অনুরোধের পরও মঞ্চে ‘আম্মাজান’ গাইতেন না আইয়ুব বাচ্চু, কারণ...

ঢাকা, সোমবার   ৩০ নভেম্বর ২০২০,   অগ্রহায়ণ ১৭ ১৪২৭,   ১৩ রবিউস সানি ১৪৪২

অনুরোধের পরও মঞ্চে ‘আম্মাজান’ গাইতেন না আইয়ুব বাচ্চু, কারণ...

বিনোদন প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৪:৩৬ ১৮ অক্টোবর ২০২০  

আইয়ুব বাচ্চু

আইয়ুব বাচ্চু

বাংলা ব্যান্ড সংগীতের কিংবদন্তি আইয়ুব বাচ্চু মারা যাওয়ার দুই বছর পূর্ণ হলো আজ। ২০১৮ সালের এই দিনে (১৮ অক্টোবর) ভক্তদের কাঁদিয় ইহকাল ত্যাগ করেন তিনি। যাদের হাত ধরে দেশীয় ব্যান্ড সংগীত প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, তাদের একজন ছিলেন তিনি। রুপালি গিটার ফেলে চলে গেছেন সবার প্রিয় এবি বস, কিন্তু আজো তিনি প্রাণবন্ত হয়ে আছেন ভক্তদের হৃদয়ে। আছেন রোজকার চর্চায়।

ঢাকাই সিনেমার ইতিহাসে সুপারহিট গানের সংক্ষিপ্ত তালিকা করলে সেই তালিকায় স্থান পাবে ১৯৯৯ সালে মুক্তি পাওয়া কাজী হায়াৎ পরিচালিত ‘আম্মাজান’ সিনেমার টাইটেল সংগীত ‘আম্মাজান’। ব্যান্ডশিল্পী হয়ে সিনেমায় গেয়ে তখন বেশ আলোচনায় এসেছিলেন আইয়ুব বাচ্চু। তারপর বেশ কয়েক বছর প্লেব্যাকে নিয়মিত ছিলেন এই ব্যান্ড তারকা।

তবে ‘আম্মাজান’ গান এত সুপারহিট হলেও কখনো মঞ্চে গাইতেন না আইয়ুব বাচ্চু। সিনেমাটির পরিচালক কাজী হায়াতের দাবি, অনুরোধের পরও গানটি মঞ্চে গাইতেন না আইয়ুব বাচ্চু। কেন গাইতেন না, সে প্রসঙ্গে কাজী হায়াতের বক্তব্য, “আমার কাছে ওর একটি গান সবচেয়ে ভালো লাগে, আমি গাইতে পারি। আসলে ও একটা ভিন্ন মাত্রার গায়ক ছিলো। তবে ওর প্রতি আমার কষ্টও আছে, দুঃখও আছে। সেটি হলো এই ‘আম্মাজান’ গানটা এত সুপারহিট হয়েছে, সে কখনো কোনো স্টেজে গায়নি গানটা। অনুরোধ করা সত্ত্বেও সে গায়নি। কেন গায়নি, আমি জানি না।

পরবর্তী সময়ে ওর কাছে যেটা শুনেছি, ও অ্যালবামের জন্য বেশ কয়েকটি বড় কোম্পানির সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ ছিলো, অনেক টাকা দিত ওকে ইয়ারলি। তাদের নিষেধ ছিলো সিনেমার গান গাওয়ার। পরে সিনেমার গান গাওয়া বন্ধ করে দিলো। আর সিনেমার গানের বিষয়টি যেটা হয়েছিল, গান যারা কিনে নিত তার যে ক্যাসেট মার্কেটে ছিলো, সিনেমার গানের জন্য পড়ে গেলো। যার ফলে ওর মেইন যে মার্কেট তা ডাউন হয়ে গেলো। সিনেমার গান গেয়ে কত টাকা পেত, তখন বড়জোর পাঁচ থেকে শুরু করেছিলাম, দশে গিয়েছিলাম বোধ হয়। তো, সিনেমার গানের জন্য ও টাকা পেত দশ হাজার। আর একটা অ্যালবামের গান গেয়ে অনেক টাকা পেত। এক লাখ, দেড় লাখ, দুই লাখ টাকা...।”

ডেইলি বাংলাদেশ/এএ