Alexa পুকুরে ভাসছে সরকারি ওষুধ!

ঢাকা, সোমবার   ১৬ ডিসেম্বর ২০১৯,   পৌষ ১ ১৪২৬,   ১৮ রবিউস সানি ১৪৪১

পুকুরে ভাসছে সরকারি ওষুধ!

 প্রকাশিত: ১২:৪৩ ১৭ জুন ২০১৩  

বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীদের কোয়ার্টারের একটি পরিত্যক্ত পুকুরে বিপুল পরিমাণ সরকারি ওষুধ ভাসছে। আজ শুক্রবার সকালে স্থানীয় লোকজন বিষয়টি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের নজরে আনে। পরে হাসপাতাল প্রশাসন ও কোতোয়ালি মডেল থানা-পুলিশের কর্মকর্তারা সরেজমিনে বিষয়টি দেখে গেছেন। এ ঘটনায় পুলিশ দুজনকে আটক করেছে। তাঁরা হলেন হাসপতালের আয়া শেফালী বেগম ও তাঁর ছেলে মো. মামুন। কোতোয়ালি মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) অরবিন্দ প্রথম আলোকে এ তথ্য জানান। ওই এলাকার অন্তত তিনজন বাসিন্দা বলেন, আজ সকালে তাঁরা চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীদের সরকারি কোয়ার্টারের ৪ নম্বর ভবনের সামনের মজা পুকুরটিতে বিপুল পরিমাণ ওষুধ ভাসতে দেখেন। পরে বিষয়টি তাঁরা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে জানান। অনেক ওষুধ এরই মধ্যে পানিতে তলিয়ে যেতে পারে বলে তাঁদের ভাষ্য। স্থানীয় লোকজনের ভাষ্য, পুকুরে ভাসতে থাকা এসব ওষুধ ও ইক্যুইপমেন্টের মোড়কের গায়ে সরকারি সিল রয়েছে এবং এগুলোর ২০১৮ ও ২০১৯ সাল পর্যন্ত মেয়াদ রয়েছে। ওষুধগুলো কোন হাসপাতালের, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, সরকারি কোনো হাসপাতালের ভান্ডার থেকে এসব ওষুধ চুরি করার পর বিক্রি করতে না পেরে অথবা অভিযানে ধরা পড়ার ভয়ে এখানে ফেলে যাওয়া হয়েছে। জানতে চাইলে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক এস এম সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘খবর পেয়ে হাসপাতালের ভান্ডার রক্ষককে ঘটনাস্থলে পাঠিয়েছিলাম। এসব ওষুধ সরকারি হাসপাতালের জন্য সরবরাহ করা, এটা নিশ্চিত। তবে কীভাবে এসব ওষুধ পুকুরে ফেলা হলো, কারা ফেলল, সেসব খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ ছাড়া এসব ওষুধ এই হাসপাতালের কিনা তাও খতিয়ে দেখা এবং হাসপাতালের ওষুধ ভান্ডারের রেজিস্ট্রার মিলিয়ে দেখার জন্য তদন্ত কমিটি করা হবে।’