শালিকের সঙ্গে ভাব জমিয়েছেন নান্নু

ঢাকা, বুধবার   ০৫ অক্টোবর ২০২২,   ২১ আশ্বিন ১৪২৯,   ০৮ রবিউল আউয়াল ১৪৪৪

Beximco LPG Gas

শালিকের সঙ্গে ভাব জমিয়েছেন নান্নু

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ২১:২৩ ২ আগস্ট ২০২২   আপডেট: ২১:২৫ ২ আগস্ট ২০২২

শালিকদের খাবার দিচ্ছেন মো. নান্নু- ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

শালিকদের খাবার দিচ্ছেন মো. নান্নু- ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ভোলার লালমোহন উপজেলার ফুলবাগিচা বাজারে ছোট্ট একটি চায়ের দোকানের মালিক মো. নান্নু। প্রতিদিন ফজরের নামাজ পড়ে দোকান খোলেন তিনি। আর দোকান খুলেই পাখিদের খাবার হিসেবে দেন নিজের দোকানের রুটি, বিস্কুট আর মুড়ি।

গত পাঁচ বছর ধরে তিনি এ কাজ করে আসছেন। প্রথম তিন বছর নিয়মিত ১৫ থেকে ২০টি শালিক পাখি খাবার খেতে আসলেও বর্তমানে শালিকের সংখ্যা এসে দাঁড়িয়েছে প্রায় ২০০টি। এ যেন মানুষ আর পাখির মধ্যে রীতিমতো ভাব জমে উঠেছে।

নান্নুর সঙ্গে শালিকের এমন সখ্য এলাকাবাসীরও মন কেড়েছে। নান্নু লালমোহন উপজেলার লালমোহন ইউনিয়নের ফুলবাগিচা এলাকার দরবেশ বাড়ির মো. হোসেনের ছেলে।

শালিক পাখিদের সঙ্গে এমন সম্পর্কের ব্যাপারে মো. নান্নু মিয়া বলেন, পাঁচ বছর আগে দেখতাম বেশকিছু শালিক ভোরে দোকানের সামনে বসে থাকে। তখন মাঝে মধ্যে শালিকদের খাবার দিতাম। ধীরে ধীরে শালিকের সংখ্যা বাড়তে থাকে। শালিকগুলোর প্রতি আমার এক ধরনের মায়া সৃষ্টি হয়। এরপর থেকে নিয়মিত খাবার দিয়ে থাকি।

তিনি আরো বলেন, এখন ২০০টির মতো শালিক প্রতিদিন ভোরে আমার দোকানের সামনে আসে। আমি ঐ শালিকগুলোর খাবার দিয়ে থাকি। শালিক পাখিগুলোর কিচিরমিচির ডাক সত্যিই ভালো লাগে। এতে মনেও অনেকটা প্রশান্তি মেলে। এ কারণেই এসব শালিকের এখন নিয়ম করে প্রতিদিন খাবার দিচ্ছি।

ন্যাচার কনজারভেশন কমিটি (এনসিসি) এর ভোলার সমন্বয়কারী মো. জসিম জনি বলেন, পাখির প্রতি মানুষের এ ধরনের ভালোবাসা থাকা উচিত। তাহলে পাখি বিলুপ্তির হাত থেকে রক্ষা পাবে। পাখি বিভিন্ন উপায়ে পরিবেশের অনেক উপকারে আসে। এজন্য আমাদের প্রত্যেকেরই উচিত পাখির প্রতি উদারতা দেখানো।

ডেইলি বাংলাদেশ/এইচএন

English HighlightsREAD MORE »