খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাত শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ঢাকা, মঙ্গলবার   ০২ মার্চ ২০২১,   ফাল্গুন ১৭ ১৪২৭,   ১৭ রজব ১৪৪২

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাত শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি  ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৪:৩৭ ১৭ জানুয়ারি ২০২১  

বিভিন্ন মেয়াদে পাঁচ শিক্ষার্থীকে সাজা প্রদান করেছে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়

বিভিন্ন মেয়াদে পাঁচ শিক্ষার্থীকে সাজা প্রদান করেছে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়

বিভিন্ন মেয়াদে পাঁচ শিক্ষার্থীকে সাজা প্রদান করেছে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়। আবাসিক হলে জুনিয়র শিক্ষার্থীদের রাতভর শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগে পাঁচজন ও তদন্ত ও একাডেমিক কার্যক্রমে বাধা দেয়ায় আরো দুইজনকে এ সাজা দেয়া হয়। 

বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রবিষয়ক পরিচালক ও শৃঙ্খলা বোর্ডের সদস্য সচিব শরীফ হাসান লিমন বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

বিজ্ঞপ্তিতে জলা হয়, আবাসিক হলে জুনিয়র শিক্ষার্থীদের শারীরিকভাবে নির্যাতন ও অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিকে দিয়ে মারধরের অভিযোগে ইংরেজি ডিসিপ্লিনের ৪র্থ বর্ষের মশিউর রহমান রাজাকে দুই বছর (৪ টার্ম) ও ৪র্থ বর্ষের রাজ বর্মন বিধানকে দুই বছরের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে। 

এ সময় নির্যাতনে পরস্পরকে উস্কানি দেয়ায় মিনহাজুর রহমানকে এক বছরের জন্য বহিষ্কার, সাবেরুল বাশার নিরবের এক বছরের জন্য সার্টিফিকেট স্থগিত এবং ফাহাদ রহমান অঝোরকে অভিভাবকসহ মুচলেকা প্রদানের শর্তে দশ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

এ ছাড়া বাংলা ডিসিপ্লিনের ৩য় বর্ষের মোবারক হোসেন নোমানকে দুইজন শিক্ষকের পথ আটকানো ও অসদাচরণ করা, তদন্ত কমিটির সামনে বক্তব্য দিতে অস্বীকৃতি ও অন্য শিক্ষার্থীকে কমিটির সামনে বক্তব্য না দেয়ার জন্য চাপ প্রদান এবং একাডেমিক কার্যক্রমে বাধা দেয়ায় এক বছরের (২ টার্ম) জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে।

ইতিহাস ও সভ্যতা ডিসিপ্লিনের ৪র্থ বর্ষের ইমামুল ইসলামকে দুইজন শিক্ষকের পথ আটকানো ও তাদের সাথে গুরুতর অসদাচরণ করা, তদন্ত কমিটির সামনে বক্তব্য দিতে অস্বীকৃতি, অন্য শিক্ষার্থীকে কমিটির সম্মুখে বক্তব্য না দেয়ার জন্য চাপ প্রদান, একাডেমিক কার্যক্রমে বাধা সৃষ্টি করা, ব্যক্তিগতভাবে পাঠানো তদন্ত কমিটির গোপনীয় চিঠি উস্কানিমূলক শিরোনাম দিয়ে ফেসবুকে পোস্ট করা বা কাউকে দিয়ে পোস্ট করানো ও তদন্ত কমিটির সাক্ষাৎকার গোপনে রেকর্ড করার চেষ্টার অপরাধে দুই বছর (৪ টার্ম) জন্য বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রবিষয়ক পরিচালক ও শৃঙ্খলা বোর্ডের সদস্য সচিব শরিফ হাসান লিমন বলেন, বর্তমান করোনা পরিস্থিতে আমরা শাস্তি দিতে চাইনি। তবে শাস্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের মধ্যে ফাহাদ রহমান অঝোর তদন্তের বিষয়টি দ্রুত সুরাহা করবার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এই সিদ্ধান্তগুলো নেয়া হয়েছে। সিদ্ধান্তগুলোর ব্যাপারে কোনো শিক্ষার্থী একাডেমিক কাউন্সিলে আপিল করতে পারবে।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেডএম