আওয়ামী লীগ নেতা হত্যায় ৭ জনের যাবজ্জীবন
15-august

ঢাকা, রোববার   ১৪ আগস্ট ২০২২,   ৩১ শ্রাবণ ১৪২৯,   ১৫ মুহররম ১৪৪৪

Beximco LPG Gas
15-august

আওয়ামী লীগ নেতা হত্যায় ৭ জনের যাবজ্জীবন

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৫:১৬ ১৬ জুন ২০২২  

রায় ঘোষণার পর করাগারে পাঠায় আদালত

রায় ঘোষণার পর করাগারে পাঠায় আদালত

লক্ষ্মীপুরে আওয়ামী লীগ নেতা আহসান উল্যাহ হত্যা মামলায় সাতজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। একই সঙ্গে তাদের ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে আরো এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ রহিবুল ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডিতরা হলেন- ৩৯ বছর বয়সী মো. মুরাদ, ২৮ বছরের জাকির হোসেন, ৩৫ বছরের মো. রিপন, ৩১ বছরের নিশান, ৩৭ বছরের মো. সুমন, ৩২ বছরের মো. কামাল ও ৪৬ বছরের মো. আলমগীর হোসেন।

এর মধ্যে রায় ঘোষণার সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন সুমন। বাকিরা পলাতক রয়েছেন। দণ্ডিত সবার বাড়ি সদর উপজেলার বশিকপুর ইউনিয়নের নন্দীগ্রামে।

আদালতের পিপি জসিম উদ্দিন বলেন, আহসান উল্যাহ সদর উপজেলার বশিকপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ছিলেন। তিনি সদর উপজেলার বশিকপুর ইউনিয়নের পোদ্দার বাজার হাবুল্লার ফলের দোকানে কাজ করতেন। ২০১৪ সালের ২৫ জুলাই রাত ৩টার দিকে দোকান থেকে তিনি বাড়ি ফিরছিলেন। ওই সময় ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার মাথা ও পিঠে আঘাত করেন আসামিরা। পরে চিৎকার করলে পেট ও পিঠে গুলি করেন তারা।

আহসান উল্যাহর ছেলে ও স্ত্রীসহ স্বজনরা ঘটনাস্থল গেলে আসামিরা পালিয়ে যান। কিন্তু কাউকেই তারা চিনতে পারেননি। এ সময় রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকা আহসান উল্যাহর পাশে আসামিদের একটি মোবাইল ফোন পাওয়া যায়।

তাৎক্ষণিক আহসান উল্যাহকে উদ্ধার করে পোদ্দারবাজার জেনারেল হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করে। এ ঘটনায় পরদিন ২৬ জুলাই অজ্ঞাতদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন তার ছেলে মো. আলম।

এ ঘটনায় ২০১৫ সালের ২৬ জুন সাতজনের বিরুদ্ধে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা। তখন মো. কামাল ও আলমগীর হোসেন নামে দুজনকে গ্রেফতার দেখানো হয়। অন্য আসামিরা পলাতক ছিলেন। পরে জামিন নিয়ে এ দুজনও পালিয়ে যান। জমি নিয়ে বিরোধের জেরে আলমগীরের সঙ্গে আহসানের বিরোধ ছিল। এরই জেরে তাকে হত্যা করা হয় বলে স্বীকারোক্তিতে জানান তারা।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমআর

English HighlightsREAD MORE »