ফেসবুকে স্ট্যাটাস, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় রক্ত দিতে ছুটে এলেন জনপ্রতিনিধ

ঢাকা, শনিবার   ০১ অক্টোবর ২০২২,   ১৫ আশ্বিন ১৪২৯,   ০৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪৪

Beximco LPG Gas

ফেসবুকে স্ট্যাটাস, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় রক্ত দিতে ছুটে এলেন জনপ্রতিনিধি শাম্মী 

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ০৩:৩৩ ১৬ আগস্ট ২০২২  

জনপ্রতিনিধি শাম্মী আক্তার

জনপ্রতিনিধি শাম্মী আক্তার

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শাম্মী আক্তার নামে এক জনপ্রতিনিধি ফেসবুক স্ট্যাটাসের মাধ্যমে প্রয়োজনীয়তার কথা জেনে এক প্রসূতিকে রক্ত দিয়েছেন। সোমবার (১৫ আগস্ট) রাত ৮ টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে তিনি রক্ত দেন। 

শাম্মী আক্তার ব্রাহ্মণাবড়িয়া সদর উপজেলার সুহিলপুর ইউনিয়নের সংরক্ষিত (৭,৮,৯) আসনের সদস্য (মেম্বার)। তার স্বামী মো. মহসীন খন্দকার একই ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক মেম্বার।

জানা যায়, এক প্রসূতি মায়ের জন্য জরুরি ভিত্তিতে এক ব্যাগ ‘ও পজেটিভ’ রক্তের প্রয়োজন কথা বলে ডেইলি বাংলাদেশ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রতিনিধি চয়ন বিশ্বাসকে জানান জেলা শহরের কালায়শ্রীপাড়ার বাসিন্দা প্রসূতির স্বজন। পরে রক্তের প্রয়োজনীয়তার কথা জেনে ডেইলি বাংলাদেশ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রতিনিধি চয়ন বিশ্বাস কালের কণ্ঠের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রতিনিধি বিশ্বজিৎ পাল বাবুকে রক্তের প্রয়োজনীয়তার কথা বলেন। সাথে সাথে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেন কালের কণ্ঠের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রতিনিধি বিশ্বজিৎ পাল বাবু। 

স্ট্যাটাস দেওয়ার মিনিট দু’য়েকের মাথায় মো. মহসীন খন্দকার কমেন্টস এ নিজের মোবাইল ফোন নম্বর দিয়ে তিনি প্রস্তুত আছেন বলে উল্লেখ করেন। মো. মহসীন খন্দকার ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেখে নিজ থেকে ডেইলি বাংলাদেশ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রতিনিধি চয়ন বিশ্বাসকে ফোন দেন। রাত সাড়ে ৭টার দিকে তিনি স্ত্রী শাম্মী আক্তারকে নিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে হাজির হন। শাম্মী আক্তার সেখানেই প্রসূতিকে এক ব্যাগ রক্ত দেন।

মো. মহসীন খন্দকার বলেন, সাংবাদিকের স্ট্যাটাস দেখে মনে পড়ে যায় যে আমার স্ত্রীর রক্তের গ্রুপ ‘ও পজেটিভ’। জাতির জনকের শাহাদাৎবার্ষিকি উপলক্ষে সুহিলপুর ইউনিয়ন পরিষদে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠান থেকে তাকে নিয়ে দ্রুত হাসপাতালে চলে আসি।

শাম্মী আক্তার বলেন, ফেসবুক স্ট্যাটাসে রক্তের প্রয়োজনীয়তার কথা জেনে আমার স্বামী জানালে সঙ্গে সঙ্গেই রাজি হয়ে যাই। এ ধরণের মানবসেবামূলক কাজ করতে পেরে আমি খুশি। এই দিনে রক্ত দিতে পেরে আমার খুব ভালো লাগছে। যারা ওই প্রসূতি মাকে বাঁচাতে এগিয়ে এসেছে তাদের প্রতি আমার কৃতজ্ঞতা।

ওই প্রসূতি নারীর স্বজনরা রক্তদাতাসহ সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। তারা জানান, রক্ত পেলেই ওই নারীর চিকিৎসা শুরু করা যেতো। এত দ্রুত সময়ের মধ্যে রক্ত পেয়ে যাবো সেটা তারা ভাবতেও পারেননি। এর মধ্য দিয়ে মানবতার জয় হলো। তারা সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

ডেইলি বাংলাদেশ/এএইচএস

English HighlightsREAD MORE »