এবার রানির কাছেও ক্ষমা চাইলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী

ঢাকা, শুক্রবার   ২৮ জানুয়ারি ২০২২,   ১৪ মাঘ ১৪২৮,   ২৩ জমাদিউস সানি ১৪৪৩

Beximco LPG Gas

এবার রানির কাছেও ক্ষমা চাইলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৮:০৯ ১৫ জানুয়ারি ২০২২   আপডেট: ১৮:১২ ১৫ জানুয়ারি ২০২২

ছবি: ব্রিটিশ রানি ও প্রধানমন্ত্রী

ছবি: ব্রিটিশ রানি ও প্রধানমন্ত্রী

ডিউক অব এডিনবরা প্রিন্স ফিলিপের শেষকৃত্যের আগের সন্ধ্যায় দু’টি পার্টি আয়োজনের ঘটনায় রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন।

শনিবার (১৫ জানুয়ারি) স্থানীয় সংবাদমাধ্যম বিবিসি এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

এ ব্যাপারে প্রথম খবর প্রকাশ করে ব্রিটিশ দৈনিক দ্য টেলিগ্রাফ। দৈনিকটির প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২১ সালের ১৭ এপ্রিল প্রিন্স ফিলিপের শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়। আগের দিন সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রী বরিসের যোগাযোগ কর্মকর্তা জেমস স্ল্যাকের বিদায় উপলক্ষে ১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিটে দুটি পার্টির আয়োজন করা হয়। সে সময় দেশটিতে জাতীয় শোক চলছিল।

আরো পড়ুন>> শুনতে অসুবিধে হচ্ছিল যুবকের, কান থেকে আস্ত তেলাপোকা বের করলেন চিকিৎসক!

টেলিগ্রাফ জানায়, ওই পার্টিতে মদপানের ব্যবস্থা ছিল। ছিল নাচের আয়োজনও। তবে প্রধানমন্ত্রী বরিস সেই পার্টিতে যোগ দেননি। আবার পার্টিতে না থাকলেও করোনার বিধিনিষেধ ভেঙে ১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিটে এমন আয়োজন করেছিলেন বরিস। এ কারণে তার ওপর ক্ষুব্ধ বিরোধী দলগুলো। তারা প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের কর্মীদের আচরণ ও শেষকৃত্য অনুষ্ঠানে রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের একাকী বসে থাকার ঘটনা তুলনা করছেন।

আরো পড়ুন>> এবার ‘কৃত্রিম চাঁদ’ বানাল চীন

ইতোমধ্যে দেশটির প্রধান বিরোধী দল লেবার পার্টি, লিবারেল ডেমোক্র্যাটস এবং স্কটিশ ন্যাশনাল পার্টির পক্ষ থেকে বরিসের পদত্যাগ দাবি করা হয়েছে। এছাড়া বরিসের দল কনজারভেটিভ পার্টির নেতারাও তার পদত্যাগ চাইছেন। যদিও বরিস এ ঘটনায় পার্লামেন্টের হাউস অব কমন্সে ক্ষমা চেয়েছিলেন।

আরো পড়ুন>> যৌতুক চাওয়ায় জামাইকে বাড়িতে ডেকে বেধড়ক পিটুনি

কনজারভেটিভ পার্টির স্কটল্যান্ডের নেতা ডগলাস রোস বলেন, বরিস একজন প্রধানমন্ত্রী। তার সরকার আইন বাস্তবায়নে কাজ করছে। কিন্তু তিনি যে ধরনের কাজ করেছেন, এজন্য তাকে জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে। এ সময় ‘১৯২২ কমিটির’ কাছে বরিসের নেতৃত্ব নিয়ে আস্থা ভোটের আয়োজন করতে চিঠি লিখবেন বলে জানান রোস।

প্রসঙ্গত, ১৯২২ কমিটির আনুষ্ঠানিক নাম কনজারভেটিভ প্রাইভেট মেম্বারস কমিটি। এই কমিটি কনজারভেটিভ পার্টির নেতৃত্ব নির্বাচনে কাজ করে থাকে। যদি দলের ৫৪ জন আইনপ্রণেতা এই কমিটির কাছে চিঠি লেখেন, তবে প্রধানমন্ত্রী বরিসের নেতৃত্ব চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে। আর এমন আইনপ্রণেতার সংখ্যা দেশটিতে দিন দিন বাড়ছে।

ডেইলি বাংলাদেশ/মাহাদী

English HighlightsREAD MORE »