পড়া মনে রাখার উপায়

ঢাকা, রোববার   ২৩ জানুয়ারি ২০২২,   ৯ মাঘ ১৪২৮,   ১৮ জমাদিউস সানি ১৪৪৩

পড়া মনে রাখার উপায়

শিক্ষাঙ্গন ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৮:১৬ ১৫ জানুয়ারি ২০২২  

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

পড়া মনে থাকে বা যা পড়েন ভুলে যান-এমন সমস্যা কমবেশি প্রত্যেক ছাত্রছাত্রীর মধ্যে দেখা যায়। অনেকে আবার দীর্ঘ সময় পড়ে অল্প সময়ের জন্য মনে রাখতে পারলেও পরক্ষণে আবার তা ভুলে যান। আবার অনেকে অল্প সময় পড়েও বেশ মনে রাখতে পারে শুধুমাত্র কৌশল অবলম্বন করে। তাই পড়া মনে রাখার কিছু পদ্ধতি দেয়া হলো।
 
সময় নির্বাচন: লেখাপড়ার জন্য কোন সময়টা বেছে নিতে হবে, তা একেকজনের কাছে একেক রকম। কেউ রাত জেগে পড়াশোনা করে, কেউ সকালটাকেই মুখ্য সময় হিসেবে বেছে নেয়। তবে বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যায় ঘুমের পর ভোরবেলাই পড়াশোনার উপযুক্ত সময় হিসেবে মনে করা হয়। তাই এই সময়ে পড়াশোনা করতে পারেন।

জোরে শব্দ করে পড়া: জোরালো কণ্ঠে শব্দ করে জোরে জোরে পড়ুন। পড়া মনে রাখার এটি একটি কার্যকরী পন্থা। উচ্চঃস্বরে পড়লে শব্দগুলো কানে প্রতিফলন হয়ে তা মস্তিষ্কে সহজেই ধারণ করে। জোরে পড়লে মাথায় তথ্য দ্রুত ঢুকে যায়।

অর্থ বুঝে পড়া: ইংরেজি পড়া মুখস্ত করার আগে শব্দের অর্থটা জেনে নিনি। অর্থ না জানলে পুরো পড়াটাই বিফলে যাবে। নতুন নতুন অর্থ জানার মাধ্যমে আপনার পড়ার প্রতি আগ্রহ বাড়বে। পড়াতে আনন্দও পাবেন।

লক্ষ্য স্থির করা: পড়তে বসার আগে লক্ষ্য স্থির করুন। বইয়ের কত পাতা পর্যন্ত কত সময়ের মধ্যে শেষ করবেন তা ঠিক করে নিন। তাতে পড়াশোনার প্রতি মনোযোগ আসবে সঙ্গে সময়ের অপচয়ও কমে যাবে।

নোট করা: পড়ার সময় হাতের কাছেই খাতা কলম রাখুন। নতুন কোনো কিছু পেলেই তা নোট করে ফেলুন। এছাড়াও যা শিখবেন তা যদি নোট করেন তাহলে সেগুলো মনে থাকবে বেশি। লেখার মাধ্যমে তা দ্রুত মাথায় ঢুকে যাবে এবং সহজে ভুলবেন না।

চিউইং গাম চিবান: পড়ার সময় চিউইংগাম চিবোতে পারেন। এক গবেষণায় দেখা গেছে, চিউইং গাম চিবোতে চিবোতে পড়লে তা মাথায় দ্রুত প্রবেশ করে। এ সময় মস্তিষ্কের কার্যক্রম দ্রুত হয় এবং গামের ফ্লেভার বেশ উপকারী হয়ে ওঠে।

পড়ার মাঝে বিরতি নিন: একটানা অনেকক্ষণ পড়বেন না। তাতে অস্থিরতা চলে আসবে। একবার উঠে গেলে আর পড়তে বসার আগ্রহ আসবে না। এই জন্য পড়ার মাঝে বিরুত রাখুন। এতে আপনার পড়ার স্পৃহা বাড়বে।

হাঁটুন: বেশ কিছুক্ষণ পড়ার পর ১৫-২০ মিনিট হেঁটে আসুন। এতে দেহের রক্ত চলাচল বৃদ্ধি পাবে এবং মস্তিষ্ক বিশ্রাম পাবে। পড়ায় মনোযোগ আসবে।

ইন্টারনেটের সাহায্য নিন: আধুনিক যুগে পড়াশোনার বড় সুবিধা দেয় ইন্টারনেট। বিভিন্ন টপিক সম্পর্কে ধারণা নিন। যে বিষয়ে পড়ছেন তার সংশ্লিষ্ট অনেক কিছুই হয়তো বইয়ে নেই। এগুলো ইন্টারনেটে দেখে নিন। এতে ধারণা পরিষ্কার হবে।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেডএম

English HighlightsREAD MORE »