বঙ্গবন্ধুর ভাষণের তাৎপর্য অনুধাবন করে দেশ গড়ার আহ্বান 

ঢাকা, শনিবার   ১৭ এপ্রিল ২০২১,   বৈশাখ ৪ ১৪২৮,   ০৪ রমজান ১৪৪২

বঙ্গবন্ধুর ভাষণের তাৎপর্য অনুধাবন করে দেশ গড়ার আহ্বান 

ঢাবি প্রতিনিধি  ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৭:১২ ৭ মার্চ ২০২১  

রোববার অধ্যাপক আব্দুল মতিন চৌধুরী ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণের গুরুত্ব ও তাৎপর্য’ শীর্ষক ভার্চুয়াল আলোচনাসভায় সভাপতির বক্তব্যে উপাচার্য এ আহ্বান জানান। 

রোববার অধ্যাপক আব্দুল মতিন চৌধুরী ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণের গুরুত্ব ও তাৎপর্য’ শীর্ষক ভার্চুয়াল আলোচনাসভায় সভাপতির বক্তব্যে উপাচার্য এ আহ্বান জানান। 

স্বাধীনতা-সংগ্রামের অমিত শক্তির উৎস ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চে দেয়া জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ভাষণ। যা আজও নিপীড়িত যেকোনো জাতিকে উজ্জীবিত করতে সক্ষম। নানা আয়োজনের মধ্যদিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ‘ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ দিবস’ পালন করেছে। 

এক আলোচনাসভায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আখতারুজ্জামান ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণের গুরুত্ব ও তাৎপর্য অনুধাবন করার জন্য যুব সমাজের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করার ক্ষেত্রে যুব সমাজকেই নেতৃত্ব দিতে হবে। দেশ গড়ার কাজে যুবকদের ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে। 

১৯৭১ সালের এই দিনে রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) বঙ্গবন্ধুর ভাষণটি পুরো জাতিকে উজ্জ্বীবিত করেছিল। ঐতিহাসিক এই ভাষণে পাকিস্তানি শাসকদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার ডাক দিয়েছিলেন শেখ মুজিবুর রহমান। এ ভাষণের ঐতিহাসিক গুরুত্ব যেমন রয়েছে, তেমনি রয়েছে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিও। 

রোববার অধ্যাপক আব্দুল মতিন চৌধুরী ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণের গুরুত্ব ও তাৎপর্য’ শীর্ষক ভার্চুয়াল আলোচনাসভায় সভাপতির বক্তব্যে উপাচার্য এ আহ্বান জানান। 

তিনি বলেন, এ বছর এমন এক সময় এই ভাষণের গুরুত্ব ও তাৎপর্য নিয়ে আলোচনা করা হচ্ছে, যখন বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হয়েছে। 

মুজিববর্ষ, স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শতবর্ষে এটি এক অনন্য অর্জন। উপাচার্য বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই অর্জনকে যুব সমাজের জন্য উৎসর্গ করেছেন। তাই সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার কাজে যুব সমাজকেই অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। 

সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সামাদ, উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মমতাজ উদ্দিন আহমেদ, শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. রহমত উল্লাহ, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. নিজামুল হক ভূইয়াসহ অফিসার্স এসোসিয়েশন, তৃতীয় শ্রেণি কর্মচারী সমিতি, কারিগরি কর্মচারী সমিতি ও ৪র্থ শ্রেণি কর্মচারী ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দ। আলোচনা সভা পরিচালনা করেন রেজিস্ট্রার এনামউজ্জামান। 

এর আগে দিবসটি উপলক্ষে সকালে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামানের নেতৃত্বে ধানমণ্ডি ৩২ নম্বরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। এসময় উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মমতাজ উদ্দিন আহমেদসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেডএম