বিশেষ ফ্লাইটে দেশ ভ্রমণের সুযোগ পেলেন বশেমুরবিপ্রবির ২ শিক্ষার্থী

ঢাকা, শনিবার   ০৪ ডিসেম্বর ২০২১,   অগ্রহায়ণ ২০ ১৪২৮,   ২৭ রবিউস সানি ১৪৪৩

বিশেষ ফ্লাইটে দেশ ভ্রমণের সুযোগ পেলেন বশেমুরবিপ্রবির ২ শিক্ষার্থী

বশেমুরবিপ্রবি প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ০৯:৫৮ ২৫ অক্টোবর ২০২১  

পরিসংখ্যান বিভাগের শিক্ষার্থী সিইউও মেহেদী হাসান বাপ্পি ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের শিক্ষার্থী ক্যাডেট  শেখ আব্দুর রহিম

পরিসংখ্যান বিভাগের শিক্ষার্থী সিইউও মেহেদী হাসান বাপ্পি ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের শিক্ষার্থী ক্যাডেট  শেখ আব্দুর রহিম

বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর বিশেষ ফ্লাইটে ভ্রমণের সুযোগ পেয়েছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ শিক্ষার্থী। তারা হলেন পরিসংখ্যান বিভাগের শিক্ষার্থী সিইউও মেহেদী হাসান বাপ্পি ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের শিক্ষার্থী ক্যাডেট  শেখ আব্দুর রহিম। 

তারা উভয়েই খুলনার সুন্দরবন রেজিমেন্টের অধীনে রয়েছেন। বিএনসিসির ক্যাডেটদের সশস্ত্র বাহিনীতে যোগদানে উৎসাহিত করতে বিমান বাহিনীর সি-১৩০ বিমানে এই ভ্রমণের আয়োজন করা হয়েছে। সফরটি ২২ অক্টোবর থেকে শুরু করে ২৬ অক্টোবর পর্যন্ত চলমান থাকবে। বহরটি ২২ অক্টোবর সুন্দরবন রেজিমেন্ট থেকে যাত্রা শুরু করে খুলনা, ঢাকা ও কক্সবাজারের বিভিন্ন স্থানে ভ্রমণ করবে। 

এ বিষয়ে সুন্দরবন রেজিমেন্ট অ্যাডজুটেন্ট মেজর ওমর ফারুক বলেন, বিএনসিসি থেকে সর্বদা শিক্ষার্থীদের সার্বিক মানসম্মত করে তোলার চেষ্টা করা হয়। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের দেশ গঠনে  ও সশস্ত্র বাহিনীতে যোগদানে উৎসাহিত করে। এ লক্ষ্যেই সুন্দরবন রেজিমেন্টের পক্ষ থেকে এই সফরের আয়োজন করা হয়েছে। 

নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে সিইউও মেহেদী হাসান বাপ্পি বলেন, এই বিমান সফরটি আমার বিএনসিসি জীবনে অন্যতম একটা বড় প্রাপ্তি। এর আগেও বিএনসিসির থেকে এর আগেও ভারত সফর করেছি। তবে দেশের মধ্যে বিমানে এটাই প্রথম সফর। আশাকরি এর মাধ্যমে আমি সহ সকল ক্যাডেট দেশ ও সশস্ত্র বাহিনী সম্পর্কে জানতে পারবে। 

আরেক ক্যাডেট শেখ আব্দুর রহিম বলেন, সশস্ত্র বাহিনীর সাথে আকাশ পথে এটাই প্রথম সফর। আশা করি এর মাধ্যমে নতুন এক অভিজ্ঞতা লাভ করবো। এতসংখ্যক ক্যাডেটদের মধ্যে আমাকে বিমান সফরের জন্য বাছাই করায় সর্বপ্রথম মহান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি। পাশাপাশি বিএনসিসি পরিবারের সব সদস্য ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের ধন্যবাদ জানাই।

সুন্দরবন রেজিমেন্ট নামে পরিচিত রেজিমেন্টটির কার্যক্রম ১৯৭৯ সালে বিএনসিসি গঠনের প্রথম থেকেই শুরু হয়। সুন্দরবন রেজিমেন্টের নামকরণ করা হয় বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট সুন্দরবনের নামে। খুলনা, বাগেরহাট,  শিটখড়ি, যশোর, নড়াইল, মাগুরা, শরীয়তপুর, মাদারীপুর, ফরিদপুর, রাজবাড়ী, গোপালগঞ্জ, বরিশাল, পিরোজপুর, ভোলা, পটুয়াখালী, বরগুনা ও ঝালকাঠি জেলার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে সুন্দরবন রেজিমেন্টের ক্যাডেটদের প্রশিক্ষণ ও কার্যক্রম পরিচালিত হয়। 

সুন্দরবন রেজিমেন্টের শুরুর সময় থেকেই এই পদ্ধতির সূচনা। এই রেজিমেন্টটি পাঁচটি ব্যাটালিয়নের মধ্যে সংগঠিত। রেজিমেন্টটি প্রতিষ্ঠা লগ্ন থেকে দেশের বিভিন্ন জাতীয় দিবস ও সামাজিক সেবায় অংশগ্রহণ করে আসছে।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেডএম