নবীনদের অপেক্ষায় গণ বিশ্ববিদ্যালয় 

ঢাকা, সোমবার   ১৯ এপ্রিল ২০২১,   বৈশাখ ৬ ১৪২৮,   ০৬ রমজান ১৪৪২

নবীনদের অপেক্ষায় গণ বিশ্ববিদ্যালয় 

রাকিবুল হাসান, গণ বিশ্ববিদ্যালয় ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৫:০৪ ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২১  

ওরিয়েন্টেশন ও সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে শপথ পাঠের মধ্য দিয়ে গণবিশ্ববিদ্যালয়ে মেধাবীদের সোনালি জীবন শুরু হয়

ওরিয়েন্টেশন ও সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে শপথ পাঠের মধ্য দিয়ে গণবিশ্ববিদ্যালয়ে মেধাবীদের সোনালি জীবন শুরু হয়

ওরিয়েন্টেশন ও সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে শপথ পাঠের মধ্য দিয়ে গণবিশ্ববিদ্যালয়ে মেধাবীদের সোনালি জীবন শুরু হয়। এরপর শুরু হয় হাটি হাটি পায়ে পথচলা। আবেগ ও ভালোবাসার বন্ধুত্বের বন্ধনে আড্ডায় মেতে থাকে সকাল-সন্ধ্যায়। বাদামতলা, খেলার মাঠ ও চা দোকান জমে ওঠে নবীনদের আগমণে। 

হিটলার চত্বরে, সবুজ ছাউনির ক্যান্টিনে, পিঠাপুলির দোকানে খোশগল্পের জোয়ার ওঠে গণ বিশ্ববিদ্যালয়ে। কিন্তু প্রতিবছর ক্যাম্পাসে এই স্বাভাবিক দৃশ্যপট থাকলেও করোনার কারণে ২০২১ সালে এসব যেনো ভাটা পড়েছে। হাজারো স্বপ্নেরা যেনো আজ ঘরবন্দী। 

ক্যাম্পাসের করিডর দিয়ে হাঁটলেও অর্জন করা যায় অনেক কিছু। এই বিদ্যাপীঠের ইইই, সিএসই, বায়োকেমিস্ট্রি অ্যান্ড মলিকুলার বায়োলজি, মেডিকেল ফিজিক্স অ্যান্ড বায়োমেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং, বাংলা, ইংরেজি, ভেটেরিনারি অ্যান্ড এনিমেল সাইন্সেস, মাইক্রোবায়োলজি, ফলিত গণিত, ফার্মেসি, সমাজবিজ্ঞান ও সমাজকর্ম, রাজনীতি ও প্রশাসন, রসায়ন ও পদার্থ বিজ্ঞান এবং আইন বিভাগগুলো অশ্রুসিক্ত হৃদয়ে আহবান করছে তার প্রাণের সজীবতা জাগানো নবীনদের।

ভেটেরিনারি অ্যান্ড এনিমেল সাইন্সেস অনুষদের শিক্ষার্থী সাজিদ আল মামুন বলেন, অমিত সম্ভাবনা নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে আসেন নবীনরা। সেই সম্ভাবনা বাস্তবে রূপ পায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, সিনিয়র ও সহপাঠীদের সৌহাদ্যপূর্ণ সম্পর্ক ও আন্তরিক প্রচেষ্টায়। 

রাজনীতি ও প্রশাসন বিভাগের প্রভাষক হাবিবুল্লাহ্ বেলালী বলেন, আপদকালীন সময়ে অনলাইনভিত্তিক ভর্তি, পাঠদান ও অন্যান্য বিষয়ে তাদের উৎসাহী ও অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। নবীনদের অংশগ্রহণ সহজলভ্য ও সহজসাধ্য করতে সরকারি কর্তৃপক্ষ, শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের সমন্বিত প্রয়াস দরকার।

নবীন ছাত্রী তাওহিদুন্নাহার দিপ্তী বলেন, নিজেকে বছরের পর বছর ধরে প্রস্তুত করেছি। অবশেষে কাঙ্ক্ষিত সময়ে এসে পৌঁছে গেছি। ২০১৯ সালে মেডিকেল এসিস্ট্যান্ট কোর্স শেষ করি৷ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে এখন যাওয়ার সুযোগ নেই।

দিপ্তী বলেন, অনেকটা হতাশায় দিন কাঁটছিলো। হঠাৎ সন্ধান পেলাম গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের। শিগগিরই নিজেকে আবার উচ্চশিক্ষার পথে যাত্রা শুরু করতে পারবো।

সদ্য উচ্চমাধ্যমিক পাস করেছেন এএইচএম রাফছান উদ্দীন৷ তিনি বলেন, একটি বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার সুযোগ পেয়েছি। তবে আমি দেশে থাকতে চাই। তাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে রেখেছি পছন্দের প্রথম তালিকায়। তবে ভিন্নতা আছে এই তালিকায়। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে প্রথমেই রেখেছি গণ বিশ্ববিদ্যালয়কে। একটি পরিচ্ছন্ন ক্যাম্পাস আমাদের অনেক কিছুই শিখিয়েছে। বাস্তবতার সঙ্গে মিল রেখে সিলেবাসের সমন্বয় ঘটিয়েছে। 

ডেইলি বাংলাদেশ/জেডএম