১৮ মাসের কাজ শেষ হয়নি ৬২ মাসেও

ঢাকা, বৃহস্পতিবার   ৩০ জুন ২০২২,   ১৬ আষাঢ় ১৪২৯,   ৩০ জ্বিলকদ ১৪৪৩

Beximco LPG Gas

১৮ মাসের কাজ শেষ হয়নি ৬২ মাসেও

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৯:৩১ ১৮ মে ২০২২  

বঙ্গবন্ধু ভাস্কর্যের পাদদেশে মানববন্ধন করেন ফয়জুন্নেছা চৌধুরাণী হলের অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের আশ্বাসে মানববন্ধন তুলে নেয়া হয়।

বঙ্গবন্ধু ভাস্কর্যের পাদদেশে মানববন্ধন করেন ফয়জুন্নেছা চৌধুরাণী হলের অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের আশ্বাসে মানববন্ধন তুলে নেয়া হয়।

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে শেখ হাসিনা হলের নির্মাণ কাজ ১৮ মাসে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও তা হয়নি ৬২ মাসেও। বারবার সময় বৃদ্ধির পরও নির্মাণকাজ শেষ করতে পারেনি সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। 

দ্রুত শেখ হাসিনা হল হস্তান্তরসহ তিন দফা দাবিতে মানববন্ধন করেছে নওয়াব ফয়জুন্নেছা চৌধুরাণী হলের শিক্ষার্থীরা। 

বুধবার (১৮ মে) সকালে বঙ্গবন্ধু ভাস্কর্যের পাদদেশে মানববন্ধন করেন ফয়জুন্নেছা চৌধুরাণী হলের অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের আশ্বাসে মানববন্ধন তুলে নেয়া হয়।

এ দিকে হলের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, ক্যান্টিন ব্যবস্থা চালু, খাদ্যে ভর্তুকি প্রদান, ৭ দিনের মধ্যে পানির সমস্যা সমাধানসহ তিন দফা দাবিতে উপাচার্য বরাবর স্বারকলিপি প্রদান করেন শিক্ষার্থীরা। তবে উপাচার্য স্বারকলিপি গ্রহণ করেননি।

মানববন্ধনে কাজী ফাইজা মেহজাবিন নামে এক শিক্ষার্থী বলেন, ছাত্রী হলে আবাসন সংকট চরমে। এক বেড দুজনকে শেয়ার করে থাকতে হচ্ছে। আবার অনেক কক্ষে ১৫-২০ জনও থাকতে হয়। এরপরও কেনো শেখ হাসিনা হলের কাজ দ্রুত শেষ করা হচ্ছে না। 

এ দিকে হলের পানির সমস্যার কারণে অনেকে অসুস্থ হয়ে যাচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে হলে ভুর্তুকি দেয়া হয়না। তাই আমরা এসব দাবি জানিয়েছি প্রশাসনের কাছে। 

নওয়াব ফয়জুন্নেছা চৌধুরাণী হল শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক অর্পণা নাথ বলেন, প্রশাসন আমাদেরকে সর্বশেষ ৩০ এপ্রিল নতুন হল শিক্ষার্থী তুলবে বলেছে কিন্তু আমাদের এখনও এর কোনো সমাধান আসেনি। এছাড়া আমরা বিভিন্ন দাবিতে উপাচার্য বরাবর একটা স্বারকলিপি দিতে চেয়েছি কিন্তু সেটা তিনি রিসিভ করেননি।

এ বিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. এফ. এম. আবদুল মঈন বলেন, ওরা হলে ওঠতে চায় আমিও তুলতে চাই। ওদের সঙ্গে আমার কোনো শত্রুতা নাই। স্বারকলিপি গ্রহণ করারতো কিছুই নাই, ওদের যেসব দাবি সেগুলো শুনেছি। আমরা এই কাজ গুলো করতেছি। আশা করি  খুব দ্রুত কাজ শেষ হয়ে যাবে।

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের মার্চে শেখ হাসিনা হলের নির্মাণ কাজ দেয়া হয় আবদুর রাজ্জাক জেবিসিএ নামের একটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে। প্রকল্পটি শেষ করতে তাদের ১৮ মাস সময় বেধে দেয়া হয়। কিন্তু ৬২ মাস হলেও প্রকল্পের কাজ শেষ করতে পারেনি প্রতিষ্ঠানটি।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেডএম

English HighlightsREAD MORE »