মুরগির দাম কমলেও অপরিবর্তিত সবজি

ঢাকা, মঙ্গলবার   ১৭ মে ২০২২,   ৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯,   ১৫ শাওয়াল ১৪৪৩

Beximco LPG Gas

মুরগির দাম কমলেও অপরিবর্তিত সবজি

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১২:৩৫ ২৮ জানুয়ারি ২০২২   আপডেট: ১৫:৫০ ২৮ জানুয়ারি ২০২২

ফাইল ফটো

ফাইল ফটো

সপ্তাহের ব্যবধানে বাজারগুলোতে ব্রয়লার মুরগির দাম কেজিতে ১০ টাকা কমেছে। পাকিস্তানি কক বা সোনালি মুরগির দাম কমেছে কেজিতে ২০ টাকা পর্যন্ত। মুরগির দাম কমলেও সপ্তাহের ব্যবধানে সবজি, ডিম, মাছ, পেঁয়াজ, আলুর দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।

শুক্রবার সকালে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার বাজার ঘুরে এসব চিত্র দেখা গেছে।

সরেজমিন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ব্যবসায়ীরা ব্রয়লার মুরগির কেজি বিক্রি করছেন ১৬০ থেকে ১৬৫ টাকা, যা গত সপ্তাহে ছিল ১৭০ থেকে ১৭৫ টাকা। পাকিস্তানি কক বা সোনালি মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৩০ থেকে ২৬০ টাকা, যা গত সপ্তাহে ছিল ২৪০ থেকে ২৮০ টাকা।

মুরগির দামের বিষয়ে ব্যবসায়ী মো. মিজানুর বলেন, কয়েক সপ্তাহ ধরে মুরগির দাম কমতির দিকে। একমাসের মধ্যে ব্রয়লার মুরগির দাম কেজিতে ৪০ টাকা কমেছে। আমাদের ধারণা, সামনে মুরগির দাম আরো কমবে।

কারওয়ান বাজারের ব্যবসায়ী আনোয়ার হোসেন বলেন, বাজারে ব্রয়লার মুরগি ও সোনালি মুরগির সরবরাহ বেড়েছে। চাহিদা আগের থেকে বাড়েনি। বরং করোনা বেড়ে যাওয়ায় আগের থেকে চাহিদা কমেছে। একমাস আগে যে পরিমাণ মুরগি বিক্রি করেছি, এখন বিক্রি হচ্ছে তার থেকে কম। এ কারণেই মুরগির দাম কমেছে।

এদিকে, ভালো মানের দেশি পেঁয়াজের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকা। আমদানি করা ভারতীয় পেঁয়াজের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪৫ থেকে ৫০ টাকা। আলুর কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৫ টাকা। ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ১১০ থেকে ১১৫ টাকা। সপ্তাহের ব্যবধানে এসব পণ্যের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।

সবজির বাজার ঘুরে দেখা গেছে, পাকা টমেটোর কেজি বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ৩০ টাকা। গাজরের কেজি বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ৩০ টাকা। শিম মানভেদে বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৬০ টাকা। শীতের অন্যতম সবজি ফুলকপির পিস বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৬০ টাকা। শাল গমের (ওল কপি) কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৪০ টাকা।

এছাড়া, বরবটির কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৭০ টাকা। লাউয়ের পিস বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা। লালশাকের আঁটি ১০ থেকে ১৫ টাকা, পালংশাকের আঁটি বিক্রি হচ্ছে ১৫ থেকে ২০ টাকা। সপ্তাহের ব্যবধানে সবজি ও শাকের দামে খুব একটা হেরফের হয়নি।

সবজির দামের বিষয়ে কারওয়ান বাজারের ব্যবসায়ী নজরুল বলেন, এখন দিন যত যাবে, বাজারে শীতের সবজির সরবরাহ কমবে। সবজির দাম আর কমার সম্ভাবনা কম। তবে পাকা টমেটোর দাম সামনে আরো একটু কমতে পারে।

এছাড়া বাজারে দাম কমেছে চায়না রসুনের। চায়না রসুন প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকা। দেশি রসুন বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা কেজি। দেশি আদার কেজি ৬০ টাকা। চায়না আদার দাম কমে বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকা।

পেঁয়াজ-রসুন বিক্রেতা কবির হোসেন বলেন, আমদানি বেশি থাকায় কমেছে আদা, রসুন, আলু ও পেঁয়াজের দাম। দাম বাড়ার সম্ভাবনা খুবই কম।

এসব বাজারে কাঁচামরিচ প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা। কাঁচা কলার হালি বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকায়। পেঁপে প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকা। শসা বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকায়। লেবুর হালি বিক্রি হচ্ছে ২০ টাকা।

আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে ডাল। ইন্ডিয়ান ডালের কেজি ১০০ টাকা। গত সপ্তাহে ইন্ডিয়ান ডাল প্রতিকেজি বিক্রি হয় ৯০ থেকে ৯৫ টাকা। দেশি ডালের কেজি ১১৫ থেকে ১২০ টাকা।

বেড়েছে ভোজ্যতেলের দাম। প্রতি লিটার বিক্রি হচ্ছে ১৬৮ টাকা। বাজারে প্রতিকেজি চিনি বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকায়। এছাড়া প্যাকেট চিনির কেজি বিক্রি হচ্ছে ৮৫ টাকায়। আটা প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ৩৫ টাকায়।

মাছ বাজার ঘুরে দেখা গেছে, রুই মাছের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা। একই দামে বিক্রি হচ্ছে কাতল মাছ। শিং ও টাকি মাছের কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৫০ থেকে ৩৫০ টাকা। শোল মাছের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪০০ থেকে ৬০০ টাকা। তেলাপিয়া ও পাঙাস মাছের কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৫০ থেকে ১৭০ টাকা।

এক কেজি ওজনের ইলিশ মাছ বিক্রি হচ্ছে ১০০০ থেকে ১২০০ টাকা। ছোট ইলিশ মাছের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা। নলা মাছ বিক্রি হচ্ছে ১৭০ থেকে ২০০ টাকা কেজি। চিংড়ি বিক্রি হচ্ছে ৬০০ থেকে ৬৫০ টাকা কেজি। সপ্তাহের ব্যবধানে মাছের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমআরকে/এমএস

English HighlightsREAD MORE »