জবি ছাত্রী হলে তালা ফ্রি, চাবি ৮০০ টাকা
15-august

ঢাকা, সোমবার   ০৮ আগস্ট ২০২২,   ২৪ শ্রাবণ ১৪২৯,   ০৯ মুহররম ১৪৪৪

Beximco LPG Gas
15-august

জবি ছাত্রী হলে তালা ফ্রি, চাবি ৮০০ টাকা

জবি প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৯:৩৮ ১৭ মে ২০২২  

বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলে প্রতি রুমের তালা ফ্রিতে দেয়া হলেও চাবি বাবদ ৮শ টাকা নিচ্ছে হল কর্তৃপক্ষ।

বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলে প্রতি রুমের তালা ফ্রিতে দেয়া হলেও চাবি বাবদ ৮শ টাকা নিচ্ছে হল কর্তৃপক্ষ।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) একমাত্র ছাত্রী হল বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলে প্রতি রুমের তালা ফ্রিতে দেয়া হলেও চাবি বাবদ ৮শ টাকা নিচ্ছে হল কর্তৃপক্ষ। পরোক্ষভাবে তালা বাবদ ৮শ টাকা নেয়ার পর চাবির দোকানে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ৮ টি চাবির একই তালা ৩৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তালা-চাবি বাবদ দ্বিগুণ টাকা নেয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন হলের শিক্ষার্থীরা।

জানা গেছে, ১৬ তলা বিশিষ্ট হলটিতে কক্ষ আছে ১৫৬টি। প্রতি রুমে ৮ জন করে শিক্ষার্থী থাকেন। একটি রুমে একটি করে তালা ফ্রিতে দেয়া হলেও রুমের ৮ জনের চাবির জন্য হল কর্তৃপক্ষকে রুমপ্রতি ৮শ টাকা করে দিতে হচ্ছে। অর্থাৎ চাবির জন্য শিক্ষার্থী প্রতি ১শ টাকা করে দিতে হচ্ছে। কিন্তু আলিফ প্রিমিয়ারের এই তালাটি ৮ চাবিসহ বাজারে ৩৫০ টাকা দামে বিক্রি হচ্ছে বলে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে। 

বিশ্ববিদ্যালয়টির পাশে রায়সাহেব বাজার মোড়ে লাকি স্ক্রুসহ পাশের দোকানগুলোতে ৮টি চাবিসহ একই তালা ৩৫০ টাকা ও ১২টি চাবিসহ একই তালা ৪২০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে। এই অতিরিক্ত দামে তালা-চাবি বাবদ টাকা নেয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন হলের শিক্ষার্থীরা।

এবিষয়ে হলের কয়েকজন শিক্ষার্থী বলেন, আমরাও বাজার থেকে শুনেছি, তালার দাম এতো টাকা না। এক তালায় দ্বিগুণ টাকা নিচ্ছে। এখানেও লাভ করছে। আমাদের বলা হচ্ছে, রুমে তালা ফ্রি, তবে চাবি ১শ টাকা করে। রুম প্রতি ৮শ টাকা নিলে তালা ফ্রি বলা অদ্ভুত ব্যাপার। শিক্ষার্থীদের ভর্তুকি দেয়ার বদলে আরও লাভ করছে তালা-চাবি বিক্রি করে।

এবিষয়ে ওই হলের আবাসিক শিক্ষার্থী শাখা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জিনিয়া আফ্রিন বলেন, তালা-চাবির দাম তো এতো টাকা না। হল কর্তৃপক্ষ বলছে তালা ফ্রি। তবে চাবি বাবদ রুমের ৮ জনের কাছে ৮শ টাকা নিচ্ছে। তালার সঙ্গে তো চাবি এমনিতেই দেয়। এছাড়া চাবি বানাতে গেলে তো এতো টাকা লাগে না। তাই এতো টাকা নেয়া সম্পূর্ণ অযৌক্তিক।

এবিষয়ে হলের আবাসিক শিক্ষক ড. শরাবান তোহুরা জানান, তালা-চাবি ক্রয় ও বন্ঠনের জন্য একটি আহবায়ক কমিটি আছে। সেটির আহবায়ক আবাসিক শিক্ষক প্রতিভা ম্যাম। আমি এই কমিটিতে ছিলাম না। তাই কিভাবে বন্টন হলো, কতো টাকা নেয়া হলো আমি জানি না। 

এবিষয়ে হলের আবাসিক শিক্ষক ও তালা-চাবি বন্টন কমিটির আহবায়ক অধ্যাপক ড. প্রতিভা রানী কর্মকারকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তাকে পাওয়া যায় নি।এছাড়া হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. শামীমা বেগমের কাছেও একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেডএম

English HighlightsREAD MORE »