লাশ মেঝেতে দেখে স্থানীয়রা, গলায় দাগ পায় পুলিশ
নাটোরে কলেজছাত্রকে বিয়ে করা আলোচিত সেই শিক্ষিকা খাইরুন নাহারের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার সকালে নাটোরে বলারিপাড়া এলাকার হাজী নান্নু মোল্লা ম্যানশনের চারতলার একটি ফ্লাট থেকে তার লাশটি উদ্ধার করা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ওসি মো. নাছিম আহমেদ।
তিনি বলেন, ‘ধারণা করা হয়েছে খাইরুন নাহার বাসার সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। তার গলায় দাগ রয়েছে। তার স্বামী মামুন হোসেনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। ’
স্থানীয় মো. রতন ও সুজন আলীসহ অনেকেই জানান, ভোরে মামুন ভবনের অন্য বাসিন্দাদের জানায় তার স্ত্রী খাইরুন নাহার আত্মহত্যা করেছেন। লোকজন তার বাসায় গিয়ে খাইরুন নাহারের লাশ মেঝেতে শোয়ানো অবস্থায় দেখতে পান। তাদের সন্দেহ হওয়ায় তারা মামুনকে বাসার মধ্যে আটকে পুলিশে খবর দেন।
খাইরুন নাহার গুরুদাসপুর উপজেলার খামারনাচকৈড় মহল্লার মো. খয়ের উদ্দিনের মেয়ে। তার স্বামী মামুন হোসেন একই উপজেলার ধারাবারিষা ইউনিয়নের পাটপাড়া গ্রামের মোহাম্মদ আলীর ছেলে ও নাটোর নবাব সিরাজ-উদ-দৌলা সরকারি কলেজের ডিগ্রি দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র।
খুবজীপুর মোজাম্মেল হক ডিগ্রি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আবু সাইদ বলেন, খাইরুন নাহারের আত্মহত্যার খবর পেয়ে আমরা মর্মাহত। তাকে নিয়ে সমাজের মানুষ নানা রকম মন্তব্য করেছেন।
নাটোরের পুলিশ সুপার লিটন কুমার সাহা বলেন, অসম কলেজছাত্র-শিক্ষিকার বিয়ে নিয়ে বিভিন্ন নেতিবাচক পরিবেশন, সামাজিক ও পারিবারিক ভৎসনার কারণেই আত্মহত্যা করেছে বলে মনে হচ্ছে। এ ঘটনায় সিআইডির বিশেষ টিম তদন্ত শুরু করেছে। তদন্তের ফলাফলের ওপর নির্ভর করে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।