মেঘনার পানি বিপদসীমা অতিক্রম

ঢাকা, শনিবার   ০১ অক্টোবর ২০২২,   ১৫ আশ্বিন ১৪২৯,   ০৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪৪

Beximco LPG Gas

মেঘনার পানি বিপদসীমা অতিক্রম

চাঁদপুর প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ০২:৩২ ১৫ আগস্ট ২০২২  

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

চাঁদপুরের মেঘনা উপকূলীয় অঞ্চলে জোয়ারের পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমা অতিক্রম করেছে। যে কোনো সময় নিম্নাঞ্চলে পানি প্রবেশ করে প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এরইমধ্যে মেঘনা নদীর পশ্চিমে চরাঞ্চলে অনেক বসতবাড়ী পানিতে ডুবে গেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় মেঘনার পানির সর্বোচ্চ উচ্চতা ছিল ৪ দশমিক ১৫ সেন্টিমিটার। বাতাসের তীব্রতা বেড়ে যাওয়ায় পানি উচ্চতা আরো বৃদ্ধি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

চাঁদপুর পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় চাঁদপুরের পদ্মা-মেঘনা নদীতে পানির সর্বোচ্চ উচ্চতা ছিল ৪ দশমিক ১৫ সেন্টিমিটার। আর সর্বনিম্ন উচ্চতা ছিল ২ দশমিক ৯৮ সেন্টিমিটার। বর্তমানে মেঘনার পানি বিপদসীমার ১৫ সেন্টিমিটর ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। একই সঙ্গে বাতাসের তীব্রতায় নদীতে ঢেউ বেড়েছে।

হাইমচর উপজেলার নীলকমল ইউপির সাবেক ইউপি সদস্য মিজানুর রহমান জানান, ইউনিয়নের ইশানবালা এলাকায় মেঘনার পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় ভাঙন দেখা দিয়েছে। পাশাপাশি ইউনিয়নের মধ্যচর এলাকায় বসতঘর ও স্কুল পানিতে তলিয়েগেছে। গত ১১ আগস্ট থেকে পানি বাড়তে শুরু করে, আজকে ১৪ আগস্ট সকাল পর্যন্ত একই অবস্থা।

একই উপজেলার আলগী উত্তর ইউনিয়নের বাসিন্দা মো. মহসিন মিয়া জানান, মেঘনার পানি সকালে ও রাতে জোয়ারে বেশি বাড়ে। এখনো লোকালয়ে প্রবেশ করে নি। পানি বাড়লে যে কোনো সময় বেড়িবাঁধের বাইরের এলাকা প্লাবিত হতে পারে। বিশেষ করে মাছ চাষিরা ঝুঁকিতে আছেন।

সদর উপজেলার ইব্রাহীমপুর ইউপির চরফতেজংপুর গ্রামের ব্যবসায়ী মনসুর খান জানান, পানি বৃদ্ধি হওয়ার কারণে উচুঁ রাস্তায় পানি না উঠলেও বাড়িতে যাওয়ার সরু রাস্তাগুলো পানিতে ডুবে গেছে। বিশেষ করে জোয়ারের সময় হাঁটু সমান পানি হয়।

চাঁদপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, মেঘনা সর্বশেষ পানির উচ্চতা ৪ দশমিক ১৫ সেন্টিমিটার। আজ সকাল থেকে বাতাসের তীব্রতা বেড়েছে। আজকে পানির উচ্চতা আরো বৃদ্ধি পেতে পারে। তবে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বাতাসের তীব্রতা কমলে তখন পানি বিপদসীমার নিচে নামবে।

তিনি বলেন, চাঁদপুর শহর রক্ষাবাঁধের পর থেকে সদর ও হাইমচর উপজেলার প্রায় ২২ কিলোমিটার নদী তীর রক্ষা বাঁধ মেঘনা উপকূলে। পানি বৃদ্ধি হওয়ার কারণে এসব এলাকা এখনো কোন ধরণের সমস্যা হয়নি। তবে আমরা সতর্ক আছি।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমকে

English HighlightsREAD MORE »