খুন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছিলেন ৮ বছর, বাড়ি ফিরতেই ধরা

ঢাকা, মঙ্গলবার   ১৭ মে ২০২২,   ৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯,   ১৫ শাওয়াল ১৪৪৩

Beximco LPG Gas

খুন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছিলেন ৮ বছর, বাড়ি ফিরতেই ধরা

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৪:৪১ ১৯ জানুয়ারি ২০২২  

গ্রেফতার জাশেদ মিয়া চৌধুরী

গ্রেফতার জাশেদ মিয়া চৌধুরী

চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ার চাঞ্চল্যকর মাহবুব হত্যা মামলার পলাতক আসামি মো. জাশেদ মিয়া চৌধুরী ওরফে সন্ত্রাসী জাশেদকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব। বুধবার দুপুরে এ তথ্য নিশ্চিত করেন র‍্যাব-৭ এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) নুরুল আবছার।

এর আগে, মঙ্গলবার রাতে ফেনীর ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মহিপাল এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার জাশেদ রাঙ্গুনিয়া উপজেলার পেয়ার মোহাম্মদ চৌধুরীর বাড়ির মো. আব্দুল মান্নান চৌধুরীর ছেলে।

সিনিয়র সহকারী পরিচালক নুরুল আবছার জানান, ২০১৪ সালের ১৬ নভেম্বর দুপুরে রাঙ্গুনিয়ার ইসলামপুর গলাচিপা এলাকার একটি চায়ের দোকান থেকে মাহবুব আলমকে তুলে নিয়ে যায় একদল দুর্বৃত্ত। নেয়ার পর তাকে প্রথমে লোহার রড দিয়ে বেধড়ক পেটানো হয়। এরপর ছুরিকাঘাত করা হয়।

এতেও ক্ষান্ত হননি খুনিরা। মাহবুবের মাথার পেছনের অংশে হকস্টিক দিয়ে আঘাত করে কেটে দেন পায়ের গোড়ালি। এরপর গুলি করে মৃত্যু নিশ্চিত করেন। ওই ঘটনায় ২১ নভেম্বর রাঙ্গুনিয়া থানায় হত্যা মামলা করেন মাহবুবের স্ত্রী।

ওই মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা নিয়ে আট বছর ধরে পালিয়ে বেড়াচ্ছিলেন আসামি জাশেদ মিয়া চৌধুরী। এরই মধ্যে তিনি যাত্রীবাহী বাসে ঢাকা থেকে রওনা হয়ে চট্টগ্রাম আসছেন- এমন সংবাদে ফেনীর ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মহিপাল এলাকায় অবস্থান নেয় র‍্যাব। একপর্যায়ে একটি যাত্রীবাহী বাস থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

র‍্যাব কর্মকর্তা নুরুল আবছার আরো জানান, গ্রেফতারের পর জিজ্ঞাসাবাদে তিনি মামলাটির পরোয়ানাভুক্ত পলাতক আসামি বলে স্বীকার করেন জাশেদ। এলাকায় আধিপত্য বিস্তার, কাঠ ও বালু ব্যবসার বিরোধের জেরে মাহবুবকে পরিকল্পিতভাবে তুলে নিয়ে ঠান্ডাছড়ি এলাকায় ছুরিকাঘাত ও গুলি করে হত্যা করা হয় বলে জানান।

জাশেদের বিরুদ্ধে রাঙ্গুনিয়া থানায় হত্যা মামলা ছাড়াও ডাকাতি, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কার্যক্রমের অভিযোগে মোট চারটি মামলা হয়েছে। পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নিতে তাকে রাঙ্গুনিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমআর

English HighlightsREAD MORE »