উপজেলা চেয়ারম্যান বাবা ও ইউপি চেয়ারম্যান ছেলের শপথ গ্রহণ

ঢাকা, শনিবার   ০১ অক্টোবর ২০২২,   ১৫ আশ্বিন ১৪২৯,   ০৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪৪

Beximco LPG Gas

উপজেলা চেয়ারম্যান বাবা ও ইউপি চেয়ারম্যান ছেলের শপথ গ্রহণ

নেত্রকোনা প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৬:৩৮ ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২২  

উপজেলা চেয়ারম্যান বাবা ও ইউপি চেয়ারম্যান ছেলে ফাইল ছবি

উপজেলা চেয়ারম্যান বাবা ও ইউপি চেয়ারম্যান ছেলে ফাইল ছবি

বাবা মো. নুরুল ইসলাম নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এবং তার ছেলে মো. শাহীন মিয়া শপথ নিয়েছেন একই উপজেলার ৩ নম্বর দলপা ইউপি চেয়ারম্যান হিসেবে।

মঙ্গলবার দুপুরে নেত্রকোনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ইউপি চেয়ারম্যান ছেলে মো. শাহীন মিয়ার এ শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে। 

চেয়ারম্যান এই বাবা ও ছেলের বাড়ি কেন্দুয়া উপজেলার দলপা ইউপির রামনগর গ্রামে। উপজেলা চেয়ারম্যান মো. নুরুল ইসলাম উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি এবং একাধারে তিনি একজন কবি, নাট্যকার, গীতিকার, লোকসাহিত্য গবেষক, সংগ্রাহক ও বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব। 

ইউপি চেয়ারম্যান ছেলে শাহীন মিয়া এলাকায় একজন সাদামাটা, বন্ধু বৎসল, পরোপকারী ও সাধারণ মানুষের সেবায় নিবেদিত ব্যক্তি হিসাবে সুপরিচিত। তিনি পঞ্চম ধাপে অনুষ্ঠিত ইউপি নির্বাচনে আওয়ামী মনোনীত প্রার্থী হিসেবে নৌকা প্রতীক নিয়ে দলপা ইউপি চেয়ারম্যান পদে লড়াই করে বিজয়ী হন।

এদিকে বাবা ২০১৯ সালে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় কেন্দুয়া উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর এবার ছেলে শাহীন মিয়াও দলপা ইউপি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ায় তাদের প্রতি এলাকার সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা অনেকটাই বেড়ে গেছে। বিশেষ করে দলপা ইউনিয়নবাসী খুবই খুশি। তাদের প্রত্যাশা যেহেতু বাবা উপজেলা চেয়ারম্যান এবং ছেলেও ইউপি চেয়ারম্যান হয়েছেন। তাই দলপা ইউনিয়নে উন্নয়ন কার্যক্রমও বেশি হবে এবং ইউপির সাধারণ মানুষ সরকারি সব ধরনের সেবা পাবে। 

দলপা ইউপির ইটাউতা গ্রামের বাসিন্দা আবুল কালাম বলেন, আমাদের ইউনিয়নের মানুষ খুবই ভাগ্যবান। আমরা একই ইউনিয়নে বাবা-ছেলে দুজন চেয়ারম্যান পেয়েছি। তাই তাদের প্রতি আমাদের চাওয়া এবং প্রত্যাশাও বেশি। আশা করি, উপজেলার ১৩টি ইউপির মধ্যে আমাদের ইউনিয়নটিকে তারা একটি মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলবেন। সব রকম উন্নয়ন হবে এবং কোনো মানুষই সরকারি সেবা থেকে বঞ্চিত হবেন না।

দলপা ইউপি চেয়ারম্যান মো. শাহীন মিয়া বলেন, ইউনিয়নবাসী নৌকা প্রতীকে ভোট দিয়ে আমাকে চেয়ারম্যান নির্বাচিত করেছেন। আমি তাদের সেবক এবং একজন সেবক হয়েই সাধারণ মানুষের সুখে-দুঃখে সব সময় তাদের পাশে থাকতে চাই। 

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং স্থানীয় এমপি অসীম কুমার উকিলের প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘নৌকা হল উন্নয়নের প্রতীক। এলাকার ভোটাররা এই উন্নয়নের প্রতীকে ভোট দিয়ে আমাকে চেয়ারম্যান বানিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর সকল উন্নয়ন কাজ আমার ইউনিয়নে যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করব ইনশাআল্লাহ। ইউপির কোনো মানুষই সরকারি কোনো সুবিধা থেকে বঞ্চিত হবে না। ইউপির সব সদস্য, সংরক্ষিত আসনের নারী সদস্যসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি ও সাধারণ মানুষকে সঙ্গে নিয়ে ইউনিয়নটিকে একটি মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে চাই।

কেন্দুয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. নুরুল ইসলাম বলেন, আমরা যেহেতু বাবা-ছেলে দুজনই চেয়ারম্যান, সেহেতু আমার এলাকার সাধারণ মানুষসহ পুরো উপজেলাবাসীরই প্রত্যাশা রয়েছে। আমরা সে প্রত্যাশা পূরণ করার চেষ্টা করছি। 

তিনি বলেন, ‘জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শকে বুকে ধারণ করে রাজনীতি করেছি এবং এখনও করছি। আর এ জন্যই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৯ সালের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আমাকে দলীয় প্রার্থী হিসাবে মনোনয়ন দেন এবং বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হই। এ জন্য তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও স্থানীয় এমপি কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাংস্কৃতিক সম্পাদক অসীম কুমার উকিলকে অশেষ কৃতজ্ঞতা জানান। 

তিনি আরো বলেন, ‘শেখ হাসিনার সরকার, উন্নয়নের সরকার। এ সরকারের প্রত্যেকটি উন্নয়ন কাজ আমরা তৃণমূল পর্যায়ে সুন্দরভাবে বাস্তবায়ন করে যাচ্ছি। সরকারের নানামুখী কর্মকাণ্ডে সাধারণ মানুষ খুবই সন্তুষ্ট। আমরা এই সন্তুষ্টির জায়গাটি অক্ষুন্ন রাখার চেষ্টা করছি।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমকে

English HighlightsREAD MORE »