দরজায় তালা-নেই আলামত, তবু শিক্ষার্থীদের সার্টিফিকেট-ক্যামেরা চুরি

ঢাকা, মঙ্গলবার   ২৭ অক্টোবর ২০২০,   কার্তিক ১২ ১৪২৭,   ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

দরজায় তালা-নেই আলামত, তবুও শিক্ষার্থীদের সার্টিফিকেট-ক্যামেরা চুরি

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ২১:১৬ ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০   আপডেট: ১৩:২৪ ২২ সেপ্টেম্বর ২০২০

মেসে ল্যাপটপ ও প্রিন্টার ভাঙা অবস্থায় পড়ে আছে

মেসে ল্যাপটপ ও প্রিন্টার ভাঙা অবস্থায় পড়ে আছে

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) হল রোডের ইসলামনগর এলাকার মেস মালিক চম্পার বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগ উঠেছে। এক মাস ধরে ওই কক্ষের চাবি তার কাছেই গচ্ছিত ছিল।

শনিবার মেস থেকে ক্যামেরা, একাডেমিক কাগজসহ আরো বিভিন্ন জিনিস খোয়া গেছে বলে ওই শিক্ষার্থীকে ফোনে জানান মেস মালিক চম্পা। অথচ মেসের তালা অক্ষত, ঘরের ভেতরেও চুরির কোনো আলামত নেই।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রিন্ট মেকিং ডিসিপ্লিনের দ্বিতীয় বর্ষের আকিফ মাহমুদ এলভিন। শনিবার বিকেলে মেস মালিক চম্পা তাকে ফোন দিয়ে জানান, মেসে চুরি হয়েছে।

ভুক্তভোগী ওই শিক্ষার্থী বাড়ি থেকে মেসে এসে দেখেন, তার দুইটি ক্যামেরা, ট্রাইপড, মডেম, রাউটার, অনু, আসবাবপত্র, রাইস কুকার, ফ্যান, ল্যাপটপের কুলিং প্যাড ও সাউন্ড বক্স নেই। এছাড়া ল্যাপটপ ও প্রিন্টার ভাঙা অবস্থায় পড়ে রয়েছে। পরবর্তীতে কয়েকজন শিক্ষার্থী মিলে ওই মেস মালিকের সঙ্গে দেখা করতে গেলে তিনি চাপের মুখে একটি ক্যামেরা, রাইস কুকার, সাউন্ড বক্স, ট্রাইপড ও কিছু আসবাবপত্র ফেরত দেন।

আকিফ মাহমুদ এলভিন বলেন, চুরি হয়েছে বলে মেস মালিক দাবি করলেও কোনো আলামত পাইনি।

সরেজমিনে দেখা গেছে, চুরি করতে হলে অন্তত মেস কক্ষের জানালার গ্রিল কাটতে হবে বা তালা ভাঙতে হবে। অথচ গ্রিল কিংবা তালা কোনোটিই ভাঙা হয়নি। শিক্ষার্থীদের দাবি, মেস মালিকই সুযোগ বুঝে এসব জিনিস সরিয়েছেন।

চুরির কোনো আলামত নেই কেন- জবাবে মেস মালিক চম্পা বলেন, আমি ওই বাড়িতে থাকি না। তাই এ ব্যাপারে কিছু বলতে পারব না।

এ বিষয়ে হরিণটানা থানার এসআই সুজিত মিস্ত্রি বলেন, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে চুরির ঘটনা বলে মনে হয়নি। ভুক্তভোগীর তরফ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমআর/জেডএম