ঢাবির ‘খ’ ইউনিটে ভর্তি পরীক্ষা: প্রশ্নে থাকবে যেসব বিষয়, মানবন্টন যেভাবে 

ঢাকা, মঙ্গলবার   ০৩ আগস্ট ২০২১,   শ্রাবণ ১৯ ১৪২৮,   ২৩ জ্বিলহজ্জ ১৪৪২

ঢাবির ‘খ’ ইউনিটে ভর্তি পরীক্ষা: প্রশ্নে থাকবে যেসব বিষয়, মানবন্টন যেভাবে 

শোয়াইব আহমেদ, ঢাবি  ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৪:৪০ ২৭ মার্চ ২০২১   আপডেট: ১৪:৫৪ ২৭ মার্চ ২০২১

২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘খ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা ২২ মে

২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘খ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা ২২ মে

২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘খ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা আর মাত্র দুই মাস বাকি (পরীক্ষার তারিখ: ২২ মে, শনিবার)। এই ইউনিটে আসন সংখ্যা ২৩৭৮। আবেদনের মেয়াদ থাকছে ৩১ মার্চ রাত পর্যন্ত। আবেদনের লিংক: (admission.eis.du.ac.bd)। 

পরীক্ষায় যেভাবে নম্বর বন্টন হবে: চলতি শিক্ষাবর্ষে ভর্তি পরীক্ষার মানবন্টনে পরিবর্তন এনেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। গতবছরের ভর্তি পরীক্ষার তুলনায় কিছু নম্বর কমিয়ে এবার হবে মানবন্টন। গতবছর বহুনির্বাচনীতে ৭৫ নম্বর থাকলেও থাকছে ৬০ নম্বর। আর লিখিত অংশে থাকছে মোট ৪০ নম্বর। বহুনির্বাচনী ও লিখিত উভয় পরীক্ষার জন্য আলাদা ৪৫ মিনিট করে সময় পাবেন পরীক্ষার্থীরা। 

যেভাবে প্রশ্ন হবে বহুনির্বাচনী: মোট ৬০টি প্রশ্ন থাকবে এবং নম্বর বরাদ্দ থাকবে ৬০। প্রতিটি প্রশ্নের মান ১ (৬০×১)। বাংলা/ Elective English* অংশে ১৫টি প্রশ্ন থাকবে যার নম্বর থাকবে ১৫। General English অংশেও ১৫টি প্রশ্ন থাকবে এবং ১৫ নম্বর বরাদ্দ থাকবে। সাধারণ জ্ঞান অংশে ৩০টি প্রশ্নের জন্য থাকবে ৩০ নম্বর। প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য কাটা যাবে ০.২৫ নম্বর। অর্থাৎ প্রতি চারটি ভুল উত্তরের জন্য একটি শুদ্ধ উত্তরের নম্বর কাটা যাবে। 

লিখিত অংশে প্রশ্ন হবে যেভাবে: ভর্তি-পরীক্ষায় ৪০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষা হবে। যার মধ্যে বাংলা/ Elective English* অংশে নম্বর থাকবে ২০। এবং General English অংশে ২০ নম্বর বরাদ্দ থাকবে। বহুনির্বাচনী এবং লিখিত অংশের বাংলা ও ইংরেজি বিষয়ের প্রশ্ন হবে শিক্ষার্থীদের জাতীয় পাঠ্যপুস্তক বোর্ড নির্ধারিত শিক্ষাক্রমের পাঠ্যসূচির আলোকে। A-Level থেকে পড়াশোনা করা পরীক্ষার্থীরাই কেবল বাংলার পরিবর্তে Elective English অংশ পূরণ করতে পারবে। 

বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দেয়া ‘খ’ ইউনিটের ভর্তি নির্দেশিকাতে লিখিত পরীক্ষার বাংলা অংশের বিষয়ে বলা হয়, জাতীয় পাঠ্যপুস্তক বোর্ড নির্ধারিত শিক্ষাক্রমের পাঠ্যসূচিভুক্ত একটি পাঠের মূলভাব লিখন, কবিতার উদ্ধৃতি ব্যাখ্যা, উদ্ধৃত সংলাপ ব্যাখ্যা (গদ্য, উপন্যাস ও নাটক-ভিত্তিক), লেখক/ কবি পরিচিতি, মিলকরণ (গদ্য, কবিতা ও ব্যাকরণভিত্তিক), সারাংশ/ সারমর্ম লিখন, বানান শুদ্ধি ও প্রমিতকরণ, সংক্ষিপ্ত অনুচ্ছেদ লিখন, ব্যাকরণ-সম্পর্কিত বিষয়াবলি (সংজ্ঞার্থ ও দৃষ্টান্ত) এবং অনুবাদ অধিক গুরুত্ব পাবে। 

অন্যদিকে লিখিত অংশের পরীক্ষায় অধিক গুরুত্ব পাবে General English , Comprehension, Short paragraph, Explanation (Explain with the reference to the Context), Re-arranging, Translation, Punctuation, Gap filling with & without clues, Sentence making, Changing and Transformation of sentences টপিকগুলো। 

তাছাড়া বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, বহুনির্বাচনী অংশের সাধারণ জ্ঞান সংশ্লিষ্ট প্রশ্ন বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি এবং মাধ্যমিক/ সমমান ও উচ্চ-মাধ্যমিক/ সমমান পর্যায়ে পঠিত পৌরনীতি ও সুশাসন, সমাজবিজ্ঞান, অর্থনীতি, ইতিহাস, যুক্তিবিদ্যা, ভূগোল, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ের আলোকে হবে। 

পাস করবেন যত পেলে: ১০০ নম্বরের এই ভর্তি পরীক্ষায় পাস নম্বর ৪০। কোনো প্রার্থী যদি ৪০ এর নিচে পায় তাহলে যে ভর্তির সুযোগ পাবে না। 

বহুনির্বাচনীতে পাস করতে পরীক্ষার্থীকে আলাদাভাবে বহুনির্বাচনী অংশে বাংলায় নূন্যতম ০৫ নম্বর, ইংরেজিতে নূন্যতম ০৫ নম্বর ও সাধারণ জ্ঞান অংশে ১০ নম্বর এবং তিন বিষয়ের বহুনির্বাচনী মিলে সর্বমোট ২৪ নম্বর পেতে হবে। এই ২৪ নম্বর পেলেই কেবল ওই পরীক্ষার্থীর লিখিত পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়নের জন্য বিবেচিত হবে। 

A-Level সংশ্লিষ্টদের ক্ষেত্রে বাংলা বিষয়ের বিকল্প হিসেবে Elective English-এ ন্যূনতম ০৫ নম্বর (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) পেতে হিবে। 

লিখিত অংশে পাস করতে পরীক্ষার্থীকে ন্যূনতম ১১ নম্বর পেতে হবে। তবে এক্ষেত্রে আলাদাভাবে বাংলা অংশে ন্যূনতম ০৫ এবং General English-এ ন্যূনতম ০৫ পেতে হবে। ‘এ’ লেভেলের ক্ষেত্রে উল্লিখিত শর্ত সমানভাবেই প্রযোজ্য হবে। 

ডেইলি বাংলাদেশ/জেডএম