শিশু তানিশা হত্যা মামলা: ২২ বার পিছিয়েছে সাক্ষ্যগ্রহণ

ঢাকা, বুধবার   ০৮ ডিসেম্বর ২০২১,   অগ্রহায়ণ ২৪ ১৪২৮,   ০২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৩

শিশু তানিশা হত্যা মামলা: ২২ বার পিছিয়েছে সাক্ষ্যগ্রহণ

ফেনী প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৮:৪৩ ২৭ অক্টোবর ২০২১  

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

ফেনীর সোনাগাজী পৌর শহরের চরগণেশ এলাকার শিশু আছমা আক্তার তানিশা হত্যা মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ ছিল গত সোমবার। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সাক্ষ্য দিতে না আসায় আগামি ২৫ নভেম্বর পরবর্তী তারিখ ঘোষণা করেন অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত।

জানা যায়, সাক্ষী না আসায় মামলাটির বিচারকাজ থমকে আছে। সর্বশেষ ২০১৭ সালের ৩১ জানুয়ারি এ মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ হয়। ৪০ জন সাক্ষীর মধ্যে ২০ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ হয়েছে।

জানা গেছে, ২০১১ সালের ২৯ অক্টোবর রাতে জসিম উদ্দিনের পরিবারের ওপর প্রতিবেশী সেলিম ও তার পরিবারের লোকজন হামলা চালানো হয়। হামলায় আহত শিশু কন্যা তানিশাকে চট্টগ্রাম নেয়ার পথে মারা যায়। এ ঘটনায় তার মামা নুর মোহাম্মদ সোহেল বাদী হয়ে ৫ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করেন।

মামলাটির প্রথম তদন্তের দায়িত্ব পান এসআই শ্রীধাম চন্দ্র দাস ও শ্যামল কান্তি দাস। পুলিশ থেকে মামলাটি অপরাধ তদন্ত বিভাগে (সিআইডি) স্থানান্তরিত হয়। সিআইডি পরিদর্শক নুরুল ইসলাম ২০১৩ সালের ২৭ নভেম্বর সেলিম খান ও সাপুয়া খাতুনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। তৎকালীন জেলা ও দায়রা জজ দেওয়ান মো. সফি উল্যাহ ২০১৪ সালের ৫ মে অভিযোগ গঠন করে বিচার কাজ শুরু করেন।

জানা যায়, ২০১৭ সালের জানুয়ারি মাসে সাক্ষ্যগ্রহণের পর আর কোনো সাক্ষী আসেনি। আদালত ওই বছরের ৩১ মার্চ, ১৫ মে, ২০ জুন, ৮ আগস্ট, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ সালের ২ জানুয়ারি, ২৭ মার্চ, ২২ মে, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ সালের ১৭ জানুয়ারি, ৯ মে, ২৮ আগস্ট, ২০২০ সালের ১৫ জানুয়ারি, ৩১ জানুয়ারি, ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২৪ ফেব্রুয়ারি, ১৬ আগস্ট, চলতি বছরের ২৪ মার্চ, ১০ অক্টোবর, ২৫ অক্টোবর, ১১ নভেম্বর সাক্ষ্যগ্রহণের ধার্য তারিখ ছিল।

আদালতের বেঞ্চ সহকারী রাজেন্দ্র কুমার ভৌমিক সাক্ষ্য গ্রহণ পিছিয়ে যাওয়ার তথ্য নিশ্চিত করে জানান, আগামী ২৫ নভেম্বর অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ সৈয়দ কায়সার মো. মোশাররফ ইউসুফ এর আদালতে পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের তারিখ ধার্য রয়েছে। সাক্ষ্য দিতে সাক্ষীদের যথারীতি সমন পাঠানো হয়।

রাষ্ট্রপক্ষের কৌসুলী পিপি হাফেজ আহম্মদ জানান, সাক্ষীরা নির্ধারিত সময়ে হাজির না হওয়ায় বিচার কার্যক্রম বিলম্বিত হচ্ছে। তদন্ত কর্মকর্তাসহ গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষীরা সাক্ষ্য দিলেই যুক্তিতর্কের ধাপে গিয়ে রায়ের দিনক্ষণ চূড়ান্ত হওয়ার পর্যায়ে চলে যেত। 

ডেইলি বাংলাদেশ/এমকে

English HighlightsREAD MORE »