বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভর্তির নীতিমালা সংশোধন করছে সরকার

ঢাকা, সোমবার   ১৮ জানুয়ারি ২০২১,   মাঘ ৪ ১৪২৭,   ০৩ জমাদিউস সানি ১৪৪২

বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভর্তির নীতিমালা সংশোধন করছে সরকার

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১২:৫৭ ২৪ নভেম্বর ২০২০   আপডেট: ২০:৪৫ ২৪ নভেম্বর ২০২০

ফাইল ছবি।

ফাইল ছবি।

নতুন শিক্ষাবর্ষে বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীর জন্য নতুন নিয়ম আসছে। ভর্তি পরীক্ষার পরিবর্তে প্রথম থেকে অষ্টম শ্রেণিতে লটারির মাধ্যমে শিক্ষার্থী বাছাই ও ভর্তি করতে নীতিমালা সংশোধন করা হচ্ছে। এ সপ্তাহে নীতিমালা জারি হতে পারে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, নতুন নিয়মে আয়োজিত লটারি কার্যক্রমে অভিভাবকদের উপস্থিত থাকতে দেয়া হবে না। একটি ভর্তি কমিটি গঠন করে লটারির কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জানা গেছে, প্রতি বছর প্রথম শ্রেণির ভর্তিতে লটারি এবং দ্বিতীয় থেকে অষ্টম শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষা আয়োজন করা হয়। তবে করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) পরিস্থিতির কারণে নতুন শিক্ষাবর্ষে (২০২১ সালে) ভর্তি পরীক্ষা বাতিল করে লটারির মাধ্যমে সব শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে। অনলাইনের মাধ্যমে শিক্ষার্থী ভর্তির ফরম বিক্রি করা হবে। এরপর তা যাচাই-বাছাই করে লটারির জন্য নির্বাচন করবে স্কুল কর্তৃপক্ষ। একাধিক ধাপে লটারির আয়োজন করে ভর্তি করা হবে শিক্ষার্থী। লটারির ফলাফল স্ব স্ব বিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হবে।

এ কার্যক্রমে যেন জনসমাগম না হয়, সেজন্য ভর্তি প্রক্রিয়ার সব কার্যক্রমে অভিভাবকদের প্রবেশের সুযোগ থাকবে না। স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সদস্য, শিক্ষক ও কয়েকজন অভিভাবক নিয়ে একটি ভর্তি কমিটি গঠন করা হবে। এ কমিটি ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মমিনুল রশিদ বলেন, বেসরকারি স্কুলে প্রথম থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত লটারির মাধ্যমে সকল স্তরে নতুন শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে। করোনার ঝুঁকি থেকে সতর্কতা অবলম্বন করতে এ পদ্ধতি বেছে নেয়া হয়েছে। চলতি সপ্তাহে ভর্তি নীতিমালা জারি করা হতে পারে।

তিনি বলেন, ঝুঁকি এড়াতে ভর্তি কার্যক্রমে অভিভাবকরা উপস্থিত থাকবেন না। শিক্ষার্থী বাছাই ও ভর্তিতে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে কয়েকজনকে নির্বাচন করে অভিভাবক প্রতিনিধি হিসেবে উপস্থিত রেখে লটারি কার্যক্রম পরিচালনা করা হতে পারে।

উল্লেখ্য, দেশে ৬৮৩টি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় আছে। এর মধ্যে শুধু রাজধানীতে রয়েছে ৪২টি। বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় রয়েছে ১৯ হাজার ৪২১টি। এর মধ্যে ১৬ হাজার ৭৭৫টি এমপিওভুক্ত, বাকি দুই হাজার ৬৪৬টি নন-এমপিও প্রতিষ্ঠান।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমকেএ/টিআরএইচ/এইচএন/আরএইচ