মেয়েদের পাঁচ মেডিকেল কলেজ

ঢাকা, বৃহস্পতিবার   ০২ ডিসেম্বর ২০২১,   অগ্রহায়ণ ১৮ ১৪২৮,   ২৫ রবিউস সানি ১৪৪৩

মেয়েদের পাঁচ মেডিকেল কলেজ

শিক্ষাঙ্গন প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৮:৪০ ১৯ অক্টোবর ২০২১   আপডেট: ১৮:৪৩ ১৯ অক্টোবর ২০২১

টাঙ্গাইলের কুমুদিনী উইমেন্স মেডিকেল কলেজ। ৭৫ আসন নিয়ে যাত্রা শুরু করলেও এমবিবিএসে আসন সংখ্যা ১২০টি।

টাঙ্গাইলের কুমুদিনী উইমেন্স মেডিকেল কলেজ। ৭৫ আসন নিয়ে যাত্রা শুরু করলেও এমবিবিএসে আসন সংখ্যা ১২০টি।

কুমুদিনী মেডিকেল কলেজ

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে প্রায় ১১০ একর জমির মধ্যে কুমুদিনী উইমেন্স মেডিকেল কলেজ অবস্থিত। ১৯৯৪ সালে মেয়েদের জন্য একটি ট্রাস্ট চালু করেন টাঙ্গাইলের শিক্ষানুরাগী আরপি সাহা। তারই অংশ কুমুদিনী উইমেন্স মেডিকেল কলেজ। 

দেশে মেয়েদের মেডিকেল শিক্ষার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে টাঙ্গাইলের কুমুদিনী উইমেন্স মেডিকেল কলেজ। ৭৫ আসন নিয়ে যাত্রা শুরু করলেও এমবিবিএসে আসন সংখ্যা ১২০টি।
কলেজ অধ্যক্ষ ডা. আবদুল হালিম বলেন, আমাদের মেডিকেল কলেজের বিশেষ দিক হচ্ছে ব্যবহারিক ক্লাস। কলেজের সঙ্গে ৭৫০ শয্যার হাসপাতাল রয়েছে। শিক্ষার্থীদের রোগ ও রোগীর সঙ্গে প্রথম থেকেই পরিচয় হওয়ার সুযোগ রয়েছে। যেটাকে বলা হয় ক্লিনিক্যালি লার্নিং। পর্যাপ্ত শিক্ষক, যন্ত্রপাতি ও মডার্ন মেথডোলজির সাহায্যে শিক্ষার্থীদের পড়ানো হয়। 

আদ্-দ্বীন উইমেন্স মেডিকেল কলেজ ও আদ্-দ্বীন সখিনা মেডিকেল কলেজ

আদ্-দ্বীন উইমেন্স মেডিকেল কলেজ অবস্থিত ঢাকার মগবাজারে। মেডিকেল কলেজটির অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মো. আশিকুর রহমান জানান, সরকারি অনুমোদন নিয়ে ২০০৮-০৯ শিক্ষাবর্ষ থেকে মেডিকেল কলেজের শিক্ষাকার্যক্রম শুরু হয়।

মেডিক্যাল কলেজটি আদ্-দ্বীন ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। ৫০ জন শিক্ষার্থী নিয়ে কলেজের কার্যক্রম শুরু হয়। বর্তমানে আসনসংখ্যা ৯৫টি। শুরুতে শিক্ষক ছিলেন ৩০ জন। বর্তমানে শিক্ষক সংখ্যা ১১৭। হাসপাতালটি প্রতিষ্ঠিত হয় কলেজ প্রতিষ্ঠার ১৩ বছর আগে। তাই মেডিকেল কলেজ পরিচালনার সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা ছিল আগে থেকেই। 

জেড এইচ শিকদার উইমেন্স মেডিকেল কলেজ

ঢাকার পশ্চিম ধানমণ্ডিতে অবস্থিত জেড এইচ শিকদার উইমেন্স মেডিকেল কলেজ। ১৯৯২ সালে ৪০টি আসন নিয়ে যাত্রা শুরু করলেও বর্তমানে এর আসন সংখ্যা ১০০টি। মেয়েদের এই মেডিকেল কলেজে কেবল এমবিবিএস পড়ানো হয়, এখানে বিডিএস নেই।

বিভিন্ন দেশ থেকে এই মেডিকেল কলেজে পড়তে আসে। ফলে এর মোট আসনের অর্ধেকই বিদেশি শিক্ষার্থীদের দিয়ে পূরণ হয়ে যায়। এমবিবিএস পড়তে খরচ পড়ে প্রায় ১৫ লাখ টাকা। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী গরিব ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য পাঁচটি আসন বরাদ্দ রয়েছে।

সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজ

২০০৫ সালে ৫০ আসন নিয়ে যাত্রা শুরু সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজের। বর্তমানে এই মেডিকেল কলেজের আসন সংখ্যা ১০০। মেডিকেল কলেজসংশ্লিষ্ট হাসপাতালটিও বেশ বড়। 

কলেজের পরিচালক বিশির আহম্মেদ বলেন, ‘আমাদের মেডিকেল কলেজ এ অঞ্চলে বেশ নামকরা। আমাদের শিক্ষক সংখ্যা পর্যাপ্ত। কখনো বাইরে থেকে শিক্ষক নিয়ে আসতে হয় না। এ ছাড়া মেডিকেল কলেজের হাসপাতালটি অফিশিয়ালি ৫০০ শয্যার হলেও ক্যাপাসিটি ৭২০ শয্যার।

মেডিকেল কলেজ ফর উইমেন্স

মেডিকেল কলেজ ফর উইমেন্সের একটি ক্যাম্পাস উত্তরায়, অপরটি রাজধানীর দক্ষিণখানে। ভর্তিসংক্রান্ত বিষয়ে যোগাযোগ করতে হয় উত্তরার প্লট নম্বর ৪, রোড নম্বর ৯—এই ঠিকানায়। মেয়েদের জন্য ১৯৯২ সালে এই মেডিকেল কলেজ যাত্রা শুরু করে। প্রতিষ্ঠাকালীন চেয়ারম্যান ছিলেন বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রপতি ডা. একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরী। এক্সিকিউটিভ চেয়ারম্যান ছিলেন জাতীয় অধ্যাপক ডা. এম আর খান।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেডএম