সকাল হলেই ঢাবির গেইট হয়ে যায় সবজির হাট 

ঢাকা, মঙ্গলবার   ০২ মার্চ ২০২১,   ফাল্গুন ১৭ ১৪২৭,   ১৭ রজব ১৪৪২

সকাল হলেই ঢাবির গেইট হয়ে যায় সবজির হাট 

শোয়াইব আহমেদ, ঢাবি  ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৯:২৪ ১৯ জানুয়ারি ২০২১   আপডেট: ১৯:৩১ ১৯ জানুয়ারি ২০২১

খোলা ক্যাম্পাসে যে রাস্তা যান চলাচলে ব্যস্ত থাকতো সেই রাস্তা এখন সবজির হাট।

খোলা ক্যাম্পাসে যে রাস্তা যান চলাচলে ব্যস্ত থাকতো সেই রাস্তা এখন সবজির হাট।

নীলক্ষেত মোড়ে পূব দিকে তাকালেই চোখে পড়বে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘মুক্তি ও গণতন্ত্র তোরণ’। যাকে প্রাচ্যের অক্সফোর্ডের মূল প্রবেশ গেইটও বলা হয়। করোনায় তোরণটি বন্ধ থাকায় সেখানে জমে উঠেছে শীতকালীন সবজিসহ কাঁচাবাজারের হাট। 

শিক্ষার্থীরা বলছেন, করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে বন্ধ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসকে সোস্যাল আইসোলেটেড করার সিদ্ধান্ত নেয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। বিশেষ প্রয়োজন ব্যতীত কেউ যাতে বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় প্রবেশ করতে না পারে তার জন্য ক্যাম্পাসে প্রবেশের সব রাস্তার প্রবেশ মুখে দেয়া হয় বেরিগেড। ক্লাস-পরীক্ষা ও ক্যাম্পাসে প্রবেশ বন্ধ রাখা হয়েছে স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়টি চিন্তা করে কিন্তু সেই বন্ধ রাখার ফলে যদি নতুন করে স্বাস্থ্য সুরক্ষা সংকট তৈরি হয় তাহলে ক্যাম্পাস বন্ধ রেখে কি লাভ! 

 যদি নতুন করে স্বাস্থ্য সুরক্ষা সংকট তৈরি হয় তাহলে ক্যাম্পাস বন্ধ রেখে কি লাভ! 

সরেজমিনে দেখা গেছে, ছয়টি ভ্রাম্যমাণ দোকান রয়েছে। যেগুলোতে বিক্রি হচ্ছে ফুলকপি, বাঁধাকপি, টমেটো, বেগুন, আলু, গাজর, শসা, মিষ্টি কুমড়া, শিম, ক্যাপসিকাম, শালগম, মটরশুঁটি, লাউ, মরিচ, পেঁয়াজ, রসুন, আদাসহ নানান জাতের তাজা শাক। এছাড়াও বসেছে মাছের বাজার। যেখানে কয়েকটি ঝুড়িতে করে বিক্রি হচ্ছে রুই, শোল, টাকিসহ কয়েকজাতের ছোট মাছ। ভ্রাম্যমাণ এসব ভ্যানে মাসখানেক ধরে প্রতিদিন সকাল সাড়ে ৬টা থেকে ৭টার মধ্যে শুরু হয়ে দুপুর পর্যন্ত চলে কেনাবেচা। 

ভ্রাম্যমাণ এসব ভ্যানে মাসখানেক ধরে প্রতিদিন সকাল সাড়ে ৬টা থেকে ৭টার মধ্যে শুরু হয়ে দুপুর পর্যন্ত চলে কেনাবেচা। 

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সংশ্লিষ্ট ২১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আসাদুজ্জামান আসাদ ডেইলি বাংলাদেশকে বলেন, করোনার সময়ে কাজ করতে গিয়ে এগুলো সব উচ্ছেদ করে দিয়ে এসেছিলাম এখন আবার শুরু হয়েছে ভ্রাম্যমাণ এই বাজার। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সব জানে কিন্তু ব্যবস্থা নিচ্ছে না। আমাকে যদি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বলে তাহলে আমি মুহূর্তেই এটাকে অপসারণ করে দিবো এবং একদিনের মধ্যে টিএসসিসহ পুরো এলাকায় যা অবৈধ দোকান রয়েছে সব অপসারণ করে দিতে পারবো। তাছাড়া এই তোরণ রোডটা যদি খুলে দেয়া হয় তাহলে এমনিতেই এই দোকানপাট বসা বন্ধ হয়ে যাবে। 

বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে এমন হাট বসার বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. একেএম গোলাম রব্বানী ডেইলি বাংলাদেশকে বলেন, এগুলো সব অবৈধ দোকান যেগুলোর কোনো অনুমতি নেই। এগুলো অতি শিগগিরই আমরা তুলে দেয়ার ব্যবস্থা করছি, প্রয়োজনে আইনগত ব্যবস্থা নিবো। আমি নিজে সেখানে যাবো এখন আমার প্রক্টরিয়াল টিমও পাঠাবো।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেডএম