শতভাগ উপস্থিতিতে ঢাবিতে অনলাইনে সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষা 

ঢাকা, রোববার   ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১,   আশ্বিন ৫ ১৪২৮,   ১০ সফর ১৪৪৩

শতভাগ উপস্থিতিতে ঢাবিতে অনলাইনে সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষা 

ঢাবি প্রতিনিধি  ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৪:৪৬ ১ আগস্ট ২০২১  

অনলাইনে শতভাগ উপস্থিতি নিশ্চিত করে পরীক্ষা নিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটের ইংরেজি ভাষা বিভাগ।

অনলাইনে শতভাগ উপস্থিতি নিশ্চিত করে পরীক্ষা নিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটের ইংরেজি ভাষা বিভাগ।

অনলাইনে শতভাগ উপস্থিতি নিশ্চিত করে পরীক্ষা নিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটের ইংরেজি ভাষা বিভাগ। বিভাগের মাস্টার্স প্রথম সেমিস্টারের পরীক্ষায় ৩২ জন শিক্ষার্থীর সবার উপস্থিতি নিশ্চিত করে পরীক্ষা নিয়েছে বিভাগটি। 

বিভাগের পরীক্ষা কমিটির সভাপতি ও কোর্স কো-অর্ডিনেটর অধ্যাপক ড. সাইদুর রহমান ডেইলি বাংলাদেশকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, গত ২৬ জুলাই থেকে পরীক্ষা শুরু হয়েছে। এরইমধ্যে দুটি পরীক্ষা নিয়েছি আজকেও একটি পরীক্ষা আছে। আগের দুটি পরীক্ষায় আমাদের সব শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে। 

করোনা মহামারির কারণে গত বছরের ১৭ মার্চ বন্ধ হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম। গত জুন মাস থেকে কিছু বিভাগ সশরীরে পরীক্ষা নেয়। তবে জুনের শেষের দিকে করোনা প্রকোপ পুনরায় বাড়ায় আবারো স্থগিত হয়ে যায় পরীক্ষা। তাই এবার অনলাইনেই পরীক্ষার আয়োজন করেছে আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটের ইংরেজি ভাষা বিভাগ। 

ঈদের পরে কম্পিউটার সাইন্স বিভাগ ও উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগ অনলাইনে পরীক্ষা নিলেও ঈদের পর এই আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটের ইংরেজি ভাষা বিভাগই প্রথম অনলাইনে পরীক্ষা নিলো। 

করোনা পরিস্থিতি খারাপের দিকে গেলে সশরীরে পরীক্ষা নেয়ার পরিবর্তে অনলাইনে পরীক্ষা নেয়ার জন্য বিভাগগুলোকে নির্দেশনা দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। একইসঙ্গে অনলাইনে কোন পদ্ধতি অনুসরণ করে পরীক্ষা নেয়া হবে এ সংক্রান্ত একটি নির্দেশিকা এবং ভিডিও টিউটোরিয়াল প্রকাশ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। 

পরীক্ষা আয়োজনের বিষয়ে অধ্যাপক ড. সাইদুর রহমান বলেন, পরীক্ষায় শতভাগ শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন। এমনকি প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিক্ষার্থীরাও উপস্থিত ছিলেন। এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যেটি সেটি হলো সবার ক্যামেরা চালু রাখতে পেরেছে। দুএকজনের মাঝে মাঝে সমস্যা হলেও তারা আবার টেকনিক্যাল সমস্যা কাটিয়ে তারা জয়েন করেছে। আমরাও তাদেরকে সহযোগিতা করেছি। অতিরিক্ত টাইমও দিয়েছি যেই সময়টা শিক্ষার্থীর সিস্টেম লসে গিয়েছে। আমরা যারা পরীক্ষার পরিদর্শক ছিলাম তারা সবাই ইনস্টিটিউটে এসে সেখান থেকে দেখেছে। 

অনলাইন পরীক্ষায় সব শিক্ষার্থীদের কিভাবে পরীক্ষায় বসাতে আগ্রহী করলেন এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমাদের পরীক্ষা ঈদের আগে পরীক্ষা হওয়ার কথা থাকলেও করোনা পরিস্থিতির কারণে নেয়া সম্ভব হয়নি। পরে পরীক্ষার রুটিন দেয়ার আগে আমরা শিক্ষার্থীদের সাথে অনলাইনে মিটিং করেছি। সেখানে শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা দিতে আগ্রহ প্রকাশ করের। শিক্ষার্থীরা পরীক্ষার এক পরীক্ষা থেকে অন্য পরীক্ষার মাঝে সময় চেয়েছে আমরা সেভাবেই রুটিন তৈরি করেছি, যাতে শিক্ষার্থীদের কোনো সমস্যা না হয়। পরীক্ষার আগে আমরা শিক্ষার্থীদের গুগল ক্লাসরুম ব্যবহার করে কিভাবে পরীক্ষা দিবে সেটি শিখিয়েছি, যাতে হুট করে পরীক্ষার সময়ে কোনো সমস্যায় তারা পড়ে না যায়। 

ডেইলি বাংলাদেশ/জেডএম