বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ কাটিয়ে ওঠার শক্তি বাংলাদেশের আছে: আইএমএফ

ঢাকা, বৃহস্পতিবার   ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২২,   ১৫ আশ্বিন ১৪২৯,   ০২ রবিউল আউয়াল ১৪৪৪

Beximco LPG Gas

বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ কাটিয়ে ওঠার শক্তি বাংলাদেশের আছে: আইএমএফ

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১২:৩৩ ১৭ আগস্ট ২০২২  

আইএমএফ- ফাইল ছবি

আইএমএফ- ফাইল ছবি

বাংলাদেশ সংকটে নেই বলে পরিষ্কার জানিয়েছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। চলমান বৈশ্বিক সংকটে সৃষ্ট অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ কাটিয়ে ওঠার শক্তি বাংলাদেশের আছে বলেও জানিয়েছে সংস্থাটি।

বাংলাদেশ আইএমএফের কাছে যে ঋণ চেয়েছে, সে বিষয়ে অক্টোবরে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে। এর সঙ্গে সরকার সম্প্রতি জ্বালানি তেলের যে দাম বাড়িয়েছে তার কোনো সম্পর্ক নেই বলে জানিয়েছে ওয়াশিংটনভিত্তিক আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানটি।

মঙ্গলবার বাংলাদেশের সাংবাদিকদের সঙ্গে ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে আইএমএফের এশিয়া–প্রশান্ত মহাসাগরীয় বিভাগের প্রধান রাহুল আনন্দ এসব কথা বলেন। সংবাদ সম্মেলনে আরো যুক্ত ছিলেন আইএমএফের পলিসি অ্যান্ড রিভিউ ডিপার্টমেন্টের ডেপুটি ডিরেক্টর উমা রামাকৃষ্ণান।

রাহুল আনন্দ বলেন, বাংলাদেশের ঋণখেলাপি হওয়ার পথে যাওয়ার ঝুঁকি খুবই কম। দেশটির পরিস্থিতি শ্রীলংকা থেকে বেশ আলাদা। বাংলাদেশ কোনো সংকটময় পরিস্থিতিতে নেই এবং বিদেশি ঋণের ক্ষেত্রে এ অঞ্চলের অন্য দেশগুলোর তুলনায় বেশ ভিন্ন অবস্থানে রয়েছে।

তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশের বৈদেশিক ঋণ তুলনামূলক অল্প, যা জিডিপির ১৪ শতাংশের মতো। সে কারণেই দেশটির ঋণখেলাপির পথে যাওয়ার ঝুঁকি কম। শ্রীলংকার সঙ্গে বাংলাদেশের তুলনা করার কোনো কারণ নেই।

রাহুল আনন্দ বলেন, বাংলাদেশকে সহায়তা করতে আইএমএফ প্রস্তুত এবং তহবিল বিষয়ে নিয়মমাফিক নীতিমালা ও প্রক্রিয়া অনুসারে আইএমএফের কর্মকর্তারা বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে প্রোগ্রাম ডিজাইন বিষয়ে আলোচনা করছেন। অক্টোবরের মাঝামাঝি সময়ে আইএমএফের বার্ষিক সভা হবে। সেখানে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে।

রাহুল আনন্দের নেতৃত্বে আইএমএফের একটি প্রতিনিধি দল বাংলাদেশ সফরে এসেছিল। ৯ দিনের ঐ সফরে প্রতিনিধি দলের সদস্যরা অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল, পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান, বাংলাদেশ ব্যাংক, অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। সেই সময় অর্থ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে আইএমএফের কাছে সাড়ে ৪ বিলিয়ন ডলার ঋণ চাওয়া হয়েছিল।

ডেইলি বাংলাদেশ/এআর

English HighlightsREAD MORE »