারিয়া-অপু

শবনম ফারিয়া-অপু

ভাঙল শবনম ফারিয়া-অপুর সংসার। বিয়ের ঠিক আড়াই বছরের মাথায় সংসার জীবনের ইতি টানলেন এই দম্পতি। নিজ ইচ্ছায় ২৭ নভেম্বর বিচ্ছেদ পত্রে সই করেন দুজনে।

তবে এই বিচ্ছেদকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন ফারিয়া। ফেসবুকে এক যৌথ বিবৃতি দিয়ে সেটা খোলাসা করেছেন তারা, ‘যে সুখের জন্য আলাদা হলাম, সেই সুখ যেন আমরা খুঁজে পাই। স্ট্যাটাসটি পাঠকদের জন্য হুবহু তুলে ধরা হলো-

আরো পড়ুন: অবশেষে ‘শুটিং’য়ে ফিরলেন নতুন মা শুভশ্রী

বিচ্ছেদের পর দীর্ঘ এক পোস্টে ফারিয়া লিখেছেন, “আমাদের জীবনে কিছু মানুষ আসে। তাদের কেউ কেউ স্থায়ী হয়, কেউ কেউ কিছু কারণে স্থায়িত্ব ধরে রাখতে পারে না। আমার মা সব সময় একটা কথা বলেন, আল্লাহর হুকুম ছাড়া গাছের একটা পাতাও নড়ে না, আমরা শুধু চেষ্টা করতে পারি!’ ঠিক সেভাবেই আমি আর অপু অনেক দিন ধরেই একসঙ্গে থাকার চেষ্টা করেছি। কিন্তু দেখলাম, বিষয়টা একপর্যায়ে খুব কঠিন হয়ে যায়। “মানুষ কী বলবে” ভেবে নিজেদের ওপর একটু বেশিই টর্চার করে ফেলছিলাম আমরা। জীবনটা অনেক ছোট, এত কষ্ট নিয়ে বেঁচে থাকার কী দরকার? ভেবে এ বছরের শুরু থেকেই সিদ্ধান্তে আসি, আমরা আর একসঙ্গে থেকে কষ্টে করতে চাই না। তবু পরস্পরকে বুঝতে বছরখানেক সময় নিয়েছি। ফাইনালি, আল্লাহ্ যা করেন ভালোর জন্যেই করেন- ভেবে আমরা আমাদের প্রায় আড়াই বছরের বৈবাহিক জীবনের অবসান ঘটিয়ে আবারও পুরানো বন্ধুত্বে ফিরে গেছি। অপুর জন্য দোয়া, ভালোবাসা আর শুভকামনা। যে সুখের জন্যে আমরা আলাদা হলাম, আমরা যেন সেই সুখ খুঁজে পাই, সবাই সেই দোয়া করবেন।’

আরো পড়ুন: গভীর রাতে শাড়ি-ব্লাউজ পরে ফিরলেন নিখোঁজ ৩ সন্তানের বাবা

ঘটনাকে অন্যভাবে না ভাবার অনুরোধ জানিয়ে ফারিয়া লিখেছেন, ‘দয়া করে “মিডিয়ার বিয়ে টেকে না” ধরনের কথা বলে আমাদের কারণে আমার অন্য সহকর্মীদের ছোট করবেন না। আমরা সম্পূর্ণ ‘পারিবারিক কারণে’, পারিবারিকভাবে, পারিবারিক সম্মতিতেই বিয়ের মতো ইনস্টিটিউশন থেকে বের হয়ে এসেছি। আমাদের কখনো ভালোবাসা বা বিশ্বাসের অভাব ছিল না, হবেও না। দুজন মানুষের বিবাহবিচ্ছেদ মানে, দুটো পরিবারের বিচ্ছেদ, অনেক স্মৃতির বিচ্ছেদ। বিচ্ছেদটা কারও জন্য সুখকর অনুভূতি না। তবু আমরা পরস্পরের প্রতি সম্মান বজায় রাখতে চাই।”

ডেইলি বাংলাদেশ/এএ