পড়ার বিষয় ‘আইসিই’: প্রযুক্তির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে চাহিদাও

ঢাকা, মঙ্গলবার   ৩০ নভেম্বর ২০২১,   অগ্রহায়ণ ১৭ ১৪২৮,   ২৩ রবিউস সানি ১৪৪৩

পড়ার বিষয় ‘আইসিই’: প্রযুক্তির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে চাহিদাও

শিক্ষাঙ্গন প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ০৯:৪৭ ১৬ অক্টোবর ২০২১  

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি। যাকে সংক্ষেপে বলা হয় ‘আইসিই’। দেশের প্রথম পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভাগটি ১৯৯৮ সালে প্রথম চালু করা হয়।

বর্তমানে দেশের অধিকাংশ বিশ্ববিদ্যালয়ে ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ চালু রয়েছে। দেশের প্রায় ৩৮টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে এবং ৮০টির বেশি প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে সিএসই. এবং আইসিই কিংবা আইসিটি সম্পর্কিত বিভাগ চালু রয়েছে। 

এবার জেনে নেয়া যাক বিষয় হিসেবে ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং (আইসিই)। 

Information and Communication Engineering (ICE) হচ্ছে Information Engineering এবং Communication Engineering’র সমন্বয়ে গঠিত একটি সাবজেক্ট’র সঙ্গে Computer Science, Computer Engineering, Communication
Engineering, Software Engineering এসব বিষয়ের সম্পর্ক রয়েছে।

যারা ‘আইসিই’ বিভাগে পড়তে আগ্রহীদের টেকনিক্যাল সাবজেক্টে পড়ার ইচ্ছা থাকলেই হবে না। থাকতে হবে সৃজনশীল চিন্তা করার ক্ষমতা, নতুন কোনো কিছু করার দক্ষতা, ধৈর্য, সাধনা, চেষ্টা এবং চিন্তাশক্তি। 

পড়াশোনা শেষে চাকরি: 

আইসিই অন্যান্য বিষয় থেকে একটু আলাদা। সাধারণত অন্যান্য বিষয়ে ভালো ফলাফলকে ‘সিজিপিএ প্রাধান্য দেয়া হয়। আর IT সেক্টরের চাকরি প্রতিষ্ঠানে দক্ষতাকে প্রাধান্য দেয়া হয়। 

বিশ্বের Giant Organization যেমন Microsoft, Google, Facebook এ আমাদের দেশের ভাইয়ারা গর্বের সঙ্গে চাকরি করছেন।
 
বাংলাদেশে অনেক প্রতিষ্ঠিত আইটি ফার্ম রয়েছে, অনেক মোবাইল কোম্পানি, অনেক multinational IT firm আছে ।

এদিকে ডিজিটাল বাংলাদেশ নির্মাণের স্বপ্ন নিয়ে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ ২০১৯ সালে যাত্রা শুরু করে। প্রতি বছর দুটি সেশনে (স্প্রিং ও ফল) ভর্তি নেয়া হয়। প্রোগ্রামটি সারাদেশে আইটি পেশাদারদের ক্রমবর্ধমান চাহিদা রেখে ডিজাইন করা হয়েছে। এটি শিক্ষার্থীদের কম্পিউটার বিজ্ঞান, যোগাযোগ প্রকৌশল এবং তথ্যপ্রযুক্তির বিস্তৃত জ্ঞান অর্জন করার সুযোগ দেয়।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রকৌশল (আইসিই) তথ্যপ্রযুক্তির (আইটি) প্রকৌশল শাখা, যা সম্প্রতি একটি বিশেষ বিষয় হিসেবে দেখা হচ্ছে। প্রকৌশল এই শাখায় শিক্ষার্থীদের যোগাযোগ ব্যবস্থা সম্পর্কে শিক্ষা দেওয়া হয়, যার অধীনে তারা বেতার সিস্টেম ডিজাইন, রাডার সিস্টেম এবং ইলেকট্রোম্যাগনেটিক সম্পর্কে জানতে পারে। অন্যান্য দিক যা শিক্ষার্থীরা জানতে পারবে সেগুলো স্যাটেলাইট যোগাযোগ ও টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা সম্পর্কিত, যা মোবাইল ফোন এবং ইন্টারনেট প্রযুক্তির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই কোর্সের মাধ্যমে ভয়েস, ভিজুয়াল এবং ডাটা দ্বারা অবিলম্বে সংযোগটি কীভাবে সরবরাহ করতে হয় তা শিক্ষার্থীরা জানতে পারেন।

ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের বিভাগীয় প্রধান তসলিম আরেফিন বলেন- আমাদের ল্যাবে বিশ্বের অত্যাধুনিক ও সমৃদ্ধ যন্ত্রপাতি, পর্যাপ্ত ল্যাব সুবিধা এবং প্রয়োজনীয় আধুনিক উপকরণ যথেষ্ট পরিমাণ রয়েছে। শিক্ষকরা ল্যাবের বিষয়ে শিক্ষার্থীদের যথেষ্ট সময় দিয়ে থাকেন। প্রতি সেমিস্টারে ভালো ফলাফল অর্জনকারী মেধাবী শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন পর্যায়ে বৃত্তি দেওয়া হয়ে থাকে। এ ছাড়া মেধাবী ও অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের জন্য রয়েছে বিশেষ ছাড়।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেডএম