মেডিকেলে ভর্তি: প্রতি আসনে লড়বে ২৮ পরীক্ষার্থী 

ঢাকা, সোমবার   ১৭ মে ২০২১,   জ্যৈষ্ঠ ৩ ১৪২৮,   ০৪ শাওয়াল ১৪৪২

মেডিকেলে ভর্তি: প্রতি আসনে লড়বে ২৮ পরীক্ষার্থী 

শিক্ষাঙ্গন ডেস্ক  ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৬:০১ ২৭ মার্চ ২০২১   আপডেট: ১৬:১৩ ২৭ মার্চ ২০২১

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

আগামী ২ এপ্রিলেই অনুষ্ঠিত হচ্ছে মেডিকেল কলেজের ভর্তি পরীক্ষা। ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে এমবিবিএসে ভর্তি পরীক্ষার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে প্রতি আসনের বিপরীতে ২৮ জন শিক্ষার্থী লড়াই করবে। 

এরইমধ্যেই মেডিকেল ভর্তির জন্য প্রবেশপত্র ডাউনলোড প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে। এখন শুধুই অপেক্ষা ভর্তি যুদ্ধের। জানা যায়, এ বছর ১ লাখ ২২ হাজার ৭৬১ জন পরীক্ষা দেয়ার জন্য আবেদন করেছেন। 

আগামী ২ এপ্রিল সকাল ১০টা থেকে থেকে অনুষ্ঠিত হবে ১০০ নম্বরের বহুনির্বাচনী (এমসিকিউ) পরীক্ষা। যা চলবে বেলা ১১টা পর্যন্ত। আপাতত ১৯টি কেন্দ্রের ৫৪টি ভেন্যুতে আয়োজন করা হয়েছে এ ভর্তি যুদ্ধ তবে পরীক্ষার ভেন্যু সংখ্যা প্রয়োজনে বাড়তেও পারে। 

স্বাস্থ্য অধিদফতর জানিয়েছে, পরীক্ষার্থীর সংখ্যা বেশি হওয়ায় স্বাস্থ্যবিধির কথা বিবেচনায় নিয়ে পরীক্ষা কেন্দ্রের সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে এবং যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে পরীক্ষার প্রস্তুতি গ্রহণ করা হবে। 

বেড়েছে আসন সংখ্যা: চলতি শিক্ষাবর্ষ থেকে দেশের সরকারি মেডিকেল কলেজগুলোতে এমবিবিএস কোর্সে ভর্তিতে আরো ২৮২টি আসন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়। 

পরীক্ষা পদ্ধতি ও মেধা তালিকা তৈরি: ১০০ (একশত) নম্বরের ১০০ (একশত) টি বহুনির্বাচনী প্রশ্নের ১ (এক) ঘণ্টার লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে পদার্থবিজ্ঞানে ২০ নম্বর, রসায়নে ২৫ নম্বর, জীববিজ্ঞানে ৩০ নম্বর, ইংরেজিতে ১৫ নম্বর এবং সাধারণ জ্ঞান, ইতিহাস ও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক থাকবে আরও ১০ নম্বর। 

লিখিত পরীক্ষায় প্রতিটি ভুল উত্তর প্রদানের জন্য ০.২৫ নম্বর কাটা হবে। ভর্তি পরীক্ষায় পাস করতে ১০০ নম্বরের মধ্যে ন্যূনতম ৪০ নম্বর পেতে হবে। অন্যথায় অকৃতকার্য বলে গণ্য করা হবে। পরীক্ষার রেজাল্টে শুধুমাত্র কৃতকার্য পরীক্ষার্থীদের মেধা তালিকা প্রকাশ করা হবে। 

মেধা তালিকা প্রকাশ করা হবে এমবিবিএস/ বিডিএস ভর্তি পরীক্ষায় পূর্ববর্তী বছরের এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ পরীক্ষার্থীদের সর্বমোট (Aggregated) নম্বর অর্থাৎ এসএসসি/ সমমান পরীক্ষায় প্রাপ্ত জিপিএ-এর ১৫ গুণ+এইচএসসি/ সমমান পরীক্ষায় প্রাপ্ত জিপিএ-এর ২৫ গুণ+ভর্তি পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বর) থেকে ০৫ (পাঁচ) নম্বর কর্তন করে এবং পূর্ববর্তী বৎসরের সরকারি মেডিকেল বা ডেন্টাল কলেজ/ইউনিট-এ ভর্তিকৃত ছাত্র/ছাত্রীদের ক্ষেত্রে মোট প্রাপ্ত নম্বর থেকে ৭.৫ (সাত দশমিক পাঁচ) নম্বর কর্তন করে তালিকা তৈরি করা হবে। 

এসএসসি ও এইচএসসি বা সমমান পরীক্ষায় প্রাপ্ত জিপিএ মোট ২০০ নম্বর হিসেবে নির্ধারণ করে নিম্নলিখিতভাবে মূল্যায়ন করা হবে: এসএসসি/সমমান পরীক্ষায় প্রাপ্ত জিপিএ-এর ১৫ গুণ=৭৫ নম্বর (সর্বোচ্চ)। এইচএসসি/সমমান পরীক্ষায় প্রাপ্ত জিপিএ-এর ২৫ গুণ=১২৫ নম্বর (সর্বোচ্চ)

লিখিত ভর্তি পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বর এবং  এসএসসি/সমমান ও এইচএসসি/সমমান পরীক্ষায় প্রাপ্তনম্বরের যোগফলের ভিত্তিতে মেধা তালিকা প্রণয়ন করা হবে।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেডএম