.ঢাকা, মঙ্গলবার   ১৯ মার্চ ২০১৯,   চৈত্র ৪ ১৪২৫,   ১২ রজব ১৪৪০

এটি ‘মডেল তদন্ত’ হয়ে থাকবে

 প্রকাশিত: ১২:৪৩ ১৭ জুন ২০১৩  

রাজধানীর বনানীতে দুই বিশ্ববিদ্যালয়ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে করা মামলায় গ্রেপ্তার শাফাত আহমেদ ও সাদমান সাকিফকে ১০ দিন করে রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করবে পুলিশ। আজ শুক্রবার ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান ডিএমপির যুগ্ম কমিশনার কৃষ্ণপদ রায়। কৃষ্ণপদ রায় বলেন, প্রাথমিকভাবে ঘটনার সত্যতা আছে বলে প্রতীয়মান হয়। তবে সবকিছু খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঘটনাটি তদন্তে একটি তদন্ত সহায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছ। এই কমিটিতে আছেন যুগ্ম কমিশনার (অপরাধ), ডিএমপির যুগ্ম কমিশনার (অপরাধ), উপকমিশনার (গোয়েন্দা বিভাগ), উপকমিশনার (গুলশান) ও উপকমিশনার উইমেন সাপোর্ট সেন্টার। পুলিশের এই যুগ্ম কমিশনার বলেন, এই মামলার তদন্ত একটি মডেল তদন্ত হয়ে থাকবে। বিষয়টি নিয়ে গণমাধ্যমের সঙ্গে যে ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হয়েছে, সেটা আর থাকবে না। দেশবাসীর মনে যে সন্দেহের সৃষ্টি হয়েছে, সেটা দূর হবে। পুলিশ সব অনুরাগ-বিরাগের ঊর্ধ্বে ওঠে কাজ করছে এবং করবে।   আজ সকালে শাফাত আহমেদ ও সাদমান সাকিফকে সিলেট থেকে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) কার্যালয়ে আনা হয়। এখান থেকে এই দুজনকে বেলা তিনটার দিকে ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে নেওয়া হয়। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে সিলেটে গ্রেপ্তার হন শাফাত ও সাদমান। পুলিশ সদর দপ্তরের একটি বিশেষ দল রাত নয়টার দিকে জালালাবাদের একটি বাড়ি থেকে দুজনকে গ্রেপ্তার করে। জালালাবাদের একটি বাড়িতে তাঁরা লুকিয়ে ছিলেন। পুলিশের সহকারী মহাপরিদর্শক (এআইজি-গোপনীয়) মো. মনিরুজ্জামান প্রথম আলোকে এসব তথ্য জানান। গত ৬ মে বনানী থানায় পাঁচজনকে আসামি করে একটি ধর্ষণ মামলা করেন ধর্ষণের শিকার হওয়া একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থী। মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, এক পরিচিত ব্যক্তির জন্মদিনের পার্টিতে অংশ নিতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার হন তাঁরা। বনানীর রেইনট্রি হোটেলের দুটি কক্ষে আটকে রেখে তাঁদের ধর্ষণ করা হয়। মামলার পাঁচ আসামি হলেন শাফাত আহমেদ, নাঈম আশরাফ, সাদমান সাকিফ, শাফাতের গাড়িচালক বিল্লাল ও তাঁর দেহরক্ষী আবুল কালাম আজাদ।