ফাঁসির রায় শুনে যেমন ছিলেন ওসি প্রদীপ

ঢাকা, বৃহস্পতিবার   ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২২,   ১৪ আশ্বিন ১৪২৯,   ০২ রবিউল আউয়াল ১৪৪৪

Beximco LPG Gas

ফাঁসির রায় শুনে যেমন ছিলেন ওসি প্রদীপ

কক্সবাজার প্রতিনিধি  ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৮:১১ ৩১ জানুয়ারি ২০২২  

আদালত প্রাঙ্গণে ওসি প্রদীপ (ফাইল ফটো)

আদালত প্রাঙ্গণে ওসি প্রদীপ (ফাইল ফটো)

কক্সবাজারের মেরিন ড্রাইভে অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান হত্যাকাণ্ডে টেকনাফ মডেল থানার বরখাস্ত হওয়া ওসি প্রদীপ কুমার দাশ ও বাহারছড়া পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের সাবেক ইনচার্জ লিয়াকত আলীকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। 

ফাঁসির রায় শুনে চোখে পানি নিয়ে মলিন চেহারায় চুপচাপ এজলাসের কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে ছিলেন সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশ। তার চেহারা দেখে মনে হয়েছে, তিনি কিছু বলতে চাইলেও যেনও মুখ থেকে কোনো কথা বের হচ্ছে না। এক কথায়, ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের রায় শুনে তিনি যেন একটি জীবন্ত লাশ বনে গেছেন। প্রায় একই চিত্র দেখা গেছে ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ইন্সপেক্টর লিয়াকত আলীর চেহারাতেও।

প্রত্যক্ষদর্শী আইনজীবী ও সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলে এমন তথ্যই জানা গেছে।  সোমবার (৩১ জানুয়ারি) বিকেল ৪টা ২১ মিনিটে কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ ইসমাইল এ রায় ঘোষণা করেন।

আরো পড়ুন: সিনহা হত্যায় প্রদীপ-লিয়াকতের মৃত্যুদণ্ড, ৬ জনের যাবজ্জীবন

এছাড়া ঐ মামলায় এপিবিএনের তিন সদস্যসহ ৭ জনকে খালাস ও বাকি ৬ জনের যাবজ্জীবন দেওয়া হয়েছে।

যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত ৬ জন হলেন- নন্দদুলাল রক্ষিত, নুরুল আমিন, নিজাম উদ্দিন, আইয়াছ উদ্দিন, রুবেল শর্মা ও সাগর দেব।

খালাস পেয়েছেন- শাহজাহান আলী, রাজীব হোসেন, আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ ইমন, লিটন মিয়া, সাফানুর করিম, কামাল হোসেন আজাদ ও আব্দুল্লাহ আল মামুন।

এদিকে, রায় ঘোষণা উপলক্ষে কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালত প্রাঙ্গণে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

আরো পড়ুন: ইভ্যালির লকার কেটে যা পাওয়া গেল

কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) রফিকুল ইসলাম  বলেন, সকাল থেকে পুলিশ সদস্যরা নিরাপত্তা নিশ্চিতে দায়িত্ব পালন করছেন। মেজর সিনহা হত্যা মামলার রায়কে কেন্দ্র করে যেকোনো পরিস্থিতি এড়াতে আমরা প্রস্তুত আছি।

প্রসঙ্গত, ২০২০ সালের ৩১ জুলাই রাতে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কের শামলাপুর বাহারছড়া চেকপোস্টে পুলিশের গুলিতে নিহত হন অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান। ঘটনার পাঁচদিন পর ৫ আগস্ট ৯ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেন নিহত সিনহার বোন শারমিন শাহরিয়ার ফেরদৌস। মামলাটি তদন্তের দায়িত্ব পায় র‍্যাব।

চার মাস পর ২০২০ সালের ১৩ ডিসেম্বর ১৫ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট জমা দেন তদন্ত কর্মকর্তা। অভিযোগপত্রে সিনহা হত্যাকাণ্ডকে ‘পরিকল্পিত ঘটনা’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএডি

English HighlightsREAD MORE »