ভাইয়ের অনুপ্রেরণায় উদ্যোক্তা, ‘কল্পসুতা’য় স্বপ্ন দেখছেন চবির ফাহিম

ঢাকা, শনিবার   ০২ জুলাই ২০২২,   ১৮ আষাঢ় ১৪২৯,   ০২ জ্বিলহজ্জ ১৪৪৩

Beximco LPG Gas

ভাইয়ের অনুপ্রেরণায় উদ্যোক্তা, ‘কল্পসুতা’য় স্বপ্ন দেখছেন চবির ফাহিম

চবি প্রতিনিধি  ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৭:২৮ ১১ এপ্রিল ২০২২   আপডেট: ১৭:২৮ ১১ এপ্রিল ২০২২

অনলাইন প্রযুক্তিকে সঙ্গী করে ঘরে বসেই নিজের শখ আর প্রতিভাকে কাজে লাগাচ্ছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী ফাহিম হাসান খান। 

অনলাইন প্রযুক্তিকে সঙ্গী করে ঘরে বসেই নিজের শখ আর প্রতিভাকে কাজে লাগাচ্ছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী ফাহিম হাসান খান। 

ভালোলাগা থেকে কাজে নেমে পড়া। এরপর স্বপ্ন দেখা। তবে এ জন্য প্রয়োজন ইচ্ছে, ভালোলাগা আর লেগে থাকা। বিশ্ব এখন প্রযুক্তি নির্ভর আর বাংলাদেশ বিশ্বের সঙ্গে তালমিলিয়ে হাঁটছে। বিশ্বব্যাপী প্রযুক্তির ছোঁয়া এখন ঘরে ঘরে। অনলাইনের কল্যাণে ঘরে বসে মুহূর্তেই লুফে নেয়া যায় খাবার থেকে শুরু করে নিত্যপ্রয়োজনীয় সব কিছু। অনলাইন প্রযুক্তিকে সঙ্গী করে ঘরে বসেই নিজের শখ আর প্রতিভাকে কাজে লাগাচ্ছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী ফাহিম হাসান খান। 

যেখানে রয়েছে আধুনিক ফ্যাশনের জামদানি শাড়িসহ কারুকার্য শোভিত হাতে কাজ করা নানান রকমারি শাড়ি। 

লকডাউনে যখন পুরো দেশ স্থবির তখনও থেমে থাকেননি ফাহিম। ঘরে থেকেই সময়টাকে কাজে লাগানোর প্রয়াসে শুরু করলেন অনলাইন উদ্যোগ ‘কল্পসুতা’। শুরুতে শুধু ফেসবুক পেইজ থাকলেও পরে তৈরি করেন 

নিজের এই উদ্যোগের কথা জানতে চাইলে ফাহিম বলেন, বর্তমানে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজি বিভাগে অধ্যায়ন করছি। তার পাশাপাশি জামদানি শাড়ি সবার মাঝে ছড়িয়ে দেয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। জামদানি শাড়ি হচ্ছে প্রাচীন ঐতিহ্য। সেই প্রাচীনকাল থেকে এই জামদানি শাড়ি তার ঐতিহ্য ধরে রেখেছে। আর বর্তমানে এই জামদানি শাড়ির নাম পর্যায়ক্রমে বিলুপ্ত হতে যাচ্ছে। যার ফলে আমার এই ছোট্ট প্রয়াস এই শাড়ির ঐতিহাসিক ঐতিহ্য ধরে রাখতে।

ফাহিম দেখলেন ৮ হাজার ৩০০ টাকা করে জামদানি শাড়ি বিভিন্ন মার্কেটে বিক্রি হচ্ছে। অথচ একই শাড়ি তার পাশের গ্রামে তাঁতিরা ৩ হাজার ৬০০ থেকে ৩ হাজার ৮৫০ টাকায় বিক্রি করছেন। সর্বসাধারণের জন্য জামদানি শাড়ি উপযুক্ত করার নিমিত্তে তার বড় ভাই (বর্তমানে নাঁওগা জেলার সহকারী কমিশনার) সাকিব হাসান খান এর সহযোগিতায় জামদানী শাড়ি নিয়ে কাজ করার আগ্রহ আরো বৃদ্ধি পায়।

ফাহিম বলেন, আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করি কম দামে গ্রাহকদের মাঝে জামদানি শাড়ি পৌঁছে দেয়ার। এখন জামদানি শাড়ি নিয়ে আগাচ্ছি পাশাপাশি কিছু সুতি এবং নানা ধরনের শাড়িও যুক্ত করেছি আমার উদ্যোগে। আমাদের জামদানি শাড়িগুলো ১১০০ টাকা থেকে শুরু এবং আমরা গ্রাহকে সব সময় সঠিক পণ্য দিতে বদ্ধপরিকর।

নতুন কিছু করা চ্যালেঞ্জিং, সেই চ্যালেঞ্জিং কাজটাই করেছেন ফাহিম। এমন উদ্যোগের ইতিবাচক মূল্যায়ন পাচ্ছেন তেমনি মিলছে অনুপ্রেরণা। বর্তমানে তার এই উদ্যোগ থেকে মাসে আয় হচ্ছে ৮ থেকে ১০ হাজার টাকা।

সবছেড়ে শুধুই ব্যাবসায়ী হওয়ার চিন্তা ফাহিমের নেই। তবে অন্য যে কোনো কাজের পাশাপাশি নতুন করে পরিচয় পাওয়া কল্পসুতা এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করলেন তিনি।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেডএম

English HighlightsREAD MORE »