‘ইয়ুথ লিডিং ফর পিস’র আন্তর্জাতিক সম্মেলনে ঢাবির তিন শিক্ষার্থী

ঢাকা, মঙ্গলবার   ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১,   আশ্বিন ১৪ ১৪২৮,   ১৯ সফর ১৪৪৩

‘ইয়ুথ লিডিং ফর পিস’র আন্তর্জাতিক সম্মেলনে ঢাবির তিন শিক্ষার্থী

ঢাবি প্রতিনিধি  ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৩:০৬ ২ আগস্ট ২০২১  

ফার্সি ভাষা ও সংস্কৃতি বিভাগের শিক্ষার্থী ও ঢাবি ইউনেস্কো ক্লাবের সদস্য আমিনুল ইসলাম, ইসরাত জাফরীন ও আসনাফ জামান তন্নি। 

ফার্সি ভাষা ও সংস্কৃতি বিভাগের শিক্ষার্থী ও ঢাবি ইউনেস্কো ক্লাবের সদস্য আমিনুল ইসলাম, ইসরাত জাফরীন ও আসনাফ জামান তন্নি। 

‘ইয়ুথ লিডিং ফর পিস’র আন্তর্জাতিক সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে কনফারেন্সে যোগ দিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন শিক্ষার্থী। 

কাজাখস্তান ফেডারেশন অব ক্লাবস ফর ইউনেস্কো এবং সুলেইমান দেমিরেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোগে ৩০-৩১ জুলাই আন্তর্জাতিক এই সম্মেলনে অংশ নেন তারা। এতে বিশ্বের প্রায় ৫০টি দেশের প্রতিনিধি অংশ নিয়েছিলেন। 

তিন ঢাবি শিক্ষার্থী হলেন ফার্সি ভাষা ও সংস্কৃতি বিভাগের শিক্ষার্থী ও ঢাবি ইউনেস্কো ক্লাবের সদস্য আমিনুল ইসলাম, ইসরাত জাফরীন ও আসনাফ জামান তন্নি। 

কাজাখস্তানের স্বাধীনতা দিবস এবং সেমিপ্লাটিনস্ক পারমাণবিক পরীক্ষা সাইট বন্ধে উভয়ের ৩০ বছর পূর্তিতে আন্তর্জাতিক এই সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। ইউনেস্কোর সদস্য দেশগুলোকে অনুরোধ করা হয় তাদের নিজেদের দেশ থেকে ১৬-২২ বছর বয়সী সর্বোচ্চ তিনজন প্রতিনিধি পাঠাতে। যারা এই সম্মেলনে অংশগ্রহণ করার সুযোগ পেয়েছেন। 

সম্মেলনে অংশ নেয়া আমিনুল ইসলাম ডেইলি বাংলাদেশকে বলেন, আন্তর্জাতিক এই সম্মেলনটি খুবই ফলপ্রসূ হয়েছে। সম্মেলনে অংশ নিয়ে মানব সভ্যতা বিধ্বংসী নানা ক্ষতিকর অস্ত্রের খারাপ দিক সম্পর্কে জেনেছি এবং নিজের দলকে নেতৃত্ব দেয়া শিখেছি যে কিভাবে নিজের দলকে নিয়ে কাজ করতে হয় এবং নেতৃত্ব দিতে হয়। সম্মেলনে অংশ নেয়ার প্রস্তুতি হিসেবে আমাকে পারমাণবিক অস্ত্র, পরীক্ষা এবং এর ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে অনেক গবেষণা করতে হয়েছে। যার ফলে আমি এই বিষয়ে অনেক নতুন নতুন তথ্য জানতে পেরেছি। 

অংশ নেয়া আরেক শিক্ষার্থী ইসরাত জাফরীন বলেন, এই সম্মেলনে অংশ নেয়ার মাধ্যমে পারমাণবিক অস্ত্র ও পাওয়ার প্লান্ট সম্পর্কে নতুন নতুন অনেক তথ্য জানতে পেরেছি। বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বিনিময়ের সুযোগ হয়েছে। ফলে পারমাণবিক অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে তাদের দেশের অবস্থান জানা ও এ বিষয়ে তাদের চিন্তাধারা সম্পর্কে জেনেছি, বুঝার চেষ্টা করেছি। নতুন মনমানসিকতা আর নতুন তরুণ চিন্তা চেতনার সঙ্গে পরিচয় হয়েছে। 

সম্মেলনে তরুণ প্রজন্মকে পারমাণবিক অস্ত্রের ক্ষতিকর দিকগুলো সম্পর্কে সচেতন করা, অংশগ্রহণকারী রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে কীভাবে পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ব বজায় রেখে বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠা করা যায় সে দিকগুলো আলোচনা এবং পারমাণবিক অস্ত্রের সুবিধা-অসুবিধার দিকগুলো তুলে ধরা হয়। কীভাবে পারমাণবিক অস্ত্র ক্ষতিকর প্রভাব ফেলছে এবং সেই ক্ষতি থেকে নিজেদের কিভাবে বাঁচানো যায়, পৃথিবীকে কিভাবে রক্ষা করা যায় সে বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেডএম